Saturday, May 25, 2019

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করলে পঞ্চাশ ওয়াক্ত সলাতের সওয়াব পাওয়া যায় (সহীহ বুখায়, মুসলিম ও তিরমিযীঃ ২১৩)
বাদশা হারুনুর রশিদ ও বাহলুলের শিক্ষনীয় ঘটনা: ।

কোনো একদিন বাহলুল একটা কবরস্থানে বসে
ছিলেন৷ হারুনুর রশিদ তাঁর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন৷ তিনি
তাচ্ছিল্যের শুরে বললেন, হে বাহলুল, হে পাগল,
তোমার জ্ঞান হবে কবে?
তখন বাহলুল ডানা ঝাপটালেন, জমিনে লাথি মারলেন এবং
দৌড়ে গিয়ে লম্বা একটা গাছের মাথায় উঠলেন৷
তারপর সর্বোচ্চ আওয়াজে চিত্কার করে বাদশাকে
হাঁক ছাড়লেন, হে হারুন, হে পাগল, তোমার জ্ঞান
কবে ফিরবে?
তখন হারুনুর রশিদ গাছের কাছে এলেন৷ তাঁর
ঘোড়ার পিঠে বসেই বললেন, 'আমি পাগল নাকি তুমি-
যে কবরস্থানে বসে থাক?' বাহলুল : আমি জ্ঞানী,
পাগল নই৷ বাদশা : কীভাবে তা হতে পারে? বাহলুল :
আমি জানি, ওগুলো ( রাজপ্রাসাদের দিকে ইশারা
করে ) ধ্বংসশীল,
আর এগুলো ( কবরের দিকে ইশারা করে )
চিরস্থায়ী৷
তাই ওগুলোর পূর্বে এগুলোই আমি গড়ছি৷
পক্ষান্তরে আপনি ধ্বংসশীলটা গড়ছেন, আর
চিরস্থায়ীটা বিরান করছেন৷ তাই আপনার নির্মাণ করা
প্রাসাদ থেকে বিরানদেশে যেতে অপছন্দ
করছেন৷
অথচ আপনি নিশ্চিত জানেন এটাই আপনার শেষ ঠিকানা৷
এবার বলুন আমাদের মধ্যে কে পাগল? বাহলুলের
কথায় হারুনুর রশিদের অন্তর কেঁপে উঠল৷ তিনি
কেঁদে ফেললেন৷ তিনি বললেন, 'আল্লাহর কসম
তুমি সত্য বলেছ৷' অতপর হারুনুর রশিদ বললেন,
বাহলুল আমাকে আরো কিছু উপদেশ দাও৷
বাহলুল : আপনার জন্য আল্লাহর কিতাবই যথেষ্ট,
অতএব কোরআন অনুযায়ী চলুন৷ হারুন : তোমার
কোনো কিছুর প্রয়োজন থাকলে বল, আমি পুরা
করে দেই৷ বাহলুল : হাঁ, তিনটা জিনিস দরকার, যদি পুরা
করে দেন আপনার কৃতজ্ঞ থাকব৷
হারুন : বল, সেগুলো কী? বাহলুল : আমার আয়ু
বাড়িয়ে দিন৷ হারুন : পারব না৷
বাহলুল : মৃত্যুর ফেরেশতা থেকে আমাকে রক্ষা
করবেন৷
হারুন : পারব না৷
বাহলুল : আমাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচিয়ে জন্নাতে
ঢুকিয়ে দিবেন৷
হারুন : পারব না৷
বাহলুল : পারবেন না৷ তবে জেনে রাখুন, আপনি
বাদশা নন, মালিকও নন, আপনি একজনের প্রজা ও দাস৷
অতএব আপনার কাছে আমার চাওয়া পাওয়ার কিছুই নাই৷
এটাই সত্য . দুনিয়া কিছুই নয় , দুনিয়া আমাদের
ক্ষনিকের নিবাস ।
আর আখেরাত চিরস্থায়ী নিবাস । কবর আমাদের
পরবর্তী ঘাটি ।
আর আমরা কবরের প্রস্তুতি না নিয়ে দুনিয়ার
দুইদিনের ঘাটি বানাতে সকল সময় ব্যয় করে ফেলছি
। আমরাই তো আসল পাগল , আসল বোকা । আল্লাহ
আমাকে ও সবাইকে বুঝ দান করুক,আমিন।
হযরত সুলাইমান আঃ ও পেঁচার বিস্ময়কর কাহিনী।
__________÷÷÷÷÷÷÷÷÷÷___________ _______________
___________________
একদা হযরত সুলাইমান আঃ এর নিকট একটি পেঁচা আসিয়া
সালাম দিল। সুলাইমান আঃ জবাব
দিলেন। তারপর বল্লেন হে পেঁচা, তুমি শস্যদানা
কেন
খাওনা ?
পেঁচা উত্তর করিল, ইহার কারন এই শস্য দানার কারনেই
হযরত আদম আঃ বেহেশত থেকে
বিতাড়িত হয়েছিলেন তাই। আবার জিজ্ঞাসা করিলেন
তুমি পানি খাওনা কেন?
উত্তরে বলিল, কওমে নুহু পানিতে ডুবিয়া মারা গিয়াছিল
বলিয়া। প্রশ্নঃ তুমি জনবসতিতে না থাকিয়া বিরান ভুমিতে
থাক কেন? উত্তরঃ বিরান ভুমিতে থাকিয়া আমি বলিতে
থাকি
আজ কোথাই তাহারা যাহারা এই ভুমিতে একদিন
জুলুমের রাজ্যত্ব কায়েম করেছিল। প্রশ্নঃ তুমি যখন
জনবসতির উপর দিয়া উড়িয়া যাও তখন কি বলিতে থাক?
উত্তরঃ তখন আমি বলিতে থাকি বনি আদমের জন্য
ধ্বংস, কিভাবে তাহাদের ঘুম আসে অথচ সামনে
তাদের মৃত্যু অপেক্ষা করছে।কি ভাবে তারা
জুলুমবাজি করে, অথচ কিয়ামতে তাদের হিসাব দিতে
হবে। প্রশ্নঃ তুমি দিনের বেলা বাহির হওনা কেন?
উত্তরঃ দিনের বেলা মানুষ একে অন্যের উপর
জুলুম
অত্যাচার করে,তাই তাদের উপর ঘৃনায় আমি বার হইনা।
প্রশ্নঃ তুমি দিনের চেঁচিয়ে ডাকাডাকি কর তাহাতে
কি বলিয়া থাক?
উত্তরঃ আমি বলিতে থাকি হে অলস লোকেরা সাব-
ধান হইয়া যাও। পথের সম্বল তৈরি কর অনেক দুরের
পথ পাড়িদিতে হবে।অতএব পরকালীন
সফরের জন্য প্রস্তুত হইয়া যাও। সেখানে কাওকে
সাহায্যকারী রুপে পাবে না। হযরত সুলাইমান আঃ
আল্লাহর প্রশংসা করে বল্লেন, যে পাখিদের
মধ্যে পেঁচার চাইয়ে কল্যানকর
ও সহমর্মী প্রানী আর নাই। কিন্তু জাহেল
লোকদের
অন্তরে পেঁচার চাইতে নিকৃষ্টতম প্রানি আর নাই।
আসলে তাহাদের অন্তরই নিকৃষ্ট। আল্লাহ্ আমাদের
হেদায়য়াত নসীব করুক।
আমিন।
সুত্রঃ হাওয়াতুল হাইওয়ান। _________________________
এই ইসলামিক পেজটি আপনাকে ইসলামের পথে
দৃঢ়ভাবে
চলতে অনেক উৎসাহ যোগাবে ইনশাআল্লাহ_____
__
শয়তানের_পাঁচটি_ফাঁদ
১, তুমি এখন যুবক, মজা করো,
২, জীবন উপভোগ করতে থাকো, জীবন
অনেক দীর্ঘ পরে তাওবা করে নেওয়া যাবে, ৩,
রাগের সময় শান্ত থেকো না, ধৈর্য হচ্ছে
কাপুরুষদের জন্য,
৪, সবাই এটা করছে অতএব চরমপন্থী হয়ো না,
জীবন উপভোগ করো,
৫, আরে তোমার তো অনেক গুনাহ, আল্লাহ
তোমাকে ক্ষমা করবে না অতএব শুধু শুধু গুনাহ
থেকে বেঁচে থেকে লাভ কি? আল্লাহ
আমাদের এই সব ফেতনা থেকে বাচার তৌফিক দিন,
--আমিন,
আলহামদুলিল্লাহ্, ছুম্মা-আলহামদুলিল্লাহ্।
আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে রাসুল (সাঃ)এর বাণী
সমুহের মিল খুজে পেল বিজ্ঞানীরা!
.
সাড়ে ১৪০০ বছর আগে রাসুল(সা:) এর বাণী আজ
আধুনিক বিজ্ঞানিরা ক্ষণে ক্ষণে প্রমাণ পাচ্ছে!
হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন: "পুরুষের প্যান্ট/
কাপড় টাখনুর উপর পরতে অন্যথায় তা জাহান্নামে
যাবে। ( বুখারি শরীফঃ৫৩৭১)
বিজ্ঞান বলছেন, পুরুষের টাখনুর ভিতর প্রচুর
পরিমানে সেক্সুয়াল হরমোন থাকে এবং তার
আলো বাতাসের প্রয়োজন হয়। তাই কেউ যদি তা
খোলা না রেখে ঢেকে রাখে তাহলে তার
যৌনশক্তি কমে যাবে এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত
হবে।
মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন্,, "ভ্রু প্লাগকারীর উপর
আল্লাহর লানত (বুখারী শরীফঃ৫৫১৫)
বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভ্রু হল চোখের হিফাজতের
জন্য।
ভ্রুতে এমন কিছু লোম থাকে, যদি তা কাটা পড়ে যায়,
তাহলে ভ্রুপ্লাগকারী পাগল অথবা মৃত্যুবরন করতে
পারে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন্,, "নেশা জাতীয় দ্রব্য
খাওয়া হারাম (বুখারী শরীফঃ ৬১২৪)
বিজ্ঞানীরা বলছেন, ধুমপানের কারনে ফুস্ফুসের
ক্যান্সার, ব্রংকাইটিস ও হৃদরোগ হয়ে মানুষ মারা যায়।
ধুম্পান করলে ঠোট, দাতের মাড়ি, আঙ্গুল কালো
হয়ে যায়। যৌনশক্তি ও ক্ষুধা কমে যায়,
এমনকি স্মৃতি শক্তি ও কমে যায়।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন্,, পুরুষের জন্য স্বর্ণ
ব্যবহার হারাম। (মুসলিম শরীফঃ১৬৫৫)
বিজ্ঞানীরা বলছেন, স্বর্ণ যেহেতু যৌগিক পদার্থ,
তাই তা স্ক্রীনের সাথে মিশে ব্লাডের মাধ্যমে
ব্রেনে
চলে যায়। আর তার পরিমান যদি ২.৩ হয় তাহলে মানুষ
তার আগের স্মৃতি সব হারিয়ে ফেলবে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন্,, ঘুমানোর সময় আলো
নিভিয়ে এবং ডান কাত হয়ে ঘুমাতে। -( বুখারি
শরীফঃ৩২৮০)
বিজ্ঞানীরা বলছেন, ডান কাত হয়ে ঘুমালে হার্ট
ভালো করে পামপ করে, আর লাইট না নিভিয়ে
ঘুমালে
ব্রেনের এনাটমি রস শরীরে প্রবেশ করতে
পারে না, যার ফলে ক্যান্সার হওয়ার খুব সম্ভবনা
থাকে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন্,,"তোমরা গোফ ছেটে
ফেল এবং দাড়ি রাখ। (মুসলিমঃ৪৯৩,৪৯৪)
বিজ্ঞানীরা বলছেন,
দাড়ি না রাখলে স্ক্রিন ক্যান্সার, ফুস্ফুসের
ইনফেকশন এবং ৪০ এর আগে যৌবন হারানোর
সম্ভবনা থাকে।
আল্লাহ(সুবনাহু তায়ালা) বলেন্, "আর ব্যভিচারের
কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং
ধ্বংসের পথ। ( বনি-ইসরাঈলঃ ৩২) এবং নেশাগ্রস্থ
শয়তানের কাজ।( মাইদাহঃ৯০)
বিজ্ঞানীরা বলছেন, পর্নগ্রাফি, অশ্লিল সম্পর্ক সহ
বিভিন্ন মাদকদ্রব্য নেশা। যদি কেউ এসব নেশজাত
দ্রব্যে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে ব্রেনের
ফরেন্টাল এরিয়ার আমাদের পরিচালনা করার
ইনটেলুক্টুয়াল সেলগুলো থরথর করে কাপতে
থাকে এবং অস্থির হয়ে যায়। যার ফলে সে
নেশাগ্রস্থ হয়ে মাতাল-অসুস্থের মত জীবন
পরিচালনা করে এবং তা তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে
দেয়।
মহান আল্লাহ বলেন,আর যখন কোরআন পাঠ করা
হয়, তখন তাতে কান লাগিয়ে রাখ এবং নিশ্চুপ থাক
যাতে তোমাদের উপর রহমত হয়। (আরাফঃ২০৪)
বিজ্ঞান বলে_____________কুরআনের সাউন্ড
ওয়েব শরিরের সেলগুলোকে সক্রিয় করে,
অসুস্থতা আরোগ্য করে। বিশেষ করে হার্ট এবং
ক্যান্সার রোগিদের। আর।ব্রেনকে এমনভাবে
চার্জ করে, যেমনভাবে ফিউজ হওয়া ব্যাটারিকে সচল
করে।
শিক্ষণীয়_ঘটনা ।★।
একদিন এক লোক হযরত
হুসাইন (রা.) এর কাছে আসল।
সে বলল,"আমি কিছুতেই
পাপকাজ ছাড়তে পারছি না। আমকে কিছু
উপদেশ দিন।
হুসাইন (রা.) বললেন,"ঠিক আছে।
আমি তোমাকে পাঁচটা option
দিব। তুমি যদি এই
পাঁচটা option-এর যে কোন
একটা পূরণ
করতে পার,আমি তোমাকে পাপকাজ
করার অনুমতি দেব।
লোকটা খুশিতে ডগমগ
হয়ে বলল,"আচ্ছা,আমাকে বলুন।"
হুসাইন (রা.) বললেনঃ
প্রথম যখনই তুমি একটা
পাপ করতে যাবে,সেটা আল্লাহ
তোমাকে খাদ্য ও পানি দ্বারা যে শক্তি
দিয়েছেন,
সেটা বাদে অন্য
কোন শক্তি দিয়ে করবে।"!
লোকটা বলল,"এটা কীভাবে সম্ভব?
পৃথিবীর সব খাদ্য ও পানিই
তো আল্লাহর দান!"।
হুসাইন (রা.) বললেন,"ঠিক
আছে,দেখ
তো এটা পার কি না!
দ্বিতীয় যখনই একটা পাপ
করতে যাবে,সেটা আল্লাহর
যমীনের বাইরে গিয়ে করবে!"।
লোকটা বলল,"তা তো কোনক্রমেই
সম্ভবনা।
পুরা যমীনের মালিক
তো আল্লাহপাক।"!
হুসাইন (রা.) বললেন,"ঠিক
আছে,দেখ
তো এটা সম্ভব না কি!
তৃতীয় যখনই একটা পাপ
করতে যাবে,সেটা আল্লাহর
দৃষ্টিসীমার
বাইরে গিয়ে করবে,যেন
তিনি তোমাকে না দেখেন!"।
লোকটা বলল,"এটা তো অসম্ভব!
আল্লাহ তো আল-রাকিব
(সর্বদ্রষ্টা)! তার দৃষ্টির
বাইরে কেউ যেতে পারে না!"।
হুসাইন (রা.)
বললেন,"আচ্ছা,তা হলে দেখ
তো,এটা সম্ভব হয় কি না!
চতুর্থ যখন মালাকুল
মাউত তোমার জান কবজ
করতে আসবেন,তাঁকে বলবে,'আমি
এখন যেতে পারব না! আমার কাজ এখনও
বাকি,আপনি পরে আসুন!'!"।
লোকটা বলল,"এটা তো কোন
মানুষের পক্ষেই সম্ভব না!"।
হুসাইন (রা.) বললেন,"আচ্ছা,অধ
ৈর্য
হয়ো না! আরও একটা option
তো বাকিই আছে!
পঞ্চম আচ্ছা,তাহলে তোমাকে যখন
জাহান্নামে ঢোকানো হবে,তখন
তুমি বরং বের হয়ে এস,কেমন?"।
লোকটা বলল,"আর বলবেন
না। আমার শিক্ষা হয়ে গেছে।
আমি আর পাপ করব না!
আল্লাহ আমাদের
সবাইকে হেদায়াত দান
করুন!
সবাইকে সত্যটা বোঝা ও
মানার তাওফীক দিন!
সবাইকে আল্লাহর কাছে একনিষ্ঠভাবে
তাওবা করে তাঁর নির্দেশিত পথে,সরল
পথে ফিরে আসার
তাওফীক দান করুন!
ফেরেস্তাদের মৃত্যু ও
এর পরের বিস্তারিত
বর্ণণা"
<=======★======
=★=======★=======>
পৃথিবীতে কিয়ামত
সংঘটিত হয়ে যাওয়ার
পর আল্লাহ তাআলা
সপ্তআকাশ ভেঙে
দিবেন। সপ্ত আকাশে অবস্হানরত
ফেরেশতারা মৃত্যুর দুয়ারে। সমস্থ
ফেরেশতা মৃত্যুর
পেয়ালা পান করবে।
আরশ বহনকারী
ফেরেশতাগণও বরণ
করবে মৃত্যুর মালা।
অতঃপর নির্দেশ হবে -
:
=> জিবরাইল! মৃত্যু
বরণ কর!
=> মিকাইল! মৃত্যু বরণ
কর!
:
আল্লাহ তাআলার
ইশক ও ভালোবাসা
সুপারিশ করবে - 'হে
আল্লাহ! জিবরাইল ও
মিকাইলকে রক্ষা
করো!' তখন আল্লাহ
তাআলা ঘোষণা করবেন
-
ﺍَﺳْﻜُﺖْ ﻓَﻘَﺪْ ﻛَﺘَﺒْﺖُ ﺍﻟْﻤَﻮْﺕَ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﺗَﺤْﺖُ ﻋَﺮْﺷِﻰْ
"চুপ কর! আমার
আরশের নিচে যারা
আছে সকলের জন্যই
আমি মৃত্যুর ফয়সালা
করে দিয়েছি।"
:
মৃত্যুবরণ করবে
জিবরাইল। মিকাইল ও
শেষ। সিঙা ফুৎকারের ইসরাফিলও ঢলে পড়বে
মৃত্যুর কোলে। সিঙার ফুৎকার হাওয়ায় ভেসে
উড়ে যাবে আরশে।
আরশের উপরে আছেন
আল্লাহ। নিচে কেবল
আজরাইল। তখন
আল্লাহ তাআলা
প্রশ্ব করবেন - 'বলো
আর কে বাকি আছে?'
বলবে, 'উপরে তুমি আর
নিচে তোমার গোলাম।'
নির্দেশ করবেন -
ﺍِﻧَّﻚَ ﻣَﻴّـِﺖٌ
"তুমিও মরে যাও।"
এতদিন পর্যন্ত যে
সকলের রুহ কবজ করে
ফিরতো আজ সে
নিজেই নিজের প্রাণ
কবজ করবে। যদি
মানুষ বেঁচে থাকতো
তাহলে মৃত্যুমুখে আজরাইলের সেই
চিৎকার শুনে হৃদয়
বিদীর্ণ হয়ে সকল
মানুষ মারা যেত।
:
=> আজ কারও জন্য
কাঁদবার মত কেউ নেই।
=> আজ কাউকে দাফন
করার মত কেউ নেই।
=> আজ কাউকে কাফন
পরানোর মত কেউ নেই।
=> আজ কারও জন্য
মাতম করার কেউ নেই।
=> আজ সম্পদ হারিয়ে
যাওয়ার ফলে মামলা
করার মত কেউ নেই।
=> আজ দরবার আছে।
দরবারী কেউ নেই।
=> কুরসী আছে।
কুরসীতে বসার কেউ
নেই।
=> বাদশাহী আছে।
বাদশাহ কেউ নেই।
=> পেয়ালা আছে
পানকারী মত কেউ
নেই।
=> আজ এক আল্লাহ
আছেন। তাঁর কোন
শরীক নেই।
*
আল্লাহ তাআলা যখন
সবাইকে মৃত্যু দিয়ে
দিবেন তখন ঘোষণা
করবেন -
ﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻟِﻰ ﺷَﺮِ ﻳْﻜٌﺎ ﻓَﻠْﻴَﺂﺕِ ...
"আমার কোন শরীক
আছে কি যে আমার
মোকাবিলা করবে?"
তিনি তিনবার এই
ঘোষণা দিবেন। বলবেন,
আমার কোন
প্রতিপক্ষ থাকলে
সামনে এসো। অতঃপর
তিনি আকাশ ও
পৃথিবীকে নত করে
দিয়ে ঘোষণা করবেন -
ﺍَﻧَﺎ ﺍﻟْﻘُﺪُّﺱُ ﺍﻟﺴَّﻠَﺎﻡُ ﺍﻟْﻤُﺆْ ﻣِﻦُ "আমিই কুদ্দুস সালাম
ও মু'মিন।"
পুণরায় ঝাঁকুনি দিয়ে
একই বাণী উচ্চারণ
করবেন। তৃতীয়বার
উচ্চারণ করবেন -
ﺍَﻧﺎَ ﺍﻟْﻤُﻬَﻴْﻤِﻴﻦُ ﺍﻟْﻌَﺰِ ﻳْﺰُ ﺍﻟْﺠَﺒَّﺮُ ﺍﻟْﻤُﺘَﻜَﺒِِّﺮُ
"আমিই মুহাইমিনুল
আজিজুল জব্বারুল মুতাকাব্বির।"
:
তারপর বলবেন -
ﺍَﻳْﻦَ ﺍﻟْﻤُﻠْﻚُ
"আজ রাজারা কোথায়?"
ﺍَﻳْﻦَ ﺍﻟْﺠَﺒَّﺎﺭُﻭْﻥَ "জালেমরা আজ
কোথায়?"
ﺍَﻳْﻦَ ﺍﻟْﻤُﺘَﻜَﺒِِّﺮُﻭْﻥَ "অহঙ্কারীরা আজ
কোথায়?"
# বলবেনঃ
ﻟِﻤَﻦِ ﺍﻟْﻤُﻠْﻚُ ﺍﻟْﻴَﻮْﻡَ "আজ বাদশাহ কে"?
কোন জবাব নেই।
অতঃপর আল্লাহ
নিজেই বলবেন -
َ ﻟِﻠَّﻪِ ﺍﻟْﻮَﺍﺣِﺪِ ﺍﻟْﻘَﻬَّﺎﺭِ "পরাক্রমশালী এক
আল্লাহরই নিরঙ্কুশ রাজত্ব।"
- [ সুরা মু'মিনঃ ১৬ ]
:
যেখানে হিসাব নিবেন
স্বয়ং আল্লাহ।
যেখানে ব্যবস্হা আছে শাস্তি ও পুরষ্কারের।
যেখানে ব্যাবস্হা
আছে চিরস্থায়ী
সম্মান ও চিরস্থায়ী অপমানের।
যেখানে চিরন্তন
সুশ্রী রূপ আছে, আছে
কুশ্রী রূপও।
যেখানকার সফলতা
চিরন্তন, ব্যার্থতাও চিরন্তন।
যেখানকার অপমান
যেমন সীমাহীন
তেমনি সীমাহীন
সম্মানও।
:
আল্লাহ যদি কারও
প্রতি সন্তুষ্ট হন
তাহলে তাকে বেহেশত
দিবেন ।
আর অসন্তুষ্ট হলে
দিবেন জাহান্নাম।
আমাদের এই মরণই
যদি শেষ কথা হতো,
তাহলে আর কোন
চিন্তা ছিলোনা।
নামাজ পড়তাম কিংবা
না পড়তাম।
পর্দা করতাম কিংবা
না করতাম।
সত্য বলতাম কিংবা না
বলতাম।
অন্যায় করতাম কিংবা
কল্যাণ করতাম।
সুদ খেতাম কিংবা না
খেতাম।
মানুষের প্রতি ন্যায়
করতাম কিংবা অন্যায়
করতাম।
* কিন্তু মৃত্যুই শেষ
নয়। কবর, হাশর,
মিযান, পুলসিরাত,
জান্নাত অথবা
জাহান্নাম - এ সব
কিছু রয়েছে আমাদের
সামনে।
আল্লাহ সকলের জন্য
তা সহজ করে দিন।
আমিন।
ফেসবুকে ইসলাম প্রচারের কাজ করবেন যেভাবে, তা হল
বিভিন্ন গ্রুপ এ. জয়েন করে মেম্বার হবেন, তার পর আমার আইডি থেকে পোষ্ট কপি করে সেই সব গ্রুপে এক নাগারে পোষ্ট করে যাবেন।
অনেক গুলা পেজ খুলবেন, সব পেজে একটা করে গ্রুপ থাকবে।
আনেক মানুষ আজ নামাজ না পড়ে জাহান্নামের দিকে যাচ্ছে। কিন্তু আপনি এইভাবে ইসলাম প্রচারের কাজ করলে অনেকে আবার নামাজ পড়া শুরু করবে। আপনার ঈমান শক্ত হবে। আর আপনার অনেক ভাল লাগবে,।
যারা আপনার দেওয়া পোষ্ট গুলা পড়ে নামাজ পড়া শুরু করবে, তারা জীবনে যত নামাজ পড়বে তার মত সোয়াব আপনি ও পাবেন।
আপনার ইসলামি পোষ্ট গুলায় যদি ৫০০ জন পড়ে তাহলে তারা যে সোয়াব পাবে তার সম পরিমান সোয়াব আপনি ও পাবেন। আর সেই ৫০০ জনকে যদি আপনি শিখান কিভাবে ইসলাম প্রচারের কাজ করতে হবে, আর তারা ইসলাম প্রচারের কাজ শুরু করলে যে কেউ ইসলামিক পোষ্ট পড়বে আর নামাজ পড়া শুরু করবে তাদের সোয়াব সব আপনি পাবেন।
এইটা একটা চেইনের মত, আপনি শুরু করলেন ৫০০ জনের কাছে বা আরও বেশি মানুষের কাছে ইসলাম বিনা পয়সায় পৌছে যাবে।
আর তাদের বলবেন বাকিদের কাছে এই ইসলামিক মেসেজ পাঠাই দিতে।
৫০০ জনের প্রতেকে যদি আরও ৫০০ জন কে আপনার দেওয়া ইসলামিক পোষ্ট গুলা পড়ে তাহলে, মোট ২৫০০০০ জন মানুষ ইসলামিক পোষ্ট পড়ে যদি সোয়াব আর্জন করবেন। আর এদের মধ্যে যারা নামাজ পড়া শুরু করবে তার সম পরিমান আপনি পাবেন। এমনকি মৃত্যুর পর কবরে গিয়ে ও পাবেন।
মহিলাদের পর্দা করা ফরজ,
ফুল কালো বোরখা পড়তে হবে,
মুখ ও ঢাকতে হবে, আপনার শরীরের কোন অঙ্গ দেখা এমনকি আপনার কন্ঠ বা আওয়াজ দ্বারা যদি কোন পুরুষ আকৃষ্ট হয় তবে আপনার আর সেই পুরুষের আমল নামায় জিনা করার গুনাহ্ লিখা হবে,,,,,,,,,,।
ফরজ গোসল করার সময় খেয়াল রাখতে হবে, গোসলের পানি যেন শরীরের প্রত্যেক অঙ্গে পৌছায়, শরীরের কোন জায়গা শুকন থাকলে ফরজ গোসল আদায় হবেনা। তার পর নাকের মধ্যে গভীরে ভাল করে পানি পৌছাতে হবে,তারপর মুখের ভিতর সহ গলার ভিতর পুরোপুরিভাবে পানি দ্বারা ভাল গর -গর করে কুলি করে গলা পর্যন্ত পানি পৌছায় সম্পূর্ণরূপে ভিজাতে হবে। আর ফরজ গোসল শাওয়ার এর নিচে করলে উওম কারণ বালতি দিয়ে গোসল করলে খেয়াল রাখতে হবে যে শরীর থেকে কোন এক ফোটা গড়ায় পড়ে সেই বালতির পানিতে পড়লেই পুড়া বালতির পানি নাপাক হয়ে যাবে।
ফলে সেই বালতির পানি দিয়ে গোসল করা যাবে না। গোসল করলে ও ফরজ গোসল অাদাই হবে না, ফলে নামাজ আর অন্য কোন ইবাদাত কিছুই হবে না,,,

No comments:

Post a Comment

Most Recent Post :-

🌹🌻কেমন_হবে_জান্নাত🌺🌻