Showing posts with label নাস্তিকদের জন্য. Show all posts
Showing posts with label নাস্তিকদের জন্য. Show all posts

Sunday, May 26, 2019

⏺️এই পোষ্ট পড়লে নাস্তিকরাও বিশ্বাস করতে বাধ্য হবে যে কোরআন আল্লাহর বাণী।

⏺️এই পোষ্ট পড়লে নাস্তিকরাও বিশ্বাস করতে বাধ্য হবে যে কোরআন আল্লাহর বাণী।

২ মিনিট সময় নিয়ে পুরো পোষ্ট পড়ুন। ইনশাল্লাহ সময় নষ্ট হবেনা। অনেক কিছু জানতে পারবেন।

কোরআন আল্লাহ তাআালার বাণী, কি নেই এই কোরআনে?
ব্যাবসা, শিক্ষা, সমাজ, পরিবার, বিজ্ঞান থেকে শুরু করে মানব জীবনের সকল সমস্যার সমাধান আছে এই পবিত্র আল-কোরআনে।
আর মহান আল্লাহ পাক তার সৃষ্টিকর্তা হবার বহু নিদর্শন দিয়ে রেখেছেন এই আল-কোরআনে।
পবিত্র আল-কোরআনে আছে মাথা ঘুরিয়ে দেবার মতো কিছু গানিতিক Calculation.
আজ আমি আপনাদেরকে এমন কিছু বলব যা আপনাদের ইমান করে মজবুত করবে।

পবিত্র কোরআনে শাস্তি শব্দটি আছে = ১১৭ বার।
আর ক্ষমা শব্দটিও আছে = ২৩৪ বার।
আর ১১৭ কে গুন করলে হয় ২৩৪ বার।
তার মানে বুজা গেলো আমাদের রব শাস্তি থেকে দ্বিগুন ক্ষমা করে থাকেন।
আমাদের রব যে পরম দয়ালু তা প্রমান হয়ে গেলো।

আল্লাহ বললেন/তিনি বললেন শব্দটি আছে = ৩৩২ বার
অপরদিকে তারা বলল কথাটিও আছে == ৩৩২ বার।
দেখুন মহান আল্লাহ যতবার তার খতা বলেছেন ততবার তার উওর এসেছে
সেখানে যদি তারা বলল কথাটি ৩৩২ বারের চেয়ে কম হতো, তাহলে মহান আল্লাহর কথা কোন বার না আসলে তাকে অসম্মান করা হতো।
অপরদিকে যদি তারা বলল কথাটি ৩৩২ বারের চেয়ে বেশী হতো তাহলেও মহান আল্লাহ তা'আলা কে অসম্মান করা হতো।

পৃথিবী বা এইদুনিয়া = ১১৫ বার
মৃত্যুর পরের জিবন ও আখিরাতও = ১১৫ বার
শয়তান শব্দটি এসেছে - ৮৮ বার
ফেরেস্তা শব্দটিও এসেছে - ৮৮ বার
বেহেস্ত শব্দটি আছে - ৭৭ বার
দোযখ শব্দটিও আছে - ৭৭ বার
যাকাত শব্দটি আছে ৩২ বার = মঙ্গল বা বারাকাহ শব্দটিও আছে ৩২ বার।
কেনো মহান আল্লাহ তা'য়ালা এই শব্দগুলো সমান সমান রেখেছেন তা আমার মনে হয় আপনাদের আর ভেঙ্গে বুজাতে হবে না।
দেখুন গীষ্ম বা গরম শব্দটি আছে ৫ বার = শীত বা ঠান্ডা শব্দটিও আছে ৫ বার।।
সচ্ছলতা শব্দটি আছে ২৬ বার = দরিদ্র শব্দটি আছে ১৩ বার, যা সচ্ছলতা শব্দের চেয়ে অর্ধেক।
এরপর আমি যা বলব, তাতে আপনি অবাক না হয়ে পারবেন না।
পবিত্র কেরআনে
নারী বা মহিলা শব্দটি আছে ২৩ বার
অপরদিকে পুরুষ শব্দটিও আছে ২৩ বার
এখানে দুইজনকেই ২৩ - ২৩ বলে সমান দেওয়ায় প্রমান করে মহান আল্লাহর কাছে নারী - পুরুষের সমান গুরুত্ব।
শুধু এখানেই শেষ নয়,
আপনি কি অনুমান করতে পারছেন, এই সংখ্যা দ্বারা আপনার রব আপনাকে কি বুজাতে চাচ্ছেন?
একটু মনে করে দেখুন
মানব দেহে ক্রোমোজমের সংখ্যা ৪৬ টি
যা ২৩ এবং ২৩ যোগ করলে হয়।
বর্তমান বিজ্ঞান বলে প্রত্যেক শিশু আলাদা ৪৬ টি ক্রোমোজম নিয়ে জন্মায় ,
যার ২৩ টি আসে পিতার থেকে, আর ২৩ টি আসে মাতার থেকে।
কি অবাক হচ্ছেন?
অবাক হওয়ার আরো কিছু বাকি আছে ।
পবিত্র কোরআনে স্থল এর উল্লেখ আছে ১৩ বার
অপরদিকে সাগর বা সমুদ্র এর উল্লেখ আছে ৩২ বার।
প্রথমে দেখলে মনে হবে এটা তেমন কোনো অর্থ প্রকাশ করছে না।
তবে আপনি যদি এই দুটি সংখ্যা যোগ করেন তাহলে হবে ৪৫।
আপনি এই যোগফলের হিসাব করলে দারাবে
১৩/৪৫ % == ২৮.৮৮ ভাগ।
এবং ৩২/৪৫ % এর শতকরা দারাবে = ৭১.১১ ভাগ।
কোনো অনুমান করতে পাচ্ছেন?
এই শতকরা হিসাব আসলে কি বুজাচ্ছে?
তাহলে আমি বলছি,
পৃথিবীতে সমস্ত স্থল ভাগের পরিমান ২৮.৮৮ ভাগ
এবং পানির পরিমান ৭১.১১ ভাগ।
যা কিছুদিন আগে বিজ্ঞান আমাদেরকে জানিয়েছে।
কোনো মানুষের পক্ষে কও সম্ভব? এত সুন্দর গানিতিক হিসাব করে ছন্দ মিলিয়ে মিলিয়ে এই ধরনের গ্রন্থ লেখা?
এই রকম আরো অসংখ্য বিষয় আছে যা আপনাকে মানতে বাধ্য করবে যে পবিত্র কোরআন মহান আল্লাহ তা'আলার বানী।
যদি পোষ্ট ভালো লাগে তাহলে অব্যশই শেয়ার করুন।।।


Most Recent Post :-

🌹🌻কেমন_হবে_জান্নাত🌺🌻