ইসলামিক
সাধারণ
জ্ঞান
বিষয়: নবী-রাসূল
370. প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম নবী কে?
উত্তরঃ আদম (আঃ)।
371. প্রশ্নঃ কোন নবীর পিতা-মাতা কেউ ছিল না?
উত্তরঃ আদম (আঃ)।
372. প্রশ্নঃ আদম (আঃ)এর শারিরীক দৈর্ঘ কত ছিল?
উত্তরঃ ৬০ হাত।
373. প্রশ্নঃ কোন নবী পিতা ছাড়াই মায়ের গর্ভে এসেছিলেন?
উত্তরঃ ঈসা (আঃ)।
374. প্রশ্নঃ কোন নবী নিজ জাতিকে ৯৫০ (সাড়ে নয়শত) বছর দাওয়াত দেন?
উত্তরঃ নূহ (আঃ)।
375. প্রশ্নঃ কোন নবীর মোজেযা চিরন্তন, যা কখনো বিলীন হবে না। উহা কি?
উত্তরঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। উহা হচ্ছে আল কুরআন।
376. প্রশ্নঃ কোন নবীকে আল্লাহ দীর্ঘকাল কঠিন অসুখ দিয়ে পরীক্ষা করেছিলেন? কিন্তু তিনি ধৈর্য ধারণ করেছিলেন?
উত্তরঃ আইয়্যুব (আঃ)।
377. প্রশ্নঃ কোন নবী পশু-পাখী, বাতাসের সাথে কথা বলতেন?
উত্তরঃ সুলাইমান (আঃ)।
378. প্রশ্নঃ পিতা-পুত্র উভয়েই নবী। কিন্তু উভয়কেই ইহুদীরা হত্যা করেছিল?
উত্তরঃ যাকারিয়া ও ইয়াহইয়া (আঃ)।
379. প্রশ্নঃ কোন নবীকে আল্লাহ আসমানী কিতাব যাবুর দিয়েছিলেন এবং লোহা তাঁর হাতে নরম হয়ে যেত?
উত্তরঃ দাউদ (আঃ)।
380. প্রশ্নঃ “উলুল আযমে মিনার্ রুসুল” বা দৃঢ়পদ সম্পন্ন নবী কাদেরকে বলা হয়?
উত্তরঃ তাঁরা হচ্ছেন পাঁচ জন: নূহ, ইবরাহীম, মূসা, ঈসা ও মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিম ওয়া সাল্লাম)।
381. প্রশ্নঃ কোন চারজন নবী সকলেই আরব বংশদ্ভূত?
উত্তরঃ হুদ, ছালেহ, শুআইব ও মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহিম ওয়া সাল্লাম)।
382. প্রশ্নঃ কোন দুজন সহোদর ভাই দুজনই নবী?
উত্তরঃ ইসমাঈল ও ইসহাক এবং মূসা ও হারূন (আঃ)
383. প্রশ্নঃ কোন নবীকে মাছে গিলে ফেলেছিল? দুআ করার পর আল্লাহ তাকে মুক্তি দিয়েছেন?
উত্তরঃ ইউনুস (আঃ)
384. প্রশ্নঃ কোন দুজন নবীর স্ত্রীরা কাফের ছিল?
উত্তরঃ নূহ ও লূত (আঃ)
385. প্রশ্নঃ কোন নবীকে আল্লাহ আদ জাতির নিকট প্রেরণ করেছিলেন?
উত্তরঃ হুদ (আঃ)।
386. প্রশ্নঃ কোন দুজন নবীকে বৃদ্ধ বয়সে আল্লাহ সন্তান দিয়েছিলেন? অথচ তাদের স্ত্রীগণ বন্ধ্যা ছিলেন?
উত্তরঃ ইবরাহীম ও যাকারিয়া (আঃ)
387. প্রশ্নঃ কোন নবীর ছেলেকে কুফরীর কারণে আল্লাহ ডুবিয়ে মেরেছিলেন?
উত্তরঃ নূহ (আঃ) এর ছেলে কেনানকে।
388. প্রশ্নঃ কোন নবীর সমপ্রদায়ের লোকেরা ওযনে কম দেয়ায় খ্যাতি অর্জন করেছিল?
উত্তরঃ শুআইব (আঃ)এর সমপ্রদায়ের লোকেরা।
389. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে কয়জন নবীর নাম উল্লেখ আছে?
উত্তরঃ ২৫ জন।
390. প্রশ্নঃ কুরআনে উল্লেখিত পঁচিশ জন নবীর নাম উল্লেখ কর।
উত্তরঃ আদম (আঃ), ইদরীস (আঃ), নূহ (আঃ), হূদ (আঃ), ছালেহ (আঃ), ইবরাহীম আঃ), লূত (আঃ), ইসমাঈল (আঃ), ইসহাক্ব (আঃ), ইয়াকূব (আঃ), ইউসূফ (আঃ), শুআইব (আঃ), আইয়্যুব (আঃ), যুলকিফল (আঃ), মূসা (আঃ) হারূন (আঃ), দাউদ (আঃ), সুলাইমান (আঃ), ইল্য়াস আঃ), আলইয়াসা (আঃ), ইউনুস (আঃ), যাকারিয়া (আঃ), ইয়াহইয়া (আঃ), ঈসা (আঃ) ও মুহাম্মাদ (স.)।
391. প্রশ্নঃ মারইয়াম বিনতে ইমরান কোন নবীর দায়িত্বে প্রতিপালিত হন?
উত্তরঃ যাকারিয়া (আঃ)।
392. প্রশ্নঃ কোন নবী কাঠুরে ছিলেন?
উত্তরঃ যাকারিয়া (আঃ)।
393. প্রশ্নঃ কোন নবী বৃদ্ধাবস্থায় আল্লাহর কাছে সন্তান চেয়েছিলেন? আর আল্লাহ তাঁর প্রার্থনাও মঞ্জুর করেছিলেন।
উত্তরঃ যাকারিয়া (আঃ)।
394. প্রশ্নঃ কোন্ নারী বন্ধ্যা ও বৃদ্ধা হওয়ার পরও সন্তান লাভ করেছিলেন?
উত্তরঃ যাকারিয়া (আঃ) এর স্ত্রী।
395. প্রশ্নঃ কোন নবীকে বলা হয় আল্লাহর কালেমা ও তাঁর রূহ?
উত্তরঃ ঈসা (আঃ)।
396. প্রশ্নঃ জনৈক মহিয়সী রমণী ও তাঁর সন্তানকে পবিত্র কুরআনে “জগতবাসীর জন্য নিদর্শন হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে”? তাঁরা কে কে?
উত্তরঃ মারিয়াম বিনতে ঈমরান ও তাঁর সন্তান ঈসা (আঃ)।
397. প্রশ্নঃ ইউসূফ (আঃ) এর সহদোর ভাইয়ের নাম কি ছিল?
উত্তরঃ বেনিয়ামীন।
398. প্রশ্নঃ কোন নবী নিজের হাতে রোজগার করে সংসার চালাতেন?
উত্তরঃ দাউদ (আঃ) ।
399. প্রশ্নঃ কোন নবী সারাবছর একদিন রোযা রাখতেন, আরেকদিন রাখতেন না?
উত্তরঃ দাউদ (আঃ)।
400. প্রশ্নঃ দাউদ (আঃ)কে কোন গ্রন্থ দেয়া হয়েছে?
উত্তরঃ যাবুর।
401. প্রশ্নঃ ইউনূস (আঃ)কে কোন জাতির নিকট নবী হিসেবে প্রেরণ করা হয়েছিল?
উত্তরঃ নিনুওয়া এলাকার লোকদের নিকট।
402. প্রশ্নঃ কোন্ নবী জেল খেটেছেন?
উত্তরঃ ইউসুফ (আঃ)।
403. প্রশ্নঃ ইউসুফ নবীর জেল খাটার কারণ কি?
উত্তরঃ মিসরের রাণীর অন্যায় আবদার প্রত্যাখ্যান করার কারণে।
404. প্রশ্নঃ ইউসুফ (আঃ) কতদিন জেল খেটেছেন?
উত্তরঃ ৭ বছর।
405. প্রশ্নঃ কোন মহান ব্যক্তি নিজে নবী ছিলেন, তাঁর পিতা, তাঁর দাদা এবং পরদাদাও নবী ছিলেন?
উত্তরঃ ইউসুফ (আঃ)। তাঁর পিতা ইয়াকূব (আঃ), দাদা ইসহাক (আঃ) ও পরদাদা ইবরাহীম (আঃ)।
406. প্রশ্নঃ কোন নবী মিসরের খাদ্য মন্ত্রী হয়েছিলেন?
উত্তরঃ ইউসুফ (আঃ)
407. প্রশ্নঃ যে রমণী ইউসুফ (আঃ)কে বিভ্রান্ত করতে চেয়েছিলেন তার নাম কি?
উত্তরঃ জুলাইখা।
408. প্রশ্নঃ কোন নবীকে ছামূদ জাতীর নিকট প্রেরণ করা হয়?
উত্তরঃ ছালেহ (আঃ)কে।
409. প্রশ্নঃ ছালেহ (আঃ) এর মোজেযা কি ছিল?
উত্তরঃ উটনী।
410. প্রশ্নঃ নূহের সমপ্রদায়কে তুফান দ্বারা ধ্বংস করার পর সর্বপ্রথম কোন নবীর সমপ্রদায়ের লোকেরা মূর্তি পুজায় লিপ্ত হয় এবং আল্লাহ তাদেরকে প্রচন্ড ঝড় দ্বারা ধ্বংস করে দেন?
উত্তরঃ হূদ (আঃ)।
411. প্রশ্নঃ কোন নবীকে আবুল আম্বিয়া বা নবীদের পিতা বলা হয়?
উত্তরঃ ইবরাহীম (আঃ)।
412. প্রশ্নঃ কোন নবীর জীবনের বিনিময়ে আল্লাহ বিরাট একটি প্রাণী প্রেরণ করেছিলেন?
উত্তরঃ ইসমাঈল (আঃ)
413. প্রশ্নঃ ইবরাহীম (আঃ) যখন ইসমাঈলকে যবেহ করার জন্য নিজের সিদ্ধান্তের কথা বললেন, তখন ইসমাঈল (আঃ) জবাবে কি বলেছিলেন?
উত্তরঃ “পিতা! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়ন করুন। আল্লাহ চাহেতো আপনি আমাকে ধৈর্য ধারণকারী পাবেন।” (সূরা সাফাতঃ ১০২)
414. প্রশ্নঃ ইবরাহীম (আঃ)এর পিতার নাম কি ছিল? তার কাজ কি ছিল?
উত্তরঃ আযর। সে মুর্তি বানাত ও বিক্রি করত।
415. প্রশ্নঃ কোন নবীকে তাঁর সমপ্রদায়ের লোকেরা আগুনে নিক্ষেপ করেছিল?
উত্তরঃ ইবরাহীম (আঃ)।
416. প্রশ্নঃ কোন নবীকে খালিলুল্লাহ বলা হয়?
উত্তরঃ ইবরাহীম (আঃ)কে।
417. প্রশ্নঃ কোন্ নবী সর্বপ্রথম মানুষকে বায়তুল্লাহর হজ্জ করার জন্য আহবান করেন?
উত্তরঃ ইবরাহীম (আঃ)।
418. প্রশ্নঃ কোন্ বাদশা ইবরাহীম (আঃ)কে অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করে?
উত্তরঃ নমরূদ।
419. প্রশ্নঃ কি অপরাধে ইবরাহীম (আঃ)কে আগুনে নিক্ষপ করা হয়েছিল?
উত্তরঃ তিনি মূর্তী ভেঙ্গেছিলেন।
420. প্রশ্নঃ কোন নবী তাঁর ছেলেকে সাথে নিয়ে কাবা ঘর নির্মাণ করেন?
উত্তরঃ ইবরাহীম (আঃ) তাঁর ছেলে ইসমাঈল (আঃ)কে নিয়ে কাবা ঘর নির্মাণ করেন।
421. প্রশ্নঃ ইবরাহীম (আঃ)এর স্ত্রী এবং ইসহাক (আঃ)এর মাতা তাঁর নাম কি?
উত্তরঃ সারা।
422. প্রশ্নঃ ইবরাহীম (আঃ)এর কোন ছেলেকে আল্লাহ যবেহ করার আদেশ করেছিলেন?
উত্তরঃ ইসমাঈল (আঃ)কে।
423. প্রশ্নঃ ইসমাঈল (আঃ)এর মাতার নাম কি?
উত্তরঃ হাজেরা।
424. প্রশ্নঃ ইসমাঈল (আঃ) মক্কায় যেখানে থাকতেন সে জায়গাটার নাম কি?
উত্তরঃ কাবা ঘরের হাতীমে তিনি থাকতেন। জায়গাটির আরেক নাম হিজরে ইসমাঈল।
425. প্রশ্নঃ ইবরাহীম (আঃ) পুত্র ইসমাঈলকে যবেহ করার জন্য কোথায় নিয়ে গিয়েছিলেন?
উত্তরঃ মিনায়।
426. প্রশ্নঃ ইবরাহীম (আঃ) কোথায় জন্ম গ্রহণ করেন?
উত্তরঃ ইরাকে।
427. প্রশ্নঃ ইবরাহীম (আঃ) কোথায় বসতি স্থাপন করেন?
উত্তরঃ ফিলিস্তিনে।
428. প্রশ্নঃ ইবরাহীম (আঃ) নিজ স্ত্রী ও শিশু সন্তান ইসমাঈল কোথায় রেখে আসেন? তখন সে জায়গার অবস্থা কেমন ছিল?
উত্তরঃ মক্কায়। তখন মক্কা জনমানবহীন স্থান ছিল।
429. প্রশ্নঃ কোন নবী জন্ম লাভের পর, তার মাতা তাকে বাক্সে ভরে নীল নদে ভাসিয়ে দেন এবং কেন?
উত্তরঃ মূসা (আঃ)। এ জন্যে যে, জালেম বাদশা ফেরাউন বানী ইসরাঈলের সকল শিশুপুত্রকে হত্যা করার নির্দেশে দিয়েছিল।
430. প্রশ্নঃ কোন নবী নিজ শত্রুর বাড়ীতে লালিত-পালিত হন?
উত্তরঃ মূসা (আঃ)।
431. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ)কে কোন কাফের বাদশার নিকট ইসলামের দাওয়াত দিয়ে প্রেরণ করা হয়েছিল?
উত্তরঃ ফেরাউনের নিকট।
432. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ) লাঠি দ্বারা পাথরে আঘাত করলে কতটি ঝর্ণা নির্গত হয়েছিল?
উত্তরঃ ১২টি।
433. প্রশ্নঃ কোন নবী আল্লাহকে দেখতে চেয়েছিলেন?
উত্তরঃ মূসা (আঃ)।
434. প্রশ্নঃ ফেরাউন তার দলবল নিয়ে কোন্ সময় মূসা (আঃ) ও তাঁর সাথীদেরকে ধাওয়া করে?
উত্তরঃ সূর্য উঠার সময়। (সূরা শুআরাঃ ৬০ নং আয়াত)
435. প্রশ্নঃ ফেরাউন তার দলবল নিয়ে মূসা (আঃ) ও তাঁর সাথীদের ধাওয়া করে আসলে, লোকেরা বলেছিল “আমরা তো ধরা পড়ে গেলাম” তখন মূসা (আঃ) জবাবে কি বলেছিলেন?
উত্তরঃ “তিনি বললেন, কখনই নয়; নিশ্চয় আমার পালনকর্তা আমার সাথে আছেন। তিনি আমাকে পথ দেখাবেন।” (সূরা শুআরাঃ ৬২)
436. প্রশ্নঃ কোন নবী সর্বপ্রথম জ্ঞান শিক্ষার জন্য সফর করেন এবং কার কাছে?
উত্তরঃ মূসা (আঃ)। খিজির (আঃ)এর কাছে। (সূরা কাহাফঃ ৬০-৮২)
437. প্রশ্নঃ ফেরাউন মূসা (আঃ) ও তার দলবলকে ধাওয়া করে আসলে তারা কিভাবে মুক্তি পান?
উত্তরঃ মূসা (আঃ) হাতের লাঠি দ্বারা সমুদ্রে আঘাত করলে সেখানে ১২টি শুকনো রাস্তা হয়ে যায়। সেই রাস্তা দিয়ে তারা নির্বিঘ্নে পার হয়ে যান।
438. প্রশ্নঃ আল্লাহ তাআলা কিভাবে ফেরাউনকে ধ্বংস করেন?
উত্তরঃ মূসাকে ধাওয়া করতে গিয়ে তাঁর পিছনে পিছনে সমুদ্রের শুকনো রাস্তায় নামলে আল্লাহ তাকে ডুবিয়ে মারেন।
439. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ)কে আল্লাহ কি কি মোজেযা দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ লাঠি, শুভ্র হাত, উকুন, ব্যাঙ, রক্ত, দুর্ভিক্ষ, সমুদ্র, তুফান, ফড়িং।
440. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ)এর হাতের লাঠিতে কি ধরণের মোজেযা ছিল?
উত্তরঃ লাঠিটা মাটিতে রেখে দিলে তা বিশাল বড় সাপে পরিণত হত।
441. প্রশ্নঃ কোন নবী মূসা (আঃ)এর উযীর ছিলেন?
উত্তরঃ হারূন (আঃ)।
442. প্রশ্নঃ কোন নবীকে কালীমুল্লাহ (আল্লাহর সাথে বাক্যালাপকারী) বলা হয়?
উত্তরঃ মূসা (আঃ)কে।
443. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ) কোথায় আল্লাহর সাথে বাক্যালাপ করেন?
উত্তরঃ তূর পাহাড়ে।
444. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ) একজন কিবতীকে হত্যা করেছিলেন। কখন তিনি এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছিলেন?
উত্তরঃ নবুওতের পূর্বে। (সূরা শুআরাঃ ১৯ ও ২০)
445. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ)কে আল্লাহ কোন কিতাব প্রদান করেছেন?
উত্তরঃ তাওরাত।
446. প্রশ্নঃ আল্লাহ তাআলা মূসা (আঃ)কে তাওরাত কিতাব কোথায় প্রদান করেছিলেন?
উত্তরঃ তূর পাহাড়ে।
447. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ)এর সমপ্রদায় বানী ইসরাঈলের মাথার উপর আল্লাহ কোন্ পাহাড় উঠিয়েছিলেন?
উত্তরঃ তূর পাহাড়।
448. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ) যখন তূর পাহাড়ে গমণ করেন, তখন তাঁর অনুসারীরা একটি শির্কে লিপ্ত হয়েছিল। সেটা কি?
উত্তরঃ তারা বাছুর পুজায় লিপ্ত হয়েছিল।
449. প্রশ্নঃ কে তাদেরকে বাছুর পুজায় উদ্বুদ্ধ করেছিল?
উত্তরঃ সামেরী নামক একজন লোক।
450. প্রশ্নঃ কোন নবীর নাম পবিত্র কুরআনে সবচেয়ে বেশী সংখ্যায় উল্লেখ হয়েছে?
উত্তরঃ মূসা (আঃ)
451. প্রশ্নঃ মূসা নবীর নাম পবিত্র কুরআনে কতবার উল্লেখ হয়েছে?
উত্তরঃ ১৩১ বার।
452. প্রশ্নঃ বনী ইসরাঈলের প্রথম ও শেষ নবীর নাম কি?
উত্তরঃ তাদের প্রথম নবী মূসা ও শেষ নবী ঈসা (আঃ)।
453. প্রশ্নঃ কোন্ নবী সর্বপ্রথম কাপড় সিলাই করে পরিধান করেন?
উত্তরঃ ইদরীস (আঃ)।
454. প্রশ্নঃ কোন্ নবীর উপাধী ছিল ইসরাঈল?
উত্তরঃ ইয়াকূব (আঃ)।
455. প্রশ্নঃ কোন নবীর উম্মাত বলেছিল “আপনি যদি সত্যবাদী হন, তবে আমাদের উপর আসমান থেকে শাস্তি নাযিল করুন”?
উত্তরঃ শুআইব (আঃ) এর উম্মাত। (সূরা শুআরাঃ ১৮৭)
456. প্রশ্নঃ কোন্ নবী নিজ উম্মাতের উপর বদদুআ করেছিলেন, ফলে তাদেরকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে?
উত্তরঃ নূহ (আঃ)। (সূরা নূহঃ ২৬)
457. প্রশ্নঃ মূসা (আঃ) কেন মিসর ছেড়ে মাদায়েন শহরে চলে গিয়েছিলেন?
উত্তরঃ এ জন্যে যে তিনি একজন কিবতীকে হত্যা করেছিলেন। (সূরা কাসাসঃ ১৫)
458. প্রশ্নঃ দুজন নবী তাঁদের সন্তানদের উদ্দেশ্যে যে নসীহত করেছেন তা উল্লেখ করে আল্লাহ বলেন, “হে আমার সন্তানগণ নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের জন্য দ্বীন ইসলামকে মনোনিত করেছেন। অতএব তোমরা মুসলমান না হয়ে মৃত্যু বরণ করো না”। নবী দুজন কে কে?
উত্তরঃ ইবরাহীম ও ইয়াকূব (আঃ)। (সূরা বাকারাঃ ১৩২)
459. প্রশ্নঃ পূর্ববর্তী জাতীর মধ্যে কোন জাতী সবচেয়ে বেশী শক্তিশালী ছিল?
উত্তরঃ আদ জাতী। (সূরা ফুস্সিলাতঃ ১৫)
460. প্রশ্নঃ একজন নবী আরেক নবীর কাছে তাঁর কন্যাকে বিবাহ করার জন্য প্রস্তাব করেন। সেই নবী দুজনের নাম কি?
উত্তরঃ শুআইব (আঃ) মূসা (আঃ)এর নিকট প্রস্তাব পেশ করেন।
461. প্রশ্নঃ আল্লাহর একজন নবী কাফেরদের হেদায়াতের পথে আনতে না পেরে নিজের দুর্বলতার বিষয় উল্লেখ করে আল্লাহর কাছে দুআ করেছিলেন, “আমি পরাজিত, আপনি আমাকে সাহায্য করুন”? কে ছিলেন সেই নবী?
উত্তরঃ নূহ (আঃ)। (সূরা কামারঃ ১০)
462. প্রশ্নঃ কোন নবীর সমপ্রদায় আল্লাহকে দেখার আবেদন করেছিল?
উত্তরঃ মূসা (আঃ) এর সমপ্রদায়।
463. প্রশ্নঃ কোন দুজন নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর আগমণের ব্যাপারে সুসংবাদ প্রদান করেছিলেন?
উত্তরঃ ইবরাহীম ও ঈসা (আঃ)।
464. প্রশ্নঃ ইয়াকূব (আঃ)এর আরেক নাম কি?
উত্তরঃ ইসরাইল।
465. প্রশ্নঃ ইউনূস (আঃ)এর আরেক নাম কি ?
উত্তরঃ যুন্ নূন।
466. প্রশ্নঃ ঈসা (আঃ)এর আরেক নাম কি?
উত্তরঃ মাসীহ।
467. প্রশ্নঃ কোন্ কোন্ নবীর নাম জন্মের পূর্বেই রাখা হয়েছে?
উত্তরঃ যেসব নবীর নাম জন্মের পূর্বেই রাখা হয়েছে তাদের নাম নিচে দেয়া হলোঃ
(ক) মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জন্মের পূর্বেই তাঁর নাম রাখা হয়েছে আহমাদ (সূরা সফঃ ৬)।
(খ) ইয়াহইয়া (আঃ) (সূরা মারইয়ামঃ ৭)
(গ) ঈসা (আঃ) (সূরা আল ঈমরানঃ ৪৫)
(ঘ) ইসহাক (আঃ) ও ইয়াকূব (আঃ) (সূরা হূদঃ ৭১)
468. প্রশ্নঃ আদম ও শীছ (আঃ)এর পর যিনি নবী হিসেবে এসেছেন তিনি সর্বপ্রথম কলম দ্বারা লিখেন। আল্লাহ তাঁকে সিদ্দীক হিসেবে কুরআনে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর নাম কি?
উত্তরঃ ইদরীস (আঃ)।
469. প্রশ্নঃ পূর্ববর্তী সমস্ত নবীর অধিকাংশ উম্মত তাঁদের সাথে কুফরী করেছে, তাঁরা যে মিশন নিয়ে এসেছিলেন তা প্রত্যাখ্যান করেছে। কিন্তু একজন নবীর উম্মত সবাই ঈমান এনেছিলেন। সেই নবীর নাম কি?
উত্তরঃ ইউনুস (আঃ)। (সূরা ইউনুসঃ ৯৮)
470. প্রশ্নঃ একজন নবীকে কিশোর অবস্থাতেই আল্লাহ জ্ঞানী করেছিলেন এবং তাকে তাওরাতের শিক্ষা দিয়েছিলেন। তিনি কে?
উত্তরঃ ইয়াহইয়া (আঃ)। (সূরা মারইয়ামঃ ১২)
471. প্রশ্নঃ কোন নবী সম্পর্কে তাঁর জন্মের পূর্বেই বিজ্ঞ বলে সুসংবাদ দেয়া হয়েছিল?
উত্তরঃ ইসমাঈল (আঃ)। (সূরা হিজরঃ ৫৩)
হযরত আদম (আঃ)
প্রশ্নঃ হযরত আদম (আঃ) কে?
উত্তরঃ পৃথিবীর প্রথম মানুষ ও নবী।
প্রশ্নঃ হযরত আদম (আঃ) কি থেকে সৃষ্টি?
উত্তরঃ হযরত আদম (আঃ) মাটি থেকে সৃষ্টি।
প্রশ্নঃ হাওয়া (আঃ) কি থেকে সৃষ্টি?
উত্তরঃ হযরত আদম (আঃ) এর শরীরের অঙ্গ হতে।
প্রশ্নঃ হযরত আদম (আঃ) এর প্রথম বাসস্থান কোথায়?
উত্তরঃ জান্নাতে।
প্রশ্নঃ হযরত আদম (আঃ) ও হাওয়া (আঃ) পৃথিবীর কোন স্থানে অবতরণ করেন?
উত্তরঃ হযরত আদম (আঃ) শ্রীলংকায় এবং হাওয়া (আঃ) আরবের আরাফা অঞ্চলে।
প্রশ্নঃ কত দিন পর আদম-হাওয়ার মিলন হয়?
উত্তরঃ ৩৫০ বছর পর।
প্রশ্নঃ কোথায় আদম-হাওয়ার সাক্ষাত হয়?
উত্তরঃ মক্কার আরাফাত ময়দানে।
প্রশ্নঃ হযরত আদম (আঃ) এর শারীরিক গঠন কেমন ছিল?
উত্তরঃ উচ্চতায় ৬০ হাত ও প্রস্থে ৭ হাত।
প্রশ্নঃ কা’বা ঘরের প্রথম ভিত্তি কে স্থাপন করেন?
উত্তরঃ হযরত আদম (আঃ)।
হযরত নূহ (আঃ)
প্রশ্নঃ হযরত নূহ (আঃ)-কে কি বলা হয়?
উত্তরঃ দ্বিতীয় আদম।
প্রশ্নঃ পৃথিবী ব্যাপি বন্যা হয় কার আমলে?
উত্তরঃ হযরত নূহ (আঃ) এর আমলে।
প্রশ্নঃ হযরত নূহ (আঃ) এর নৌকার আয়তন কত ছিল?
উত্তরঃ দৈর্ঘে ৩০০ হাত, প্রস্থে ৫০ হাত, এবং উচ্চতায় ২০ হাত।
প্রশ্নঃ বন্যার পর হযরত নূহ (আঃ) এর নৌকা কোথায় অবতরণ করে?
উত্তরঃ জুদী পর্বতে।
প্রশ্নঃ হযরত নূহ (আঃ) কত বছর জীবিত ছিলেন?
উত্তরঃ প্রায় ১০৫০ বছর।
প্রশ্নঃ হযরত নূহ (আঃ) এর দাওয়াতে কতজন লোক ইসলামের ছায়াতলে আসেন?
উত্তরঃ ৪০ জন।
হযরত হুদ (আঃ) ও ইদ্রিস (আঃ)
প্রশ্নঃ হযরত হুদ (আঃ) কোন জাতির জন্য প্রেরিত হন?
উত্তরঃ আদ জাতীর জন্য।
প্রশ্নঃ আদ জাতির কোন ব্যক্তি খোদা দাবী করেন?
উত্তরঃ শাদ্দাত।
প্রশ্নঃ হুদ (আঃ) এর জাতির প্রতি কোন গযব নাযিল হয়?
উত্তরঃ প্রথমে অনাবৃষ্টি, পরে আট দিন সাত রাত অনবরত ঝড় তুফানের ভয়ংকর গযব নাযিল হয়।
প্রশ্নঃ হযরত ইদ্রিস (আঃ) এর রূহ কোথায় কবজ করা হয়?
উত্তরঃ চতুর্থ আসমানে।
প্রশ্নঃ কোন নবী মানব জাতিকে সর্ব প্রথম অক্ষর জ্ঞান দান করেন?
উত্তরঃ হযরত ইদ্রিস (আঃ)।
হযরত ইব্রাহীম (আঃ)
প্রশ্নঃ কোন নবীকে আবুল আম্বিয়া বা বহু নবীর পিতা বলা হয়?
উত্তরঃ হযরত ইব্রাহীম (আঃ) কে আবুল আম্বিয়া বা বহু নবীর পিতা বলা হয়।
প্রশ্নঃ হযরত ইব্রাহীম (আঃ) কোথায় জন্ম গ্রহন করেন?
উত্তরঃ ইরাকে।
প্রশ্নঃ হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর আমলের অভিশপ্ত রাজার নাম কি?
উত্তরঃ নমরুদ।
প্রশ্নঃ কুখ্যাত নমরুদের মৃত্যু হয় কিভাবে?
উত্তরঃ মাথার ভিতরে একটি পা ভাঙ্গা মশার কামড়ে।
প্রশ্নঃ হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর উপাধি কি ছিল?
উত্তরঃ খলীলুল্লাহ বা আল্লাহর বন্ধু।
প্রশ্নঃ হযরত ইব্রাহীম (আঃ) কাকে কুরবানী করতে আল্লাহর নির্দেশ পেয়েছিলেন?
উত্তরঃ নিজ পুত্র হযরত ইসমাঈল (আঃ) কে।
প্রশ্নঃ হযরত ইব্রাহীম (আঃ) কত বছর জীবিত ছিলেন?
উত্তরঃ ১৭৫।
হযরত লুত (আঃ)
প্রশ্নঃ হযরত লুত (আঃ) কে ছিলেন?
উত্তরঃ হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর ভ্রাতুস্পুত্র। এবং আল্লাহর একজন নবী।
প্রশ্নঃ হযরত লুত (আঃ) এর কওমের নাম কি?
উত্তরঃ সামূদ।
প্রশ্নঃ হযরত লুত (আঃ) এর কওমের উপর কেমন আযাব অবতীর্ণ হয়?
উত্তরঃ তাদের বাসস্থান এলাকা সম্পূর্ন উল্টিয়ে সাগরে পরিনত করে দেওয়া হয়েছিল। যেই সাগর কে বর্তমানে ‘মৃত সাগর’ বলা হয়।
হযরত ইস্হাক (আঃ)
প্রশ্নঃ কোন নবী আল্লাহর ভয়ে এত বেশী কেঁেদ ছিলেন যে তার সুন্দর চেহারায় পানির দাগ বসে গিয়ে ছিল?
উত্তরঃ হযরত ইস্হাক (আঃ)।
হযরত ইয়াকুব (আঃ)
প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে হযরত ইয়াকুব (আঃ) এর নাম কয়টি স্থানে উল্লেখিত হয়েছে?
উত্তরঃ ১০টি স্থানে।
প্রশ্নঃ হযরত ইয়াকুব (আঃ) কোথায় ধর্ম প্রচার করেছিলেন?
উত্তরঃ কেনানে।
প্রশ্নঃ হযরত ইয়াকুব (আঃ) এর সর্ব কনিষ্ট পুত্রের নাম কি?
উত্তরঃ হযরত ইয়াকুব (আ) এর সর্ব কনিষ্ট পুত্রের নাম বিন্ইয়ামিন।
হযরত ইউসুফ (আঃ)
প্রশ্নঃ হযরত ইউসুফ (আঃ) এর জীবনের ঘটনাকে কোনআনে কি নামে অবিহিত?
উত্তরঃ আহসানুল কাসাস তথা উত্তম কাহিনী।
প্রশ্নঃ আযীযের কোন নিকটাত্মীয় হযরত ইউসুফ (আঃ) এর প্রেমে আসক্ত হয়?
উত্তরঃ আযীযের পতœী যুলাইখা।
প্রশ্নঃ নবীদের মধ্যে সর্বপেক্ষা সুশ্রী ছিলেন কে?
উত্তরঃ হযরত ইউসুফ (আঃ)।
প্রশ্নঃ হযরত ইউসুফ (আঃ) এর শোকে তার পিতার কি অবস্থা হয়ে ছিল?
উত্তরঃ পুত্রের শোকে পিতা ইয়াকুব (আঃ) কেঁেদ কেঁেদ অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন।
প্রশ্নঃ শৈশবে হযরত ইউসুফ (আঃ) কি স্বপ্ন দেখেছিলেন?
উত্তরঃ এগারোটি নক্ষত্র এবং চন্দ্র ও সূর্য তাকে সেজদা করছে।
প্রশ্নঃ হযরত ইউসুফ (আঃ) কত বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন?
উত্তরঃ ১১০ বছর।
প্রশ্নঃ তার দাফন কোথায় করা হয়।
উত্তরঃ ফিলিস্তিনে।
হযরত শু’আইব (আঃ)
প্রশ্নঃ হযরত শু’আইব (আঃ) কোথাকার নবী ছিলেন?
উত্তরঃ মাদায়েন নামক এলাকায়।
প্রশ্নঃ হযরত শু’আইব (আঃ) এর কওম কেমন ছিল?
উত্তরঃ পৌত্তলিক।
প্রশ্নঃ তাদের প্রতি কোন ধরনের আযাব অবতীর্ণ হয়েছিল?
উত্তরঃ ভূমিকম্প এবং অগ্নিবর্ষণ।
প্রশ্নঃ হযরত শু’আইব (আঃ) এর কবর কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ হাযরা মাউত এলাকায়।
হযরত মূসা (আঃ)
প্রশ্নঃ হযরত মূসা (আঃ) কোন বাদশার আমলে এবং কোথায় জন্ম গ্রহন করেন?
উত্তরঃ কুখ্যাত দ্বিতীয় রামেসিসের (ফেরআউন) আমলে মিশরে জন্ম গ্রহন করেন।
প্রশ্নঃ রামেসিসকে কুরআনে কি নামে উল্লেখ করা হয়েছে?
উত্তরঃ ফেরআউন নামে।
প্রশ্নঃ হযরত মূসা (আঃ) এর প্রতি আল্লাহর কোন কিতাব নাযিল করা হয় এবং তার অর্থ কি?
উত্তরঃ তাওরাত যার অর্থ হল ‘আইন’।
প্রশ্নঃ কোন দুর্যোগময় মুহুর্তে তাঁর জন্ম হয়?
উত্তরঃ যখন মিশর স¤্রাট ফেরআউন ইস্রাঈল বংশের বালক ও সদ্য প্রসূত শিশুদের হত্যা করছিল।
প্রশ্নঃ ফেরআউন কর্তৃক ইস্্রাঈলী শিশু-সন্তানদের হত্যার কারণ কি?
উত্তরঃ জনৈক ইস্্রাঈলী বালকের হাতে তার স¤্রাজ্যের পতন হবে বলে।
প্রশ্নঃ কোন নবী আল্লাহর সাথে সরাসরি কথা বলেছিলেন?
উত্তরঃ হযরত মূসা (আঃ)।
প্রশ্নঃ এ জন্য তাকে কি উপাধি দেওয়া হয়?
উত্তরঃ কালীমুল্লাহ।
প্রশ্নঃ কোন পর্বতে তিনি আল্লাহর সাথে কথা বলেছিলেন?
উত্তরঃ ‘তুর’ পর্বতে।
প্রশ্নঃ কোন নবীর লাঠি সাপে পরিবর্তন হয়?
উত্তরঃ হযরত মূসা (আঃ) এর লাঠি।
প্রশ্নঃ ফেরাআউন ও তার দলবলের উপর কত প্রকারের আযাব এসেছিল?
উত্তরঃ দুর্ভিক্ষ, ফলমুল বিনষ্ট, তুফান, পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ, রক্ত-এ সাত প্রকারের আযাব এসেছিল।
প্রশ্নঃ হযরত মূসা (আ) কিভাবে মিশর ত্যাগ করেন এবং অভিশাপ্ত ফেরআউন ও তার দলবল কিভাবে ধংসপ্রাপ্ত হয়?
উত্তরঃ হযরত মূসা (আঃ) ৪০ হাজার বনী ইস্্রাঈলসহ মিশর ত্যাগ করে লোহিত সাগরের তীরে এসে হাতের লাঠি সমুদ্রে মারার সাথে সাথেই তা দু’ফাঁক হয়ে পথ করে দেয় এবং হযরত মূসা (আঃ) তার সঙ্গী-সাথীসহ নির্বিঘেœ সমুদ্র অতিক্রম করেন। কিন্তু ফেরআউন ও তার দলবল তাঁর পশ্চাদ্ধাবরন করলে মাঝ পথে এসে সবাই ডুবে মারা যায়।
প্রশ্নঃ কোন নবী মহাপ্রলয়ের প্রথম সিঙ্গার ফুৎকারের সময় সজ্ঞান অবস্থায় থাকবেন?
উত্তরঃ হযরত মূসা (আঃ)।
প্রশ্নঃ হযরত মূসা (আঃ) কত বছর জীবিত ছিলেন?
উত্তরঃ ১২০ বছর।
প্রশ্নঃ বর্তমানে ফেরআউনের লাশ কোথায় রক্ষিত আছে?
উত্তরঃ মিশরের রাজধানীন কায়রোর যাদুঘরে।
হযরত ইউনুস (আঃ)
প্রশ্নঃ হযরত ইউনুস (আঃ) কোথায় নবী হিসেবে প্রেরিত হন?
উত্তরঃ নীনাওয়ায় (নিনীভা)।
প্রশ্নঃ নীনাওয়ার পূর্ব নাম কি?
উত্তরঃ দামেশ্ক।
প্রশ্নঃ হযরত ইউনুস (আঃ) কত বছর বয়সে নবুয়ত প্রাপ্ত হন?
উত্তরঃ ২৮ বছর বয়সে।
প্রশ্নঃ হযরত ইউনুস (আঃ) কে আল্লাহর হুকুমে কোন প্রানী গিলে ফেলেছিল।
উত্তরঃ মাছ।
প্রশ্নঃ কোন দোয়া পড়ার কারণে তিনি মাছের পেট থেকে নিষ্কৃতি পান।
উত্তরঃ দোয়ায়ে ইউনুস।
প্রশ্নঃ দোয়ায়ে ইউনুস কী?
উত্তরঃ দোয়ায়ে ইউনুস হল-
لاَ اِلهَ اِلاَّ اَنْتَ سُبْحَانَكَ اِنِّيْ كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِيْنَ
(উচ্চারণঃ লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনাজ জালিমীন)
প্রশ্নঃ হযরত ইউনুস (আঃ) এর দোয়ায় আল্লাহ কি গযব দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ নীনাওয়া শহরে পানির বদলে আগুন বর্ষিত হয়েছিল।
হযরত দাঊদ (আঃ)
প্রশ্নঃ কোন জাতির হেদায়েতের জন্য হযরত দাঊদ (আঃ) নবী হিসেবে মনোনিত হয়েছিলেন?
উত্তরঃ অভিশপ্ত ইস্্রাঈল জাতির।
প্রশ্নঃ হযরত দাঊদ (আঃ) এর জীবিকা উপার্যনের মাধ্যম কি ছিল?
উত্তরঃ লৌহ-বর্ম নির্মাণ ও বিক্রয় করা।
প্রশ্নঃ কোন মহামানবের হাতের পরশে শক্ত লোহা নরম হয়ে যেত?
উত্তরঃ হযরত দাঊদ (আঃ)।
প্রশ্নঃ হযরত দাঊদ (আঃ) এর প্রতি আল্লাহর কোন কিতাব নাযিল হয়?
উত্তরঃ যাবুর।
প্রশ্নঃ কোন নবীর সঙ্গে পাহাড়, তরুলতা, পশুপাখি প্রভৃতি উপাসনায় যোগদান করতো?
উত্তরঃ হযরত দাঊদ (আঃ) এর সঙ্গে।
প্রশ্নঃ হযরত দাঊদ (আঃ) এর কবর কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ জেরুযালেমের দক্ষিন-পশ্চিম সীমান্তে।
হযরত সুলাইমান (আঃ)
প্রশ্নঃ হযরত সুলাইমান (আঃ) জেরুযালেমের সিংহাসনে বসেন কবে?
উত্তরঃ ৯৩৭ খৃষ্ট পূর্বাব্দে।
প্রশ্নঃ তিনি কত বছর রাজত্ব করেছিলেন?
উত্তরঃ ৩৭ বছর।
প্রশ্নঃ কোন নবী পশু পাখি জ্বিন ইত্যাদির বাদশাহ ছিলেন?
উত্তরঃ হযরত সুলাইমান (আঃ)।
প্রশ্নঃ কোন রানী গভীর পরীক্ষার পরে হযরত সুলাইমান (আঃ) এর প্রতি ঈমান এনেছিলেন?
উত্তরঃ সাবার রানী (বিলকিস)।
প্রশ্নঃ বিলকিসের রাজ্য কোথায় ছিল?
উত্তরঃ সাবা গোত্রে (দক্ষিন আরবে)।
প্রশ্নঃ হযরত সুলাইমান (আঃ) এর বৈশিষ্ট কি ছিল?
উত্তরঃ হযরত সুলাইমান (আঃ) এর বৈশিষ্ট হলো- তিনি পশু-পাখির ‘বুলি’ বুঝতেন, বাতাস তার বাধ্য ছিল, জ্বিন ও অন্যান্ন প্রানী তার বশীভূত ছিল।
হযরত ঈসা (আঃ)
প্রশ্নঃ হযরত ঈসা (আঃ) কোন নবীর পূর্বে পৃথিবীতে এসেছিলেন?
উত্তরঃ শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর পূর্বে।
প্রশ্নঃ কোন নবীর পিতা ছিল না?
উত্তরঃ হযরত ঈসা (আঃ) এর।
প্রশ্নঃ তিনি কত বছর বয়সে নবুয়ত প্রাপ্ত হন?
উত্তরঃ ৩০ বছর বয়সে নবুয়ত প্রাপ্ত হন।
প্রশ্নঃ হযরত ঈসা (আঃ) এর উপাধি কি ছিল?
উত্তরঃ রূহুল্লাহ।
প্রশ্নঃ খৃষ্টানরা হযরত ঈসা (আঃ) কে কি নামে অভিহিত করে?
উত্তরঃ আল্লাহর পুত্র নামে।
প্রশ্নঃ হযরত ঈসা (আঃ) এখন কোথায় অবস্থান করছেন?
উত্তরঃ আসমানে।
প্রশ্নঃ কোন নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর উম্মত হয়ে পুনরায় দুনিয়াতে আসবেন?
উত্তরঃ হযরত ঈসা (আঃ)।
প্রশ্নঃ কোন নবী মৃত প্রানীকে আল্লাহর হুকুমে জীবিত করতেন?
উত্তরঃ হযরত ঈসা (আঃ)।
প্রশ্নঃ কোন নবী কাদা মাটি নিয়ে পাখি তৈরী করে তাতে ফুঁক দেওয়ার সাথে সাথেই তা আল্লাহর হুকুমে জ্যান্ত পাখী হয়ে উড়ে যেত?
উত্তরঃ হযরত ঈসা (আঃ)।
মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)
প্রশ্নঃ হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে ছিলেন?
উত্তরঃ আল্লাহর সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ নবী।
প্রশ্নঃ তিনি কবে এবং কোথায় জন্ম গ্রহন করেন?
উত্তরঃ তিনি ৫৭০ খ্রীষ্টাব্দে আরবের মক্কা নগরীতে জন্ম গ্রহন করেন।
প্রশ্নঃ তাঁর পিতা-মাতার নাম কি?
উত্তরঃ তাঁর পিতার নাম আব্দুল্লাহ ও মাতার নাম আমিনা।
প্রশ্নঃ হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বপ্রথম কোন মহিয়সী নারীর দুধ পান করেন?
উত্তরঃ হযরত মা হালীমার।
প্রশ্নঃ হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর উপাধি কি?
উত্তরঃ আল-আমীন।
প্রশ্নঃ তিঁনি কত বছর বয়সে প্রথম বিবাহ করেন?
উত্তরঃ ২৫ বছর বয়সে।
প্রশ্নঃ হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রথমা স্ত্রী হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেন কে?
উত্তরঃ হযরত খাদিজা (রাদি.)।
প্রশ্নঃ কোন নবীর সিনাচাক করা হয়েছিল?
উত্তরঃ হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর।
প্রশ্নঃ সিরিয়া ভ্রমনের সময় হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -কে দেখে ‘রাসূল’ বলে ভবিষ্যদ্বানী করেছিলেন কে?
উত্তরঃ বোহাইরা নামক জনৈক পাদ্রি।
প্রশ্নঃ হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কত বছর বয়সে নবুয়ত প্রাপ্ত হন?
উত্তরঃ ৪০ বছর বয়সে নবুয়ত প্রাপ্ত হন।
প্রশ্নঃ তিঁনি মদীনা নগরে পৌঁছে প্রথমে কার গৃহে প্রবেশ করেন?
উত্তরঃ হযরত আবু আইয়ুব আনসারী (রাঃ) এর গৃহে।
প্রশ্নঃ হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বপ্রথম জুম’আর নামায কখন এবং কোথায় পড়েছিলেন?
উত্তরঃ মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত কালে বনী সালেম মহল্লায়।
প্রশ্নঃ নবুয়তের কত বছর পরে তিনি প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচার করেন?
উত্তরঃ ৩ বছর পর।
প্রশ্নঃ হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রধানতম স্থায়ী মো’জেযা কি?
উত্তরঃ কোরআন শরীফ।
প্রশ্নঃ হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নাম ‘মোহাম্মাদ’ রাখেন কে?
উত্তরঃ দাদা আব্দুল মুত্তালিব।
প্রশ্নঃ হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পবিত্র অঙ্গে সর্বপ্রথম আঘাত করেন কে?
উত্তরঃ অভিশাপ্ত আবু জেহেল।
নবী পত্মীগণ
প্রশ্নঃ বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর স্ত্রীগণের সংখ্যা কত?
উত্তরঃ ১১ জন।
প্রশ্নঃ হযরত খাদিজা (রাঃ) এর প্রথম স্বামীর নাম কি?
উত্তরঃ আতিক ইবনে আয়েজ।
প্রশ্নঃ হযরত খাদিজা (রাঃ) কত বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন?
উত্তরঃ ৬৫ বছর বয়সে।
প্রশ্নঃ হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সঙ্গে হযরত জয়নাব বিনতে জাহাশের বিয়ে দিয়েছিলেন কে?
উত্তরঃ স্বয়ং আল্লাহ।
সাহাবায়ে রাসুল (সাঃ)
প্রশ্নঃ ‘সাহাবা’ কাদেরকে বলা হয়?
উত্তরঃ যারা মু’মিন অবস্থায় অন্ততঃপক্ষে একবার হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে দেখেছেন, ইসলামী পরিভাষায় তাদেরকে সাহাবা বলা হয়।
প্রশ্নঃ কোন সাহাবাদেরকে ‘বদরী সাহাবী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়?
উত্তরঃ ইসলামের প্রথম জিহাদ বদরে অংশগ্রহণকারী সাহাবাদের কে ‘বদরী সাহাবী’ হিসেবে চিিহ্নত করা হয়।
প্রশ্নঃ কোন দশজন সাহাবাকে আশারায়ে মুবাশ্শারা বলা হয়?
উত্তরঃ যে দশজন সাহাবা পৃথিবীতে জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছিলেন তাদেরকে আশারায়ে মুবাশ্শারা বলা হয়।
প্রশ্নঃ মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর রওজা মুবারকের দুই পার্শ্বে কোন দু’জন সাহাবার সমাধি অবস্থিত?
উত্তরঃ হযরত আবু বকর (রাদি.) ও হযরত উমর (রাদি.)।
প্রশ্নঃ মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ইন্তেকালের পর প্রথম খলীফা নির্বাচিত হন কে?
উত্তরঃ হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ)।
প্রশ্নঃ ইসলামী জগতের দ্বিতীয় খলীফা কে?
উত্তরঃ হযরত উমর (রাদি.)।
প্রশ্নঃ হযরত আলী (রাদি.) বিরত্বের জন্য কি উপাধি পেয়েছিলেন?
উত্তরঃ আসাদুল্লাহ অর্থাৎ- আল্লাহর বাঘ।
প্রশ্নঃ সাইফুল্লাহ (আল্লাহর তরবারী) উপাধি পেয়েছিলেন কে?
উত্তরঃ হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালিদ (রাদি.)
প্রশ্নঃ কোন দানশীল প্রতিদিন একটি করে গোলাম আযাদ করে দিতেন?
উত্তরঃ হযরত উসমান গনী (রাদি.)।
প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর শাহাদাতের পর ফেরেস্তারা তাঁর গোসল দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ হযরত হানযালা ইবনে আমের (রাদি.)।
প্রশ্নঃ মদিনায় ভুমিকম্প শুরু হলে কোন পুণ্যত্মার লাঠির আঘাতে তা বন্ধ হয়ে যায়?
উত্তরঃ হযরত উমর (রাদি.) এর লাঠির আঘাতে।
প্রশ্নঃ কে সর্বপ্রথম বাইতুলমাল প্রবর্তন করেন?
উত্তরঃ হযরত আবু বকর (রাঃ)।
প্রশ্নঃ হিজরী সন গণনাকারী কে?
উত্তরঃ হযরত উমর (রাদি.)।
প্রশ্নঃ ইসলামের প্রথম মুয়াজ্জিন কে?
উত্তরঃ হযরত বেলাল (রাদি.)।
খোলাফায়ে রাশেদীন
প্রশ্নঃ খোলাফায়ে রাশেদীন কারা?
উত্তরঃ খোলাফায়ে রাশেদীন ৪ জন। যথাঃ-
(১) হযরত আবুবকর (রাদি.)
(২) হযরত উমর (রাদি.)
(৩) হযরত উসমান (রাদি.)
(৪) হযরত আলী (রাদি.)।
প্রশ্নঃ খোলাফায়ে রাশেদীন এর রাজত্বকাল বা খেলাফত কত বছর স্থায়ী ছিল?
উত্তরঃ ৩০ বছর।
Developed by
"আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু" * বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম * "ইসলামের আলোকে আমাদের জগৎ" Site এ সবাইকে স্বাগতম। * "প্রচার কর,যদি একটি মাত্র আয়াতও হয়"। [বুখারী-৩৪৬১] * "কেউ হেদায়েতের দিকে আহ্বান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে,তবে যারা অনুসরন করেছে তাদের সওয়াবের কোন কমতি হবেনা।"(মুসলিম-২৬৭৮) * আমাদের এই Site এ আল কুরআন/সুন্নাহ ভিত্তিক লিখনী দেয়া হবে- ইনশা আল্লাহ।আপনারা আমাদের সাথেই থাকবেন। * "জাযাকাল্লাহু/জাযাকি-আল্লাহু খায়রান”
Saturday, May 25, 2019
বিষয়: নবী-রাসূল
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
Most Recent Post :-
-
ইসলামিক সাধারণ জ্ঞান বিষয়: আল কুরআন ১০০) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনুল কারীমে কতটি সূরা আছে? উত্তরঃ ১১৪টি। ১০১) প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের প্রথম সূর...
-
আবু জাহেলের হত্যার ঘটনা আব্দুর রহমান বিন আউফ বর্ণনা করেছেন “বদরের ময়দানে আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম। একজন তরুণ এসে আমাকে জিজ্ঞেস করলঃ হে চাচা! আবু ...
-
ইসলামিক সাধারণ জ্ঞান বিষয়: সাহাবায়ে কেরাম (রা:) ৪৪২. প্রশ্নঃ সাহাবী কাকে বলে? উত্তরঃ যাঁরা ঈমানের সাথে নবী (সাঃ)এর সাথে সাক্ষাত লাভ করেছেন ...
No comments:
Post a Comment