Showing posts with label ইসলামিক প্রশ্ন ও উত্তর. Show all posts
Showing posts with label ইসলামিক প্রশ্ন ও উত্তর. Show all posts

Saturday, May 25, 2019

বিষয়: দুয়া ও যিকির

প্রশ্নঃ নিদ্রা যাওয়ার সময় কোন দুআ পাঠ করতে হবে?
উত্তরঃ নিদ্রা যাওয়ার সময় দুআঃ
আরবীঃ
بِاسْمِكَ اللهُمَّ أَمُوتُ وَأَحْيَا
উচ্চারণঃ বিসমিকা আল্লাহুম্মা আমূতু ওয়া আহইয়া।
অর্থঃ হে আল্লাহ! তোমার নামে মৃত্যু বরণ করছি, তোমার নামেই জীবিত হব।
প্রশ্নঃ নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়ে কোন দুআ পাঠ করতে হবে?
উত্তরঃ নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়ে দুআঃ
আরবীঃ
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ
উচ্চারণঃ আল হামদু লিল্লাহিল্লাযী আহইয়ানা বাদা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন্নুশূর।
অর্থঃ সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর যিনি আমাদেরকে মৃত্যুর পর জীবিত করেছেন। আর তার কাছেই আমাদেরকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।
প্রশ্নঃ আযানের শেষে পঠিতব্য দুআটি কি?
উত্তরঃ আযানের শেষে পঠিতব্য দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা রাব্বা হাজিহিদ্‌ দওয়াতিত্‌ তাম্মাহ ওয়াস্‌ সালাওয়াতিল কায়িমাহ আতি মুহাম্মাদানিল ওয়াসিলাতি ওয়াল ফযীলাহ ওয়াবআছহু মাকামাম্মাহমূদানিল্লাজি ওয়াআদতাহ।
অর্থঃ হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহবান এবং এই প্রতিতি নামাযের তুমিই প্রভূ। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে দান কর সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থান এবং সুমহান মর্যাদা। তাঁকে প্রতিষ্ঠিত কর প্রশংসিত স্থানে যার অঙ্গিকার তুমি তাঁকে দিয়েছো।
প্রশ্নঃ ওযুর শুরুতে কি পাঠ করতে হবে?
উত্তরঃ ওযুর শুরুতে পাঠ করতে হয়ঃ
আরবীঃ
بسم الله
উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহ। (ছাড়া অন্য কোন দুআ পড়া বিদআত।)
প্রশ্নঃ ওযুর শেষে কোন দুআ পাঠ করলে বেহেস্তের আটটি দরজাই খুলে দেয়া হবে?
উত্তরঃ ওযুর শেষে এই দুআ পাঠ করলে বেহেস্তের আটটি দরজাই খুলে দেয়া হয়ঃ
আরবীঃ
أشْهَدُ أنْ لإَاِلَهَ إلاَّاللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أنَّ مُحَمَّدًاعَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ
উচ্চারণঃ আশহাদুআল্লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লাশারীকালাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।
প্রশ্নঃ মসজিদে প্রবেশের দুআ কি?
উত্তরঃ মসজিদে প্রবেশের দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মাফতাহলী আবওয়াবা রাহমাতিকা।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাসমূহ উম্মুক্ত করে দাও।
প্রশ্নঃ মসজিদ থেকে বের হওয়ার দুআ কি?
উত্তরঃ মসজিদ থেকে বের হওয়ার দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাযলিকা।
অর্থঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার অনুগ্রহ প্রর্থনা করছি।
প্রশ্নঃ টয়লেটে প্রবেশের দুআ কি?
উত্তরঃ টয়লেটে প্রবেশের দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ
উচ্চারণঃ আল্লাহম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল খুবুছি ওয়াল খাবায়িছ।
অর্থঃ হে আল্লাহ! তোমার নিকট আশ্রয় কামনা করি- যাবতীয় দুষ্ট জিন ও জিন্নী থেকে।
প্রশ্নঃ টয়লেট থেকে বের হওয়ার দুআ কি?
উত্তরঃ টয়লেট থেকে বের হওয়ার দুআঃ
আরবীঃ
غُفْرَانَكَ
উচ্চারণঃ গুফরানাকা
অর্থঃ তোমার ক্ষমা চাই হে প্রভু!
প্রশ্নঃ রাগম্বিত হলে রাগ দূর করার দুআ কি?
উত্তরঃ রাগম্বিত হলে রাগ দূর করার দুআঃ
আরবীঃ
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
উচ্চারণঃ আউযু বিল্লাহি মিনাশ্‌ শায়তানির রাযীম।
প্রশ্নঃ লাইলাতুল ক্বদরের দুআ কি?
উত্তরঃ লাইলাতুল ক্বদরের দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুওয়ুন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নী।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল। ক্ষমা করাকে আপনি পছন্দ করেন। তাই আমাকে ক্ষমা করুন।
প্রশ্নঃ কেউ কোন উপকার করলে তার জন্য কি দুআ করতে হয়?
উত্তরঃ কেউ কোন উপকার করলে তার জন্য দুআঃ
আরবীঃ
جَزَاكَ اللَّهُ خَيْراً
উচ্চারণঃ যাজাকাল্লাহু খাইরান।
প্রশ্নঃ রোগী দেখার সময় পাঠ করার দুআ কি?
উত্তরঃ রোগী দেখার সময় পাঠ করার দুআঃ
আরবীঃ
لَا بَأْسَ طَهُورٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ
উচ্চারণঃ লা বাস তাহূর ইনশাআল্লাহ।
অর্থঃ আপনার কোন অসুবিধা না হোক! আল্লাহ চাহে তো আপনি অতি সত্বর সুস্থ হয়ে উঠবেন।
প্রশ্নঃ পানাহারের শুরুতে কি দুআ বলতে হয়?
উত্তরঃ পানাহারের শুরুতে দুআঃ
আরবীঃ
بسم الله
উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহ
প্রশ্নঃ পানাহারের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলতে ভুলে গেলে কি করবে?
উত্তরঃ পানাহারের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলতে ভুলে গেলে তার দুআঃ
আরবীঃ
بِسْمِ اللَّهِ فِي أَوَّلِهِ وَآخِرِهِ
উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি ফী আওয়ালিহি ওয়া আখিরিহি।
প্রশ্নঃ পানাহার শেষ করে পাঠ করার দুআ কি?
উত্তরঃ পানাহার শেষ করে পাঠ করার দুআঃ
আরবীঃ
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنِي هَذَا وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلاقُوَّةٍ
উচ্চারণঃ আলহামদু লিল্লাহিল্লাযী আত্বআমানী হাযা ওয়া রাযাকানীহে মিন গাইরি হাওলিন মিন্নী ওয়ালা কুওয়াতিন।
অর্থঃ সকল প্রশংসা সেই আল্লাহর যিনি আমাকে ইহা খাইয়েছেন ও রিযিক হিসেবে দান করেছেন। যাতে আমার শক্তি ও সামর্থ কিছুই ছিল না।
প্রশ্নঃ কেউ যদি খানাপিনা করায়, তবে তাকে উদ্দেশ্য করে কি দুআ বলবে?
উত্তরঃ কেউ যদি খানাপিনা করায়, তবে তাকে উদ্দেশ্য করে দুআঃ
আরবীঃ
اللَّهُمَّ أَطْعِمْ مَنْ أَطْعَمَنِي وَأَسْقِ مَنْ أَسْقَانِي
উচ্চারণঃ (আল্লাহুম্মা আত্‌য়েম্‌ মান্‌ আত্‌আমানী ওয়াস্‌ কে মান আসক্বানী)
অর্থঃ হে আল্লাহ আমাকে যে খাইয়েছে তাকে তুমি খাদ্য দান কর, যে আমাকে পান করিয়েছে তাকে তুমি পান করাও।
প্রশ্নঃ পিতা-মাতার জন্য কি দুআ পড়তে হয়?
উত্তরঃ পিতা-মাতার জন্য দুআঃ
আরবীঃ
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
উচ্চারণঃ রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানী সাগীরা।
অর্থঃ হে আমার প্রতিপালক! আমার পিতা-মাতার উভয়ের উপর অনুগ্রহ করুন, যেমনভাবে তারা আমাকে ছোটকালে লালন-পালন করেছিল।
প্রশ্নঃ জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য দুআ কি?
উত্তরঃ জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য দুআঃ
আরবীঃ
رَبِّ زِدْنِيْ عِلْماً
উচ্চারণঃ রাব্বি যিদনী ইলমা।
অর্থঃ হে আমার পালনকর্তা! আমার জ্ঞান বাড়িয়ে দাও।
প্রশ্নঃ দুনিয়া-আখেরাতের কল্যাণ কামনার দুআ কি?
উত্তরঃ দুনিয়া-আখেরাতের কল্যাণ কামনার দুআঃ
আরবীঃ
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারণঃ রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতান ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতান ওয়া ক্বিনা আযাবান্নার।
অর্থঃ হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দান কর। আখেরাতেও কল্যাণ দান কর এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর।
প্রশ্নঃ আদম ও হাওয়া (আঃ) জান্নাত থেকে বের হওয়ার পর কোন্‌ দুআটি পাঠ করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন?
উত্তরঃ আদম ও হাওয়া (আঃ) জান্নাত থেকে বের হওয়ার পর এই দুআটি পাঠ করেনঃ
আরবীঃ
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِنْ لَمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنْ الْخَاسِرِينَ
উচ্চারণঃ রাব্বানা যালামনা আনফুসানা ওয়া ইন্‌ লাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা লানাকূনান্না মিনাল খাসেরীন।
অর্থঃ হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা নিজেদের উপর যুলুম করেছি। তুমি যদি আমাদেরকে ক্ষমা না কর, আমাদের প্রতি দয়া না কর, তবে আমরা ক্ষতিগ্রস্থদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাব।(সূরা আরাফঃ ২৩)
প্রশ্নঃ বিপদ-মুছীবতে পড়লে কোন দুআ পাঠ করবে?
উত্তরঃ বিপদ-মুছীবতে পড়লে এই দুআঃ
আরবীঃ
لا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنْ الظَّالِمِينَ
উচ্চারণঃ লা-ইলাহা ইল্লা আন্‌তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্‌যালেমীন।
প্রশ্নঃ ঘর থেকে বের হওয়ার সময় কি দুআ পড়তে হয়?
উত্তরঃ ঘর থেকে বের হওয়ার সময় দুআঃ
আরবীঃ
بِسْمِ اللَّهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহি লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহি।
প্রশ্নঃ সোওয়ারীতে আরোহন করার দুআ কি?
উত্তরঃ সোওয়ারীতে আরোহন করার দুআঃ
আরবীঃ
سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُونَ
উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাযী সাখ্‌খারা লানা হাযা ওয়ামা কুন্না লাহু মুক্বরেনীন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনক্বালিবূন।
প্রশ্নঃ গৃহে প্রবেশ করার দুআ কি?
উত্তরঃ গৃহে প্রবেশ করার দুআঃ
আরবীঃ
بِسْمِ اللَّهِ وَلَجْنَا وَبِسْمِ اللَّهِ خَرَجْنَا وَعَلَى اللَّهِ رَبِّنَا تَوَكَّلْنَا
উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি ওয়ালাজনা, ওয়া বিসমিল্লাহি খারাজনা ওয়া আলা রাব্বিনা তাওয়াক্কালনা।
প্রশ্নঃ ইউনূস (আঃ) মাছের পেটে থাকাকালিন কোন দুআ পড়েছিলেন?
উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
لا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنْ الظَّالِمِينَ
উচ্চারণঃ লাইলাহা ইল্লা আন্‌তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্‌যালেমীন।
প্রশ্নঃ জান্নাতের একটি গুপ্তধন কি?
উত্তরঃ জান্নাতের একটি গুপ্তধন হলোঃ
আরবীঃ
لا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
উচ্চারণঃ লাহাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
প্রশ্নঃ দুটি কালেমা- মুখে উচ্চারণ করতে খুবই সহজ, পাল্লায় অনেক ভারী এবং আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়। উহা কি?
উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ
উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযীম।
প্রশ্নঃ নতুন কাপড় পরিধান করার দুআ কি?
উত্তরঃ নতুন কাপড় পরিধান করার দুআঃ
আরবীঃ
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَسَانِي هَذَا الثَّوْبَ وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلا قُوَّةٍ.
উচ্চারণঃ আল্‌ হামদুলিল্লাহিল্লাযী কাসানী হাযাছ্‌ ছওবা ওয়া রাযাক্বানীহে মিন গায়রে হাওলীন্‌ মিন্নী ওয়ালা কুওয়াতিন্‌।
অর্থঃ সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি আমাকে এই পোষাক পরিয়েছেন এবং জীবিকা হিসেবে দান করেছেন, যাতে আমার শক্তি ও সামর্থ কিছুই ছিল না।
প্রশ্নঃ একটি দুআ আছে কোন মানুষ যদি উহা দিনে একশত বার পাঠ করে, তাকে দশজন ক্রীতদাস মুক্ত করার ছওয়াব দেয়া হবে, তার জন্য একশতটি নেকী লেখা হবে, একশতটি গুনাহ ক্ষমা করা হবে, সন্ধ্যা পর্যন্ত সারাদিন উহা তার জন্য রক্ষা কবচ হবে এবং তার চাইতে উত্তম আমল কেউ আর নিয়ে আসতে পারবে না- তবে ঐ ব্যক্তির কথা ভিন্ন যে এর চাইতে বেশী আমল করবে। সে দুআটি কি?
উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণঃ লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা কুল্লী শাইয়্যিন ক্বাদীর।
প্রশ্নঃ কোন্‌ তাসবীহটি দৈনিক একশতবার পড়লে- পাপ সমূহ সমুদ্রের ফেনারাশী পরিমাণ হলেও ক্ষমা করা হবে?
উত্তরঃ তাসবীহটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
سبحان الله وبحمده
উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহি।
প্রশ্নঃ সকাল-সন্ধ্যায় পঠিতব্য অনেক দুআ আছে তম্মধ্যে একটি উল্লেখ কর?
উত্তরঃ তাসবীহটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
اللهُمَّ بِكَ أصْبَحْناَ وبِكَ أمسَيْناَ وبِكَ نَحْياَ وَبِكَ نَمُوْتُ وَإلَيْكَ النُّشُوْرُ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা বিকা আস্‌বাহনা ওয়া বিকা আমসায়না ওয়া বিকা নাহইয়া ওয়া বিকা নামূতু ওয়া ইলাইকান্‌ নুশূর।
অর্থঃ হে আল্লাহ তোমার অনুগ্রহে সকাল করেছি এবং তোমার অনুগ্রহে সন্ধ্যা করেছি, তোমার করুণায় জীবন লাভ করি এবং তোমার ইচ্ছায় আমরা মৃত্যু বরণ করব, আর কিয়ামত দিবসে তোমার কাছেই পূণরুত্থিত হতে হবে।
প্রশ্নঃ নব বিবাহিত বরের উদ্দেশ্যে কি দুআ বলবে?
উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
بَارَكَ اللَّهُ لَكَ وَبَارَكَ عَلَيْكَ وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ
উচ্চারণঃ (বারাকাল্লাহু লাকা ওয়া বারাকা ওলাইকা ওয়া জামাআ বাইনাকুমা ফী খাইরিন্‌।)
প্রশ্নঃ কোন দুআটি একবার পাঠ করলে আল্লাহ দশবার রহমত নাযিল করবেন?
উত্তরঃ দরূদ শরীফ।
আরবীঃ
"اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، وَ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ"
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়ালা আলি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা আলা ইব্‌রাহীমা ওয়ালা আলি ইব্‌রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ, ওয়া বারিক আলা মুহাম্মাদিওঁ ওয়ালা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাক্‌তা আলা ইব্‌রাহীমা ওয়ালা আলি ইব্‌রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ"।
অর্থঃ " হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মদ ও তার বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, যেরূপভাবে আপনি ইব্‌রাহীম আলাইহিস সালাম ও তার বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করেছিলেন। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত সম্মানিত।"
আপনি মুহাম্মাদ ও তার বংশধরদের উপর বরকত বর্ষণ করুন, যেরূপভাবে আপনি ইব্‌রাহীম ও তার বংশধরদের উপর বরকত বর্ষণ করেছিলেন। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত, সম্মানিত"।
প্রশ্নঃ বিপদ-মুসীবতে পড়লে কোন দুআ পাঠ করবে?
উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
إناَّ للهِ وإناَّ إلَيْهِ راَجِعُوْنَ، اللهمَّ أجُرْنِيْ فِيْ مُصِيبَتِيْ واَخْلُفْ لِيْ خَيْراً مِنْهاَ
উচ্চারণঃ (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেঊন, আল্লাহুম্মাজুরনী ফী মুছীবাতী ওয়াখ্‌লুফলী খায়রান্‌ মিনহা)
অর্থঃআমরা আল্লাহরজন্য এবংআমরা আল্লাহর কাছেই প্রত্যাবর্তন করব।হেআল্লাহ আমার বিপদে আমাকে প্রতিদান দাও এবং আমাকে এর বিপরীতে উত্তম বিষয় দান কর।
প্রশ্নঃ হজ্জের মাঠে (আরাফাতের দিবসের) শ্রেষ্ঠ দুআ কি?
উত্তরঃ দোয়াটি নিচে দেওয়া হলোঃ
আরবীঃ
لاَ إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণঃ লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা কুল্লী শাইয়্যিন ক্বাদীর।
প্রশ্নঃ শরীরের কোন স্থানে জখম বা ফোঁড়া হলে কি দুআ পড়বে?
উত্তরঃ তর্জনী আঙ্গুলে থুথু লাগাবে তারপর তা দ্বারা মাটি স্পর্শ করবে এবং সেই মাটি জখম বা ফোঁড়ার স্থানে লাগাবে ও সে সময় এই দুআ পাঠ করবে:
আরবীঃ
بِسْمِ الله، تُرْبَةُ أرْضِناَ بِرِيْقَةِ بَعْضِناَ، يُشْفَى سَقِيْمُناَ بإذْنِ رَبِّناَ
উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহ, তুরবানতু আরযেনা বেরীক্বাতে বা’যেনা ইউশ্‌ফা সাক্বীমুনা বিইযনে রাব্বিনা
অর্থঃ আল্লাহর নামে, আমাদের যমীনের কিছু মাটি, আমাদের একজনের থুথুর দ্বারা আমাদের রবের অনুমতিতে আমাদের রুগীর আরোগ্য হবে।
প্রশ্নঃ বিষধর প্রাণী বা সাপে কাটলে কোন দুআ পড়ে পড়ে রুগীকে ঝাড়-ফুঁক করবে?
উত্তরঃ সূরা ফাতিহা

বিষয়: ইসলাম ধর্মের কালানুক্রমিক ইতিহাস

সালঘটনা
৫৭০মহানবী সা. এর জন্ম।
৬১০মহানবী সা. এর নুবওয়াত লাভ।
৬২২মুসলমানদের মদীনায় হিজরত।
৬২৪বদরের যুদ্ধে মুসলমানদের বিজয়।
৬২৮হুদাইবিয়ার সন্ধি।
৬৩০মক্কা বিজয় ও আরব ভুখণ্ডে মুসলমানগণ এক শক্তিতে পরিণত।
৬৩২বিদায় হজ্জ ও মুহাম্মদ সা. এর মৃত্যু, আবু বকর রা. এর খিলাফত লাভ।
৬৩৫বিভিন্ন যুদ্ধের মাধ্যমে পারস্য বিজয়।
৬৩৭মুসলমানদের জেরুজালেম অধিকার।
৬৪৪হযরত উসমান রা. এর খেলাফত লাভ।
৬৪১প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কুরআন সংকলন।
৬৫৬হযরত আলী রা. এর খেলাফত লাভ।
৬৬১খেলাফতে রাশেদীন এর সমাপ্তি।
৬৮০কারবালার যুদ্ধ ও ইমাম হোসাইন রা. এর শাহাদত বরণ।
৭১০সমরখন্দ বিজয়।
৭৫০আব্বাসিয়া বংশ প্রতিষ্ঠান।
৭৮৬খলিফা হারুন অর রাশিদের সিংহাসনে আরোহন।
১১৮৯৩য় ক্রুসেড যুদ্ধে সালাহউদ্দিন আইয়ূবী রহ. কর্তৃক জেরুজালেম পুনঃদখল।
১১৯২তরাইনের ২য় যুদ্ধে মুহাম্মদ ঘোরীয় বিজয়ে ভারতে মুসলিম সম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা।
১৯৪৪৫৫টি মুসলিম রাষ্ট্রের স্বাধীনতা অর্জন।
১৯৬৭৩য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।

বিষয়: ইসলামিক জ্ঞান

 
ইসলামিক
সাধারণ
জ্ঞান
বিষয়: ইসলামিক জ্ঞান
প্রশ্নঃ কোন সাহাবী হাত দিয়ে আগুনকে পাহাড়ের গর্তে ঢুকাইয়া দিয়েছেন?

উত্তরঃ হযরত তামী বেদারী (রাঃ)

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তি দোয়া আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না?

উত্তরঃ যার স্ত্রী বেপর্দায় চলে।

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তি মুনকির নকির ফেরেশ্তাকে কবরে ধরে রেখেছিলেন?

উত্তরঃ হযরত বড় পীর আব্দুল কাদের জীলানী (রহঃ) ।

প্রশ্নঃ কোন নারী যুবতী হয়ে দুনিয়াতে আসিয়াছেন? এবং কোন নারী পিতা-মাতা ছাড়া দুনিয়াতে আসিয়াছেন?

উত্তরঃ মা হাওয়া (আঃ) ।

প্রশ্নঃ কোন বাদশা চিঠি দিয়ে নদীর জোয়ার আনতেন?

উত্তরঃ হযরত ওমর (রাঃ)

প্রশ্নঃ হালাল কাজের মধ্যে সর্ব নিকৃষ্ট কাজ কি কি?

উত্তরঃ স্ত্রী তালাক দেওয়া ও ভিক্ষা করা।

প্রশ্নঃ জান্নাতের রাস্তা কিসের উপর দিয়ে?

উত্তরঃ জাহান্নামের উপর দিয়ে।

প্রশ্নঃ কোন তিনটিও লোক জান্নাতে যাবে না?

উত্তরঃ জুলুমকারী, জুলুমে সাহায্যকারী ও জুলুম সহ্যকারী।

প্রশ্নঃ কোন দিকে ইচ্ছাকৃত তাকাইলে ৭০ হাজার বছর জাহান্নামের আগুনে জ্বলতে হবে?

উত্তরঃ বেগানা স্ত্রী লোকের দিকে তাকালে।

প্রশ্নঃ সবচেয়ে নিকৃষ্ট চোর কে?

উত্তরঃ নামাজের মধ্যে যে চুরি করে।

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তির তওবা আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না?

উত্তরঃ গীবত কারীর।

প্রশ্নঃ আল্লাহ তাআলা বান্দার কোন পাপটি ক্ষমা করিবে না?

উত্তরঃ অহংকার জনিত পাপ।

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তির সাথে খানা খেলে ৭০ বছরের ইবাদত নষ্ট হইয়া যায়?

উত্তরঃ বেনামাজীর সাথে।

প্রশ্নঃ কোন কারণে ২ লক্ষ ৮৮ হাজার বছর জাহান্নামে থাকিতে হবে?

উত্তরঃ বিনা ওজরে এক ওয়াক্ত নামাজ কাজা করিলে ।

প্রশ্নঃ কোন নারী মা আছিয়ার সঙ্গে জান্নাতে যাবে?

উত্তরঃ যে নারী স্বামীকে দ্বীনের উপর চলার তাগিদ দেয়।

প্রশ্নঃ কোন মহিলা দিনিয়ায় থাকিয়া জান্নাতের ফল খাইয়াছেন?

উত্তরঃ হযরত মরিয়ম (আঃ)। (আল কোরআন)

প্রশ্নঃ কোন রমণীর গলায় রশি লাগাইয়া কিয়ামতের দিন ঝুলাইবে?

উত্তরঃ যে স্বামীর হুজুম ছাড়া অন্যের সন্তান কে দুধ খাওয়ায়।

প্রশ্নঃ কোন কাজ করিলে কুকুরের সহীত মিশিয়া যায়?

উত্তরঃ নামায ত্যাগ করিলে।

প্রশ্নঃ কোন গুনাহ আল্লাহ মাফ করিবেন না?

উত্তরঃ শিরিক করিলে।

প্রশ্নঃপৃথিবীর কোথায় একটি বেহেস্তী বাগান আছে?

উত্তরঃ মদিনা শরীফে মসজিদে নববীর কাছে কওমী শরীফে।

প্রশ্নঃ কেয়ামতে কোন ব্যক্তির মুখে মাংস থাকিবে না?

উত্তরঃ পবিত্র কোরআন শিখিয়া উহা দ্বারা পয়সা উপার্জন করিলে।

প্রশ্নঃ কে নিজের জান নিজেই কবজ করিবে?

উত্তরঃ হযরত আজরাঈল (আঃ) ।

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তিকে বেহেস্ত ও কোন ব্যক্তিকে দোযখ দেখানো হয়?

উত্তরঃ মৃত্য কালে মমিন বান্দাকে বেহেস্ত এবং বেঈমান বান্দাকে দোযখ দেখানো হয়।

প্রশ্নঃ পবিত্র কোরআন শরীফে আগুন দিতে গিয়ে কোন খৃষ্টানের দুটি হাত পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল?

উত্তরঃ উইলবার স্কোর্স নামক নাইজেরিয়ার অধিবাসী খৃষ্টান পুরোহিতের।

প্রশ্নঃ মৃত্যুর একশত বৎসর পর আল্লাহ পাক কাহাকে জীবিত করিয়া ছিলেন?

উত্তরঃ হযরত উজায়ের (আঃ) কে?

প্রশ্নঃ দোযখে কাহার জম্ম হইয়াছিল?

উত্তরঃ ইবলিশ শয়তানের।

প্রশ্নঃ কোন নবী পিতা—মাতা ছাড়া দুনিয়াতে আসিয়াছেন?

উত্তরঃ হযরত আদম (আঃ) ।

প্রশ্নঃ কোন নবী ১৪০০ বৎসর জীবিত ছিলেনঃ

উত্তরঃ হযরত আদম (আঃ)

প্রশ্নঃ কোন নবীর আমলে আপন ভাই-বোনের মধ্যে বিবাহ জায়েজ ছিল এবং কেন?

উত্তরঃ হযরত আদম (আঃ) এর সন্তানদের মধ্যে আপন ভাই-বোনের মধ্যে বিবাহ জায়েজ ছিল। কারণ তখন পৃথিবীতে অন্য কোন নারী-পুরুষ ছিল না।

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তি মৃত্যুর পরও ২২ বছর দাঁড়িয়ে ছিলেন?

উত্তরঃ হযরত সোলায়মান (আঃ) নবী, আল আকসা মসজিদ তৈরি করার সময়।

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তি প্রত্যেক দিন আল্লাহর সঙ্গে ১০১ সওয়াল জওয়াব করিতেন?

উত্তরঃ হযরত মুসা (আঃ)।

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তি মৃত মানুষকে জীবিত করিতেন?

উত্তরঃ হযরত ঈসা রুহুল্লাহ (আঃ) ।

প্রশ্নঃ কোন মহামানব আঙ্গুলের ইশারায় চাঁদকে দুই টুকরা করিয়াছেন?

উত্তরঃ আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)।

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তি লাঠির আঘাতে নীল দরিয়া শুকাইয়া গিয়েছিল?

উত্তরঃ হযরত মুসা (আঃ) এর লাঠির আঘাতে।

প্রশ্নঃ কোন মহিলার গায়ের চামড়া তুলে লবণ দেওয়ার পরও আল্লাহকে ভুলেন নাই?

উত্তরঃ ফেরাউনের স্ত্রী আছিয়া (আঃ) ।

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তি পাথর দিয়ে নিজের সব দাঁত নিজেই ভেঙ্গে ফেলেছিলেন?

উত্তরঃ হযরত ওয়ায়েজ করুণী (রাঃ) ।

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তি এক পায়ে দাঁড়াইয়া কোরআন শরীফ খতম করিতে পারিতেন?

উত্তরঃ হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ) ।

প্রশ্নঃ কোন নারী বাতাসের উপর জায়নামাজ বিছাইয়া নামাজ পড়িতেন?

উত্তরঃ হযরত রাবেয়া বসরী (রাঃ) ।

প্রশ্নঃ কোন মহিলার ঘরে আল্লাহর নূরে আলোকিত হইত?

উত্তরঃ হযরত রাবেয়া বসরী ।

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তি পানির উপর জায়নামাজ বিছাইয়া নামাজ পড়িতেন?

উত্তরঃ হাসান বসরী (রাঃ)।

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তি নিদ্রাকালে সাপে বাতাস করিত?

উত্তরঃ হযরত মালেক বিন দিনার (রাঃ) ।

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তি কবরে নামাজ পড়ার অনুমতি পাইয়াছেন?

উত্তরঃ হযরত সাবেদ বুনানীব (রাঃ)।

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তি ৪০ বছর মসজিদে ইবাদত ছাড়া বিছানায় পিঠ দেন নাই?

উত্তরঃ হযরত বায়েজীদ বোস্তামী (রহঃ)।

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তি সারা জীবন রোজা রাখিয়াছেন?

উত্তরঃ হযরত নুহ (আঃ) ।

প্রশ্নঃ হাতে দিলেন গাছের ডাল হইয়া গেল তরবারী কে কাহাকে দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ ওহুদের যুদ্ধে সাহাব্বীদের তরবারী ভাঙ্গিয়া গেলে হুজুরে পাক (সাঃ) একটি করিয়া গাছের ডাল ভাঙ্গিয়া দিয়েছিলেন।

প্রশ্নঃ মৃত্যু কালে কোন ব্যক্তির মুখে কালেমা আসে না?

উত্তরঃ যে ব্যক্তি পিতা-মাতাকে কষ্ট দিয়েছে।

প্রশ্নঃ পুরুষের দায়েমী ফরয কয়টি?

উত্তরঃ ৩টি। যথাঃ
(১) সর্বদা ঈমান আসলে জুড়িয়া থাকা।
(২) নাভীর উপরে থেকে হাঁটুর পর্যন্ত কাপড় দিয়ে ঢাকিয়ে রাখা।
(৩) নিজের পরিবারকে পর্দায় রাখা।

প্রশ্নঃ পুরুষের দায়েমী সুন্নত কয়টি?

উত্তরঃ ১০ টি যথাঃ
(১) মাথায় টুপি রাখা, (২) মাথার চুল তিন নিয়মের এক নিয়মে রাখা কানের লতি পর্যন্ত,
(৩) মোচ ঠোঁটের সাথে মিশিয়ে কাটা, (৪) মেসওয়াক করা,
(৫) দাঁড়ি লম্বা রাখা,
(৬) সুন্নত তরিকায় লম্বা জামা পরিধান করা,
(৭) হাত পায়ে নক কাটা,
(৮) নাভির নিচে ও বগলের লোম ৪০ দিনের আগে পরিস্কার করা,
(৯) ঢিলা ব্যবহার করা,
(১০) কুলুখ ব্যবহার করা।

প্রশ্নঃ নারীর দায়েমী ফরয কয়টি?

উত্তরঃ পাঁচটি যথাঃ-
(১) সর্বদা ঈমানের সহিত থাকা,
(২) পর্দায় থাকা,
(৩) সর্বাঙ্গ ঢাকিয়া রাখা,
(৪) স্বামীর কথা মানিয়া চলা,
(৫) ছোট শব্দে কথা বলা।

প্রশ্নঃ মেয়েদের দায়েমী সুন্নত কয়টি?

উত্তরঃ ৭টি যথা-
(১) মাথার চুল লম্বা রাখা,
(২) চুল সুন্দর রাখা,
(৩) মেসওয়াক করা,
(৪) হাত পায়ের নখ কাটা,
(৫) নাভীর নিচে ও বগলের লোম পরিস্কার করা,
(৬) ঢিলা ব্যবহার করা,
(৭) হায়েজ নেফাসের সময় পট্টি ব্যবহার করা।

প্রশ্নঃ কোন নবীর চোখের পানিতে মাটি ভিজিয়া বৃক্ষ জন্মিয়েছিল?

উত্তরঃ হযরত আদম (আঃ) এর চোখের পানিতে।

প্রশ্নঃ কাফের অবস্থায় কোন লোক পবিত্র কোরআন শরীফ মুখস্ত করিয়েছিলেন?

উত্তরঃ উমর বিন সালাম।

প্রশ্নঃ কোন মহিলা হযরত জিব্রাইল (আঃ) এর সহিত সরাসরি কথা বলিয়াছেন?

উত্তরঃ হযরত মরিয়ম ছিদ্দিকা (আঃ) ।

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তির মৃত্যু যন্ত্রণা নাই?

উত্তরঃ জিহাদে যোগ দেওয়া শহীদ ব্যক্তির।

প্রশ্নঃ কোন সন্তানের জন্য পিতা—মাতা দোযখী হইবে?

উত্তরঃ চরিত্রহীন কুসন্তানের জন্য পিতা মাতা দোযখী হইবে।

প্রশ্নঃ কোন দিনে ১টি রোজা রাখলে ১০০ বৎসরের জেহাদের সমান?

উত্তরঃ জিল হজ্জ মাসের ১ তারিখে।

প্রশ্নঃ কোন মাসে ১ টি রোজা রাখলে জাহান্নামের আগুন তাকে স্পর্শ করবে না?

উত্তরঃ সাবান মাসের ১৫ তারিখে রোজা রাখিলে।

প্রশ্নঃ কোন মহিলার সুপারিশে ৭০ হাজার লোক বেহেস্ত যাবে?

উত্তরঃ হযরত রাবেয়া বসরী (রাঃ) ।

প্রশ্নঃ মানুষকে ধোকা দেওয়ার জন্য শয়তান সবচেয়ে বড় ফাঁদ কোনটি ফাঁতে?

উত্তরঃ নারী দ্বারা ফাঁদ পাতে।

প্রশ্নঃ কোন কাজ করিলে শয়তান মানুষকে দোস্ত বলিয়া স্বীকার করে?

উত্তরঃ দাঁড়াইয়া পানি পান করিলে।

প্রশ্নঃ আল্লাহ পাক কেয়ামতের দিন কাহার মাথায় নিজ হাতে রহমতের তাজ পরিয়ে দিবেন?

উত্তরঃ যে পিতা মাতা সন্তানকে কোরআন শরীফ পড়া শিক্ষা দিয়েছেন এবং সন্তান সেই অনুসারে আমল করে সেই সমস্ত পিতা মাতার মাথায়।

প্রশ্নঃ মুছুল্লি হয়েও কোন ব্যক্তির কঠিন আযাব হবে?

উত্তরঃ মিসকিন ও এতিমের সঙ্গে যে খারাপ ব্যবহার করিয়েছে।

প্রশ্নঃ পরকালে কোন ব্যক্তির কানে গলিত শিশা ঢালিয়া দেওয়া হবে?

উত্তরঃ যে ব্যক্তি আযান শুনিয়াও নামাজ পড়িতে যায় নাই।

প্রশ্নঃ কোন ব্যক্তি অযুর পরও নাপাক থাকে?

উত্তরঃ যে ব্যক্তি ফরয গোসল করে না।

প্রশ্নঃ কোন চারটি প্রশ্নের উত্তর ছাড়া কোন আদম সন্তান কেয়ামতের এক চুলও সামনে অগ্রসর হতে পারবে না?

উত্তরঃ কোন চারটি প্রশ্নগুলো হলোঃ
(১) সারা জীবন কোন কাজে ব্যয় করেছে,
(২) যৌবন কাল কিভাবে কাটাইয়াছ,
(৩) আয় ও ব্যয় কিভাবে করিয়াছে,
(৪) এলেম কতটুকু শিখেছে এবং এলেম অনুযায়ী কি রকম আমল করিয়াছে।

প্রশ্নঃ কোন আমলের সওয়াব আল্লাহ নিজ হাতে দিবেন?

উত্তরঃ রমজান মাসের ফরয রোজার সওয়াব।

প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন নারী ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন

উত্তরঃ হযরত বিবি খাদিজা (রাঃ)

প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম মুয়াজ্জিনের নাম

উত্তরঃ হযরত বেলাল (রাঃ)

প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের প্রথম সূরা

উত্তরঃ সূরা ফাতেহা

প্রশ্নঃ সবচেয়ে দীর্ঘ সূরা

উত্তরঃ সূরা আল-বাকারা

প্রশ্নঃ সবচেয়ে ছোট সূরা

উত্তরঃ সুরা আল-কাওসার

প্রশ্নঃ কোন সূরার আগে বিসমিল্লাহ রাহমানির রাহীম নেই

উত্তরঃ সূরা-আত তাওবা

প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে সূরা, আয়াত, ও পারা কয়টি?

উত্তরঃ মোট সূরা ১১৪টি, আয়াতের সংখ্যা ৬৬৬৬টি এবং পারা ৩০টি

প্রশ্নঃ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কতবার সিনা চাক হয়

উত্তরঃ ৪ বার

প্রশ্নঃ কোন নারী সর্বপ্রথম জান্নাতে যাবেন

উত্তরঃ হযরত ফাতেমা (রাঃ)

প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কার রূহ তৈরী হয়

উত্তরঃ হযরত মুহাম্মদ (সঃ)

প্রশ্নঃ দনিয়াতে কার প্রথম কবর দেওয়া হয়েছিল

উত্তরঃ হযরত আদম (আঃ) এর পুত্র হাবিলের

প্রশ্নঃ কোন মানুষ সবচেয়ে বেশী দিন জীবিত ছিলো

উত্তরঃ হযরত আদম (আঃ) (১০০০ বছর)

প্রশ্নঃ কোন নবী দ্বিতীয়বার পৃথিবীতে আসবেন

উত্তরঃ হযরত ঈসা (আঃ)

প্রশ্নঃ কেয়ামতের আগে মুসলমানদের দুর্দশায় কার আর্বিভাব ঘটবে

উত্তরঃ ইমাম মেহেদী

প্রশ্নঃ আল্লাহর আরশবাহী কয়জন ফেরেশতা

উত্তরঃ ৮জন

প্রশ্নঃ সবচেয়ে মারাত্মক গুনাহ হচ্ছে

উত্তরঃ শিরক।

প্রশ্নঃ আল কুরআনের সুরক্ষিত স্থান

উত্তরঃ লাওহে মাহফুজ।

প্রশ্নঃ রমজানের রোযা ফরজ হয়

উত্তরঃ দ্বিতীয় হিজরিতে।

প্রশ্নঃ ইসলামের প্রথম মুয়াজ্জিন

উত্তরঃ হযরতর বেলাল (রা)।

প্রশ্নঃ খনিজ সম্পদের যাকাতের হার

উত্তরঃ ২০%।

প্রশ্নঃ আল্লাহর ইচ্ছায় যেকোনো রুপ ধারণ করতে পারে

উত্তরঃ ফেরেশতাগণ।

প্রশ্নঃ ইসলামের প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

উত্তরঃ দারুল আবকাজ।

প্রশ্নঃ বাইতুল মাল প্রতিষ্ঠা করেন

উত্তরঃ হযরত মুহাম্মদ (স)।

প্রশ্নঃ সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা মিলানো

উত্তরঃ ওয়াজিব।

প্রশ্নঃ আল্লাহ্ মানুষ সৃষ্টি করেছেন

উত্তরঃ তাঁর ইবাদত করার জন্য।

প্রশ্নঃ ইসলামের দৃষ্টিতে গীবত করা

উত্তরঃ হারাম।

প্রশ্নঃ জামাতে নামাজ পড়া

উত্তরঃ ওয়াজিব।

প্রশ্নঃ ইব্রাহিম (আ) এর পিতার নাম

উত্তরঃ আযর।

প্রশ্নঃ আযান ও ইকামত নেই

উত্তরঃ ঈদের নামাজে।

প্রশ্নঃ আল কুরআনের সর্ববৃতৎ সূরা

উত্তরঃ সূরা বাকারা।

প্রশ্নঃ মুসলিম জাতির পিতা

উত্তরঃ ইব্রাহীম (আ)।

প্রশ্নঃ “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু” দ্বারা ঘোষণা করা করা হয়েছে

উত্তরঃ তাওহীদের।

প্রশ্নঃ রাসূল প্রেরণ করার মূল উদ্দেশ্য

উত্তরঃ আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করা।

প্রশ্নঃ মানুষের ইবাদাতের মূল লক্ষ

উত্তরঃ আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।

প্রশ্নঃ আল্লাহ্ মানুষ সৃষ্টি করেছেন

উত্তরঃ তাঁর ইবাদত করার জন্য।

প্রশ্নঃ আল্লাহর প্রেরিত কিতাবের ওপর বিশ্বাস করা

উত্তরঃ ফরজ।

প্রশ্নঃ প্রথম নাযিলকৃত আয়ত সংখ্যা

উত্তরঃ ৫টি।

প্রশ্নঃ কুরআনের মা বলা হয়

উত্তরঃ সূরা ফাতিহাকে।

প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআন মাজীদ দেখে পড়াকে বলা হয়

উত্তরঃ নাযিরা তেলাওয়াত।

প্রশ্নঃ যুবকদের মধ্যে সর্ব প্রথম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন

উত্তরঃ হযরত আলী (রা)।

প্রশ্নঃ নবী ও রাসূলের পর সবচেয়ে বেশি সম্মান পাওয়ার যোগ্য

উত্তরঃ মাতা।

প্রশ্নঃ বিবাহের রুকন দুটি

উত্তরঃ ইজাব ও কবুল।

প্রশ্নঃ সকল গুনাহ্ থেকে তওবা করা

উত্তরঃ ফরজ।

প্রশ্নঃ কিবলা পরিবর্তন হয়

উত্তরঃ দ্বিতীয় হিজরীতে।

প্রশ্নঃ আমানতের খিয়ানত করা

উত্তরঃ মুনাফিকের লক্ষণ।

প্রশ্নঃ মানুষের আমলনামা লিপিবদ্বকারী ফেরেশতা হচ্ছে

উত্তরঃ কিরামান কতেবিন।

প্রশ্নঃ পুরুষকে তিন টুকরা কাপড় দিয়ে কাফন দেয়া

উত্তরঃ সুন্নত।

প্রশ্নঃ দু’বার বিসমিল্লাহ আছে

উত্তরঃ সূরা নামল এ।

প্রশ্নঃ ইসলামের পঞ্চম খলিফা

উত্তরঃ ওমর বিন আবদুল আজিজ (র)।

প্রশ্নঃ মরা মাছ খাওয়া

উত্তরঃ হালাল।

প্রশ্নঃ সালাত হচ্ছে মুমিনদের জন্য

উত্তরঃ মি’রাজ স্বরূপ।

প্রশ্নঃ হত্যা অপেক্ষা খারাপ

উত্তরঃ ফিতনা।

প্রশ্নঃ তওবা করার অর্থ হচ্ছে

উত্তরঃ অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর পথে ফিরে আসা।

প্রশ্নঃ মানব জাতির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত

উত্তরঃ উম্মতে মুহাম্মদ।

প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম ইসলামী মুদ্রা প্রচলন করেন

উত্তরঃ হযরত ওমর (রাঃ)।

প্রশ্নঃ মুমিনদের যুদ্বে হাফিজে কুরআন শহীদ হন

উত্তরঃ ৭০ জন।

প্রশ্নঃ রাসূল (স) মদীনায় হিজরত করেন নবুয়াতের

উত্তরঃ দ্বাদশ বছরে।

প্রশ্নঃ বদরের যুদ্ব সংঘটিত হয়

উত্তরঃ ৬২৪ সালে।

প্রশ্নঃ আত্মীয়দের পর হক বেশি

উত্তরঃ প্রতিবেশীর।

প্রশ্নঃ আল কুরআনে আলোচিত নবীর সংখ্যা

উত্তরঃ ২৫ জন।

Developed by


বিষয়: শরীয়ত

 
ইসলামিক
সাধারণ
জ্ঞান
বিষয়: শরীয়ত
প্রশ্নঃ শরীয়ত কাকে বলে?

উত্তরঃ পবিত্র কোরআন এবং হাদীস শরীফ দ্বারা ইসলামের যে বিধান আমাদের উপর বিধিবদ্ধ হয়েছে তাই এক কথায় শরীয়ত নামে অভিহিত।

প্রশ্নঃ কুফুরী কাকে বলে?

উত্তরঃ পবিত্র কোরআন শরীফ এবং হাদীস শরীফ বিশ্বাসগত এবং আমলগত যে সব বিষয় অত্যাবশ্যকীয় রূপে চি‎হ্নিত করেছে, সে গুলির মধ্যে হতে কোন একটির অস্বীকৃতির নামই হলো কুফরী।

প্রশ্নঃ মুশরেকী কাকে বলে?

উত্তরঃ আল্লাহর একক সত্ত্বা এবং গুনাবলীর মধ্যে যে কোন শক্তির অংশীদারিত্ব মেনে নেয়ার নাম মুশরেকী।

প্রশ্নঃ মুনাফেকী কাকে বলে?

উত্তরঃ ঈমান-আকীদা ও শরীয়তের ক্ষেত্রে কপটতার আশ্রয় নেয়াকে মুনাফেকী বলে।

প্রশ্নঃ ফাসেকী কাকে বলে?

উত্তরঃ যে কোন কবীরা গুনাহে দ্বিধাহীন চিত্তে অংশ গ্রহণ করাকে ফাসেকী বলে।

প্রশ্নঃ ইহসান কাকে বলে?

উত্তরঃ শরীয়তের আভ্যন্তরীন জিনিসগুলোকে আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করার পর সেগুলো বিশুদ্ধরূপে ব্যবহার করার প্রনালীকে বলে ইহসান।

প্রশ্নঃ শরীয়তের আদেশসমূহ মোট কয়টি?

উত্তরঃ শরীয়তের আদেশসমূহ মোট নয়টি। যথাঃ
(১) ফরজ
(২) ওয়াজিব
(৩) সুন্নাত
(৪) মুস্তাহাব
(৫) নফল
(৬) হালাল
(৭) হারাম
(৮) মাকরূহ
(৯) মোবাহ।

Developed by


বিষয়: সাওম

 
ইসলামিক
সাধারণ
জ্ঞান
বিষয়: সাওম
প্রশ্নঃ সাওম শব্দের অর্থ কি?

উত্তরঃ বিরত থাকা, পরিত্যাগ করা।

প্রশ্নঃ সাওম কত প্রকার ও কি কি?

উত্তরঃ সাওম ৬ প্রকার। যথাঃ
১। ফরজ।
২। ওয়াজিব।
৩। সুন্নাত।
৪। নফল।
৫। মাকরুহ।
৬। হারাম।

প্রশ্নঃ সাওম কত দিন ফরজ?

উত্তরঃ সাওম পূর্ণ রমজান মাস ফরজ।

প্রশ্নঃ মুসলমানদের উপর সাওম ফরজ করা হয় কখন?

উত্তরঃ দ্বিতীয় হিজরীর রমজান মাসে।

প্রশ্নঃ সাওম ফরজ করার উদ্দেশ্য কি?

উত্তরঃ তাকওয়া অর্জন করা।

প্রশ্নঃ সাওম ফরজ হওয়া সম্পর্কে কোন সূরায় কত নম্বার আয়াতে নির্দেশ হয়েছে?

উত্তরঃ সূরা বাকারার ১৮৩ নং আয়াতে।

প্রশ্নঃ কোন সাওম পালন করা ওয়াজিব?

উত্তরঃ মান্নতের ও কাফ্ফারার সাওম।

প্রশ্নঃ বছরে কয় দিন ও কোন কোন দিন সাওম পালন করা নিষেধ?

উত্তরঃ বছরে পাঁচ দিন সাওম পালন করা নিষেধ। যথাঃ
১। ঈদুল ফিতরের দিন।
২। ঈদুল আযহার দিন।
৩। যিলহজ্জ মাসের ১১,১২,১৩ তারিখ।

প্রশ্নঃ নফল রোজা কি কি?

উত্তরঃ ১। শাওয়াল মাসের ৬টি রোজা। ২। সোমবার ও বৃহস্পতিবারের রোজা। ৩। শাবানের ১৪, ১৫ তারিখের রোজা। ৪। জিলহজ্জ মাসের ১-৯ তারিখের রোজা।

প্রশ্নঃ সাওম ওয়াজিব হওয়ার শর্ত কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ সাওম ফরজ হওয়ার শর্ত ৪টি। যথাঃ
১। মুসলমান হওয়া।
২। বালিগ হওয়া।
৩। আকল অর্থাৎ বুঝমান হওয়া।
৪। সক্ষম হওয়া।

প্রশ্নঃ সাওম ছহীহ হওয়ার শর্ত কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ সাওম ছহীহ হওয়ার শর্ত ৩টি। যথাঃ
১। মুসলমান হওয়া।
২। মহিলাদের হায়েজ থেকে পবিত্র হওয়া।
৩। নিয়ত করা।

প্রশ্নঃ সাওমের মধ্যে কতটি বিষয় থেকে বিরত থাকা ফরজ ও কি কি?

উত্তরঃ ৩টি বিষয় থেকে বিরত থাকা ফরজ। ১. কোন কিছু খাওয়া।
২. পান করা।
৩. যৌন বাসনা পুরা করা।

প্রশ্নঃ রোজাদারের জন্য সুন্নাত ও মুস্তাহাব কাজ কি?

উত্তরঃ রোজাদারের জন্য সুন্নাত ও মুস্তাহাব কাজ হলোঃ
১. সেহরী খাওয়া।
২. সেহরী শেষ সময়ে খাওয়া।
৩. সেহরী খাওয়ার সাথে সাথে নিয়ত করা।
৪. খেজুর বা পানি দিয়ে ইফতার করা।
৫. সকল গর্হিত কাজ হতে সংযমে থাকা।

প্রশ্নঃ রোজার কাফ্ফারা বলতে কি বুঝায়?

উত্তরঃ রোজা রেখে বিনা কারণে ভেঙ্গে ফেললে তা কাযা এবং কাফ্ফারা উভয়ই করতে হয়।

প্রশ্নঃ কাফ্ফারা কিরূপ?

উত্তরঃ রোজার কাফ্ফারা হলো-
১। একজন গোলাম কে আজাদ করা।
২। এতে অক্ষম হলে একধারে দু’মাস রোজা রাখা।
৩। এতে অক্ষম হলে ৬০ জন মিসকিন কে পরিতৃপ্তির সাথে দু’বেলা খাওয়ানো।

প্রশ্নঃ তারাবীহর নামায আদায় করা কি?

উত্তরঃ তারাবীহর নামায আদায় করা সুন্নাত।

প্রশ্নঃ ফিতরা কার উপর ওয়াজিব?

উত্তরঃ ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময় যে ব্যক্তির হাতে জীবিকা নির্বাহের অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ ব্যতীত সাড়ে সাত তোলা সোনা অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা সমমূল্যের অন্যকোন সম্পদ থাকে তার উপর ফিতরা ওয়াজিব।

প্রশ্নঃ ফিতরার পরিমান কি?

উত্তরঃ মাথা পিছু নিসফে ‘সা’ অর্থাৎ প্রায় পৌনে দু’সের গম বা তার মূল্য।

প্রশ্নঃ ফিতরা কখন আদায় করতে হয়?

উত্তরঃ ঈদুল ফিতরের নামাযের পূর্বে।

প্রশ্নঃ রমজান মাসে ইবাদতের নিয়তে মসজিদে অবস্থান করাকে কি বলে।

উত্তরঃ ইতিকাফ বলে।

প্রশ্নঃ ইতিকাফ করার সময় কি কি কাজ করা মুস্তাহাব?

উত্তরঃ ইতিকাফ করার সময় যে কাজগুলো করা মুস্তাহাব-
১. যিকির করা।
২. কুরআন তিলাওয়াত করা।
৩. দুরুদ শরীফ পড়া।
৪. দ্বীনি সম্পর্কে পড়াশুনা করা।
৫. দ্বীন বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা।

Developed by


বিষয়: ফিকহ

 
ইসলামিক
সাধারণ
জ্ঞান
বিষয়: ফিকহ
প্রশ্নঃ ফিকাহ কাকে বলে?

উত্তরঃ শরীয়তের বিস্তারিত প্রমাণাদি থেকে শরীয়তের শাখা-প্রশাখা সম্পর্কিত বিধি-বিধান সমন্ধে জ্ঞাত হওয়াকে ফিক্হ বলা হয়।

প্রশ্নঃ ফিকাহ শাস্ত্রের উৎস কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ ফিকাহ শাস্ত্রের উৎস ৪টি। যথাঃ ১. কুরআন। ২. হাদীস। ৩. ইজমা। ৪. কিয়াস।

প্রশ্নঃ ইসলামী আইনের উৎস কি কি?

উত্তরঃ ইসলামী আইনের উৎস ৪টি। যথাঃ ১. কুরআন। ২. সুন্নাহ। ৩. ইজমা। ৪. কিয়াস।

প্রশ্নঃ ইজমা বলতে কি বুঝায়?

উত্তরঃ মহানবী (সাঃ) এর অবর্তমানে সাহাবায়ে কেরামগণ যখন কোন সমস্যার সম্মুখীন হতেন, তখন তাঁরা এর সমাধান খুজে বের করার জন্য গবেষণা করতেন। প্রথমে কুরআন ও হাদীসে সমাধান খুঁজতেন। যখন কুরআন ও হাদীসে প্রত্যক্ষ সমাধান না পেতেন তখন কুরআন ও হাদীসের আলোকে স্বীয়মতের ভিত্তিতে সর্বসম্মতভাবে সমস্যার সমাধান করার নামই হলো ইজমা।

প্রশ্নঃ কিয়াস বলতে কি বুঝায়?

উত্তরঃ কুরআন, সুন্নাহ ও ইজমা দ্বারা মীমাংসিত কোন বিষয়ের সাথে অনুরূপ কোন বিষয়কে উপমা দ্বারা সাদৃশ্য বিধান করতঃ উপমানের হুকুম বা সমাধান উপমেয়ের উপর আরোপ করাকে কিয়াস বলে।

প্রশ্নঃ মাজহাব কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ মাজহাব ৪টি। যথাঃ ১। হানাফী মাজহাব। ২। মালেকী মাজহাব। ৩। শাফেয়ী মাজহাব। ৪। হাম্বলী মাজহাব।

প্রশ্নঃ মাজহাব মানার হুকুম কী?

উত্তরঃ মাজহাব মানা ওয়াজিব।

Developed by


বিষয়: আকাঈদ

 
ইসলামিক
সাধারণ
জ্ঞান
বিষয়: আকাঈদ
প্রশ্নঃ ‘ঈমান’ শব্দের অর্থ কি?

উত্তরঃ ঈমান শব্দের অর্থ, বিশ্বাস বা প্রত্যয়।

প্রশ্নঃ যারা ঈমান গ্রহণ করে তাদেরকে কি বলে?

উত্তরঃ তাদেরকে মু’মীন বলে।

প্রশ্নঃ ঈমানের শর্ত কি কি?

উত্তরঃ ঈমানের শর্ত হল- (১) মনে বিশ্বাস স্থাপন করা। (২) মুখে স্বীকার করা। (৩) কাজে পরিণত করা।

প্রশ্নঃ কালেমায়ে তাইয়্যেবা কি?

উত্তরঃ কালেমায়ে তাইয়্যেবা হল- লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।

প্রশ্নঃ ইসলামের স্তম্ব কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ ইসলামের স্তম্ব পাঁচটি। যথা ঃ (১) কালিমা তথা ঈমান (২) নামায (৩) রোযা (৪) হজ্জ (৫) যাকাত।

প্রশ্নঃ ঈমানের মৌলিক বিষয়সমূহ কি কি?

উত্তরঃ ঈমানের মৌলিক বিষয়সমূহ হল- আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস। ২। আল্লাহর ফেরেশ্তাদের প্রতি বিশ্বাস। ৩। আল্লাহর কিতাবসমূহের প্রতি বিশ্বাস। ৪। আল্লাহর প্রেরিত নবী ও রাসূলগনের প্রতি বিশ্বাস। ৫। আখেরাত বা পরকালের প্রতি বিশ্বাস। ৬। তাকদিরের ভাল মন্দের প্রতি বিশ্বাস। ৭। মৃত্যুর পর পূণরায় জীবিত হওয়ার ওপর বিশ্বাস।

প্রশ্নঃ পুনরুত্থানের প্রতি ঈমান আনার অর্থ কি?

উত্তরঃ ইহকালের কৃত কর্মের জবাবদিহিতার জন্য সকলকে হাশরের ময়দানে উঠানো হবে। সেখানে মানুষের বিচার করা হবে। সৎ কাজের জন্য মানুষকে জান্নাত দেওয়া হবে এবং পাপীদের জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।

Developed by


বিষয়: তাহারাত

 
ইসলামিক
সাধারণ
জ্ঞান
বিষয়: তাহারাত
প্রশ্নঃ তাহারাত শব্দের অর্থ কি?

উত্তরঃ তাহারাত শব্দের অর্থ পবিত্রতা।

প্রশ্নঃ অযুর ফরজ কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ ওযুর ফরজ চারটি।
(১) সমস্ত মুখ ধৌত করা।
(২) দু’হাত কনুইসহ ধৌত করা।
৩। মাথার চারভাগের একভাগ মাসাহ করা।
৪। দু’পায়ের টাখনুসহ ধৌত করা।

প্রশ্নঃ ওযুর সুন্নাত কি কি?

উত্তরঃ ওযুর সুন্নাতঃ-
(১) ওযু করার শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা।
(২) নিয়ত করা।
(৩) মেসওয়াক করা।
(৪) কুলি করা।
(৫) গড়গড়া করা।
(৬) নাকের ছিদ্রে পানি দেওয়া।
(৭) প্রত্যেক অঙ্গ তিনবার করে ধৌত করা।
(৮) দু’কান একবার মাসেহ করা।
(৯) হাত ও পায়ের আঙ্গুল খিলাল করা।
(১০) দাঁড়ি খিলাল করা।
(১১) তারতীব অনুযায়ী ওযু করা।
(১২) এক অঙ্গ শুকানোর পূর্বে অন্য অঙ্গ ধৌত করা।
(১৩) সমস্ত মাথা মাসেহ করা।

প্রশ্নঃ ওযু ভঙ্গের কারণগুলো কি কি?

উত্তরঃ ওযু ভঙ্গের কারণঃ-
(১) পেশাব বা পায়খানা বা অন্য কোন বস্তু সামনে বা পিছনের রাস্তা দিয়ে বের হওয়া।
(২) রক্ত বা পুঁজ বের হয়ে গড়িয়ে পড়লে।
(৩) মুখ ভরে বমি হলে।
(৪) পায়খানার রাস্তা দিয়ে বায়ু নির্গত হলে।
(৫) কৃমি বের হলে।
(৬) কোন কিছুর ওপর হেলান দিয়ে ঘুমালে।
(৭) বেহুশ হলে।
(৮) পাগল বা মাতাল হলে।
(৯) নামাযে জোরে হাসলে প্রভৃতি।

প্রশ্নঃ গোছলের ফরজ কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ গোছলের ফরজ তিনটি। যথাঃ
(১) গড়গড়া করে কুলি করা।
(২) নাকে ভালভাবে পানি দেওয়া।
(৩) সমস্ত শরীর ভালোভাবে পানি দিয়ে ধৌত করা।

প্রশ্নঃ গোসল কত প্রকার ও কি কি?

উত্তরঃ গোসল তিন প্রকার। যথাঃ
(১) ফরজ গোসল
(২) সুন্নাত গোসল
(৩) মুস্তাহাব গোসল।

প্রশ্নঃ কোন কোন অবস্থায় গোসল ফরজ হয়।

উত্তরঃ
(১) বীর্যপাত ঘটলে
(২) নারী-পুরুষের যৌন মিলন ঘটলে।
(৩) হায়েজ (মাসিক বন্ধ) হলে
(৪) নেফাস (সন্তান প্রসব পরবর্তী রক্ত) হলে।

প্রশ্নঃ কোন কোন অবস্থায় গোসল করা সুন্নাত।

উত্তরঃ (১) জুম’আর নামাযের জন্য গোসল করা,
(২) দুই ঈদের নামাযের জন্য গোসল করা
(৩) হজ্জের ইহরাম বাধার জন্য গোসল করা
(৪) আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করার জন্য গোসল করা।

প্রশ্নঃ কোন কোন অবস্থায় গোসল করা মুস্তাহাব।

উত্তরঃ মুস্তাহাব গোসল অনেক। তন্মধ্যে কিছু গোসল এই-
১. শাবান মাসের পনের তারিখে দিবাগত রাত্রে (যাকে শবে বরাত বলা হয়) গোসল করা,
২. আরাফার রাত্রে গোসল কার, অর্থাৎ, জিলহজ্জ মাসের আট তারিখের দিবাগত রাত্রে গোসল করা,
৩. বৃষ্টির নামাযের জন্য গোসল করা,
৪. মক্কা মুয়াজ্জমা অথবা মদীনা মুনাওয়ারায় প্রবেশ করার জন্য গোসল করা,
৫. সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগহণের নামাযের জন্য গোসল করা,
৬. মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেয়ার পর গোসলদাতার গোসল করা,
৭. কাফের ইসলাম ধর্ম গ্রহল করার পর গোসল করা।

প্রশ্নঃ তায়াম্মুম কি?

উত্তরঃ ওজু বা গোসলের অপারগতার যে কাজের মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করা যায় তাই তায়াম্মুম।

প্রশ্নঃ তায়াম্মুম কখন করা যায়?

উত্তরঃ যখন পানি এক মাইল দূরে হয় অথবা কোন শত্রুর ভয়ে পানি আনতে না পারে অথবা পানি ব্যবহার করার দ্বারা অসুস্থ হয়ে যাবে কিংবা অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ার প্রবল আশংকা হবে তখন তায়াম্মুম করা জায়েয।

প্রশ্নঃ কি বস্তু দ্বারা তায়াম্মুম করতে হয়?

উত্তরঃ তায়াম্মুম মাটি বা মাটি জাতীয় বস্তু দ্বারা করতে হয়।

প্রশ্নঃ তায়াম্মুমের ফরজ কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ তায়াম্মুমের ফরজ তিনটি।
(১) পাক হওয়ার নিয়্যাত করা।
(২) সমস্ত মুখম-ল মাসাহ করা।
(৩) উভয় হাত কনুইসহ মাসাহ করা।

প্রশ্নঃ তায়াম্মুম কি কি কারণে ভঙ্গ হয়?

উত্তরঃ যে সব কারণে ওযু ভঙ্গ হয়, তায়াম্মুমও সে সব কারণে ভঙ্গ হয়। তবে একটি কারণ বেশী আছে। তা হলো, সে কারণ হলো তায়াম্মুম অর্জন করার পর যদি সুস্থ শরীরে এই পরিমাণ পানি দেখে যা দ্বারা ওযু বা গোসল করা যায় এবং তাতে কোন অসুবিধা হবে না, তাহলে ঐ পানি দেখার সাথে সাথেই তায়াম্মুম ভঙ্গ হয়ে যাবে।

Developed by


বিষয়: তাওহীদ

 
ইসলামিক
সাধারণ
জ্ঞান
বিষয়: তাওহীদ
প্রশ্নঃ তাওহীদ অর্থ কি?

উত্তরঃ তাওহীদ অর্থ আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদ।

প্রশ্নঃ নবী রাসুলগণ মানুষকে কোনদিকে দাওয়াত দিয়েছেন?

উত্তরঃ নবী রাসুলগণ মানুষকে তাওহীদের দিকে দাওয়াত দিয়েছেন।

প্রশ্নঃ সব কিছু সৃষ্টি করেছেন কে?

উত্তরঃ সব কিছু সৃষ্টি করেছেন ‘আল্লাহ তায়ালা’।

প্রশ্নঃ সকল শক্তির আসল উৎস ও কেন্দ্র কে?

উত্তরঃ সকল শক্তির আসল উৎস ও কেন্দ্র ‘আল্লাহ তায়ালা’ ।

প্রশ্নঃ একমাত্র কার সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে?

উত্তরঃ একমাত্র ‘আল্লাহ তায়ালার’ সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে।

প্রশ্নঃ আল্লাহকে একক সত্বা হিসেবে স্বীকার ও বিশ্বাস করাকে কি বলে?

উত্তরঃ তাওহীদ।

প্রশ্নঃ হেদায়েত চাইতে হবে কার কাছে?

উত্তরঃ ‘আল্লাহ তায়ালার’ কাছে।

প্রশ্নঃ কোন গুনাহ আল্লাহ তা’য়ালা মাফ করবেন না?

উত্তরঃ শিরকের গুনাহ আল্লাহ তা’য়ালা মাফ করবেন না।

প্রশ্নঃ ঈমানের শাখা কয়টি?

উত্তরঃ ঈমানের শাখা ৭০টিরও অধিক।

Developed by


বিষয়: ইবাদত

 
ইসলামিক
সাধারণ
জ্ঞান
বিষয়: ইবাদত
প্রশ্নঃ মানুষ কার বান্দাহ্?

উত্তরঃ মানুষ আল্লাহ তায়ালার বান্দাহ্।

প্রশ্নঃ আল্লাহর আনুগত্যের জন্য মানুষ যা কিছু করে তাকে কি বলে?

উত্তরঃ ইবাদত বলে।

প্রশ্নঃ আল্লাহ তা’য়ালা মানুষ ও জ্বিন জাতিকে কেন সৃষ্টি করেছেন?

উত্তরঃ আল্লাহ তা’য়ালার ইবাদত করার জন্য।

প্রশ্নঃ কার সন্তুষ্টি অর্জন ইবাদতের মূল লক্ষ?

উত্তরঃ আল্লাহ তা’য়ালার সন্তুষ্টি ইবাদতের মূল লক্ষ ।

প্রশ্নঃ আমরা কার আনুগত্য করব?

উত্তরঃ আমরা আল্লাহ তা’য়ালার আনুগত্য করব।

Developed by


বিষয়: আসমানী কিতাব

 
ইসলামিক
সাধারণ
জ্ঞান
বিষয়: আসমানী কিতাব
প্রশ্নঃ আসমানী কিতাব কাকে বলে?

উত্তরঃ আল্লাহর পক্ষ হতে প্রেরিত কিতাবকে আসমানী কিতাব বলা হয়।

প্রশ্নঃ আসমানী কিতাব কিভাবে অবতীর্ণ হয়েছে?

উত্তরঃ আসমানী কিতাব স্বর্গীয় দূত বা ফেরেস্তাদের দ্বারা ওহীর মাধ্যমে অবতীর্ণ হয়েছে।

প্রশ্নঃ ওহী কি?

উত্তরঃ ওহী আরবী শব্দ। এর অর্থ প্রত্যাদেশ বা আল্লাহর প্রেরিত বাণী। যে সকল বাণী আল্লাহর পক্ষ থেকে হযরত জিব্রাঈল (আঃ) এর মাধ্যমে নবী রাসুলগণের নিকট প্রেরণ করা হত।

প্রশ্নঃ সহীফা কাকে বলে?

উত্তরঃ আল্লাহর প্রেরিত ছোট কিতাব বা পুস্তিকাকে সহীফা বলে।

প্রশ্নঃ আসমানী কিতাব কতটি ও সহীফা কতটি?

উত্তরঃ ৪ টি আসমানী কিতাব ও ১০০টি সহীফা।

প্রশ্নঃ ৪ টি আসমানী কিতাব কি কি?

উত্তরঃ (১) তাওরাত (২) যাবুর (৩) ইঞ্জিল (৪) কুরআন।

Developed by


বিষয়: সাহাবায়ে কেরাম (রা:)


ইসলামিক
সাধারণ
জ্ঞান
বিষয়: সাহাবায়ে কেরাম (রা:)
৪৪২. প্রশ্নঃ সাহাবী কাকে বলে?

উত্তরঃ যাঁরা ঈমানের সাথে নবী (সাঃ)এর সাথে সাক্ষাত লাভ করেছেন এবং ঈমানের উপর অটল থেকে মৃত্যু বরণ করেছেন তাঁদেরকে বলা হয় সাহাবী।

৪৪৩. প্রশ্নঃ জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজন সাহাবী কে কে?

উত্তরঃ জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজন সাহাবীগণ হলেনঃ
(০১) আবু বকর (রাঃ)
(০২) ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)
(০৩) ঊছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)
(০৪) আলী বিন আবী তালেব (রাঃ)
(০৫) আবদুর রহমান বিন আউফ (রাঃ)
(০৬) সাঈদ বিন যায়েদ (রাঃ)
(০৭) সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)
(০৮) আবু উবাইদা ইবনুল জার্‌রাহ (রাঃ)
(০৯) ত্বলহা বিন উবাইদুল্লাহ (রাঃ)
(১০) যুবাইর বিন আওয়াম (রাঃ)

৪৪৪. প্রশ্নঃ ইসলামের চার খলীফার নাম কি?

উত্তরঃ ইসলামের চার খলীফাগণ হলেনঃ
১) আবু বকর (রাঃ)
২) ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)
৩) উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)
৪) আলী বিন আবী তালেব (রাঃ)

৪৪৫. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (সাঃ) বলেন, আমার পরে নবী এলে তিনি হতেন? কিন্তু আমার পর কোন নবী নেই।

উত্তরঃ ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)।

৪৪৬. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে বলা হয় যুন্‌নূরাইন?

উত্তরঃ উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)।

৪৪৭. প্রশ্নঃ কেন উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ) কে যুন্‌নূরাইন বলা হত?

উত্তরঃ এজন্যে যে তিনি নবী (সাঃ) এর দুকন্যাকে বিবাহ করেছিলেন। (প্রথমে যায়নাব, তাঁর মৃত্যুর পর উম্মে কুলছুম রাঃকে বিবাহ করেছিলেন)

৪৪৮. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর উপাধী ছিল আবু তুরাব?

উত্তরঃ আলী (রাঃ)।

৪৪৯. প্রশ্নঃ কোন্‌ সাহাবীকে দেখলে ফেরেশতারা লজ্জিত হতেন?

উত্তরঃ উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)। তিনি ছিলেন খুবই লাজুক।

৪৫০.প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর ঈমানের সাথে সমস্ত মানুষের ঈমান ওযন করলে তাঁর ঈমানের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে?

উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ)

৪৫১.প্রশ্নঃ আবু বকর (রাঃ) এর প্রকৃত নাম কি?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন উছমান (রাঃ)।

৪৫২. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ) এর দশ বছর খিদমত করেন?

উত্তরঃ আনাস বিন মালেক (রাঃ)

৪৫৩.প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে বলা হত জীবন্ত শহীদ?

উত্তরঃ ত্বলহা বিন উবাইদুল্লাহ (রাঃ)।

৪৫৪. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে বলা হত উড়ন্ত শহীদ?

উত্তরঃ জাফার বিন আবী তালেব (রাঃ)।

৪৫৫. প্রশ্নঃ ফেরেশ্‌তাগণ কোন সাহাবীর গোসল দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ হানযালা (রাঃ)।

৪৫৬. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে বলা হত সাইফুল্লাহ বা আল্লাহর তরবারী?

উত্তরঃ খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)।

৪৫৭.প্রশ্নঃ খালিদ বিন ওয়ালিদ কোন্‌ যুদ্ধে নয়টি তরবারী ভেঙ্গেছিলেন?

উত্তরঃ মূতার যুদ্ধে।

৪৫৮. প্রশ্নঃ খালিদ বিন ওয়ালিদ কোন যুদ্ধে সাইফুল্লাহ উপাধী লাভ করেছিলেন?

উত্তরঃ মূতার যুদ্ধে।

৪৫৯. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) গোপন বিষয় জানাতেন?

উত্তরঃ হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ)।

৪৬০. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী রাসূলুল্লাহ (সাঃ)এর সময় ফতোয়া দিতেন?

উত্তরঃ মুআয বিন জাবাল (রাঃ)।

৪৬১. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর মৃত্যুতে আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠেছিল?

উত্তরঃ সাদ বিন মুআয (রাঃ)

৪৬২. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে জান্নাতের আটটি দরজা থেকেই আহবান করা হবে?

উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ)।

৪৬৩. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে সাইয়্যেদুশ্‌ শোহাদা বলা হয়?

উত্তরঃ হামযা বিন আবদুল মুত্তালেব (রাঃ)

৪৬৪. প্রশ্নঃ হামযা (রাঃ) কোন যুদ্ধে শহীদ হন?

উত্তরঃ উহুদ যুদ্ধে।

৪৬৫.প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে নবী (সাঃ) ইসলামের প্রথম দূত (শিক্ষক) হিসেবে মদীনায় প্রেরণ করেন?

উত্তরঃ মুসআব বিন উমাইর (রাঃ)।

৪৬৬. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ)এর চাচা এবং দুধ ভাই ছিলেন?

উত্তরঃ হামযা বিন আবদুল মুত্তালিব (রাঃ)।

৪৬৭.প্রশ্নঃ নবী (সাঃ) মেরাজে গিয়ে কোন সাহাবীর পায়ের আওয়ায শুনতে পান?

উত্তরঃ বেলাল বিন রাবাহ (রাঃ)।

৪৬৮. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী ইসলামের প্রথম মুআয্‌যিন ছিলেন?

উত্তরঃ বেলাল বিন রাবাহ (রাঃ)।

৪৬৯. প্রশ্নঃ নবী (সাঃ) এর কতজন মুআয্‌যিন ছিলেন?

উত্তরঃ তিনজন। বেলাল বিন রাবাহ, আবদুল্লাহ বিন উম্মে মাকতূম ও আবু মাহযূরা (রাঃ)

৪৭০. প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন সাহাবীর নিকট থেকে কুরআন তেলাওয়াত শুনেছেন?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ)

৪৭১. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সূরা বাকারা তেলাওয়াত করার সময় আসমান থেকে ফেরেশতা নাযিল হয়েছিল?

উত্তরঃ উসাইদ বিন হুযাইর (রাঃ)।

৪৭২. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে তরজুমানুল কুরআন (কুরআনের অনুবাদক) ও সাইয়্যেদুল মুফাস্‌সিরীন (শ্রে তাফসীরকারক) বলা হত?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ)।

৪৭৩. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুআ করেছিলেন, “হে আল্লাহ তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান দান কর এবং কুরআনের তাফসীর শিক্ষা দান কর”?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ)

৪৭৪. প্রশ্নঃ কোন তিনজন সাহাবী তাবুক যুদ্ধে অংশ নেয়া থেকে বিরত ছিলেন?

উত্তরঃ তাবুক যুদ্ধে অংশ না নেয়া তিনজন সাহাবীগণ হলেনঃ
(১) মুরারা বিন রাবীআ
(২) কাব বিন মালেক
(৩) হিলাল বিন উমাইয়্যা (রাঃ)

৪৭৫.প্রশ্নঃ কোন সাহাবী দুআ করলেই আল্লাহ কবূল করতেন?

উত্তরঃ সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)।

৪৭৬. প্রশ্নঃ জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত দশজন সাহাবীর মধ্যে সবশেষে কার মৃত্যু হয়?

উত্তরঃ সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)।

৪৭৭. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ)এর মামা ছিলেন?

উত্তরঃ সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)।

৪৭৮. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে নবী (সাঃ)এর কবি বলা হত?

উত্তরঃ হাস্‌সান বিন ছাবেত (রাঃ)।

৪৭৯. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (ছাঃ) বলেন, আমার উম্মতের মধ্যে হালাল-হারাম সম্পর্কে সর্বাধিক জ্ঞানী।?

উত্তরঃ মুআয বিন জাবাল (রাঃ)।

৪৮০.প্রশ্নঃ বদর যুদ্ধে জনৈক সাহাবীর তরবারী ভেঙ্গে গেলে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার হাতে একটি ডাল তুলে দেন। ডালটি তরবারির কাজ করে। সাহাবীর নাম কি?

উত্তরঃ উক্কাশা বিন মেহসান (রাঃ)।

৪৮১. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তুমি দুনিয়া ও আখেরাতে আমার ভাই?

উত্তরঃ আলী বিন আবু তালেব (রাঃ)।

৪৮২. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের পূর্বে ওমরা করার অনুমতি দেন? তিনি প্রকাশ্যে তালবিয়া পড়ে মক্কা প্রবেশ করেন কিন্তু মুশরেকরা বাধা দেয়ার সাহস পায়নি।

উত্তরঃ ছুমামা বিন আছাল (আঃ)।

৪৮৩. প্রশ্নঃ কোন খলীফাকে পঞ্চম খোলাফায়ে রাশেদা বলা হয়?

উত্তরঃ উমাইয়া খলীফা ওমর বিন আবুদল আযীয (রহঃ)কে।

৪৮৪. প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন সাহাবী রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে ইসলামী অভিভাদন সালাম প্রদান করেন?

উত্তরঃ আবু যর গিফারী (রাঃ)

৪৮৫. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “প্রত্যেক নবীর একজন বিশেষ সাহায্যকারী থাকে, আমার সাহায্যকারী হচ্ছে..?

উত্তরঃ যুবাইর বিন আওয়াম (রাঃ)

৪৮৬. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে খোঁড়া শহীদ বলা হয়?

উত্তরঃ আমর বিন জামূহ (রাঃ)। কেননা তিনি খোঁড়া অবস্থায় উহুদ যুদ্ধে অংশ নিয়ে শহীদ হয়েছিলেন।

৪৮৭. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে রাস্তা দিয়ে চলতে দেখলে শয়তান অন্য রাস্তা দিয়ে চলত?

উত্তরঃ ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)।

৪৮৮. প্রশ্নঃ ওমর (রাঃ) কে ফারূক্ব নামে অভিহিত করার কারণ কি ছিল?

উত্তরঃ কেননা তাঁর ইসলাম গ্রহণের কারণে প্রকাশ্যে ইসলাম ও কুফরের মাঝে পার্থক্য সুস্পষ্ট হয়ে পড়ে।

৪৮৯. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, “হারূন যেমন মূসার স্থলাভিষিক্ত ছিলেন, তুমি আমার নিকট সেই রকম মর্যাদা সম্পন্ন, তবে আমার পরে কোন নবী নেই।”

উত্তরঃ আলী (রাঃ) কে।

৪৯০. প্রশ্নঃ ২০ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই কোন সাহাবীকে একটি যুদ্ধের সেনাপতি নিয়োগ করা হয়?

উত্তরঃ উসামা বিন যায়েদ (রাঃ)কে।

৪৯১. প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন সাহাবী কাবা ঘরে আযান প্রদান করেন?

উত্তরঃ বেলাল (রাঃ)।

৪৯২. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সবচেয়ে বেশী হাদীস বর্ণনা করেন?

উত্তরঃ আবু হুরায়রা (রাঃ)।

৪৯৩. প্রশ্নঃ আবু হুরায়রা (রাঃ) এর আসল নাম কি?

উত্তরঃ আবদুর রহমান বিন সাখার আদ্‌ দাওসী (রাঃ)।

৪৯৪. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে জিনে হত্যা করেছিল?

উত্তরঃ সাদ বিন উবাদা (রাঃ)কে।

৪৯৫. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে সর্বশ্রে কুরআন পাঠক বলা হত?

উত্তরঃ উবাই বিন কাব (রাঃ)।

৪৯৬. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীকে আবু বকর (রাঃ) কুরআন একত্রিত করার দায়িত্ব প্রদান করেন?

উত্তরঃ যায়েদ বিন ছাবেত (রাঃ)।

৪৯৭. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর পরামর্শে নবী (সাঃ) মদীনায় খন্দক খনন করেন?

উত্তরঃ সালমান ফারেসী (রাঃ)।

৪৯৮. প্রশ্নঃ কোন মহিলা সাহাবী সবচেয়ে বেশী হাদীস বর্ণনা করেন?

উত্তরঃ উম্মুল মুমেনীন আয়েশা (রাঃ)।

৪৯৯. প্রশ্নঃ জনৈক সাহাবী উহুদ যুদ্ধে শহীদ হন। কিন্তু আল্লাহর জন্যে তিনি একটি সিজদাও করার সুযোগ পাননি। তিনি কে?

উত্তরঃ আমর বিন ছাবেত বিন ক্বায়স (রাঃ)। কেননা তিনি ইসলাম গ্রহণ করেই যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন।

৫০০.প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সর্বশেষ মৃত্যু বরণ করেন?

উত্তরঃ আবু তুফাইল আমের বিন ওয়াছেলা (রাঃ)।

৫০১. প্রশ্নঃ কোন্‌ সাহাবীকে হাজ্জাজ বিন ইউসুফ মক্কায় হত্যা করেছিল?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন যুবাইর (রাঃ)।

৫০২. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী দাজ্জালকে দেখেছেন যে, সে একটি দ্বীপে বন্দী অবস্থায় রয়েছে?

উত্তরঃ তামীম বিন আওস আদ্‌দারী (রাঃ)।

৫০৩. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর আকৃতী ধারণ করে নবী (ছাঃ)এর নিকট জিবরীল ফেরেশতা নাযিল হতেন?

উত্তরঃ দেহইয়া আল কালবী (রাঃ)।

৫০৪. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী কিসরার হাতের বাদশাহী চুরি পরিধান করেন?

উত্তরঃ সুরাকা বিন মালেক (রাঃ)।

৫০৫. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী মানত করেছিলেন যে, তিনি যেন কোন মুশরিককে স্পর্শ না করেন এবং কোন মুশরিকও যেন তাকে স্পর্শ করতে না পারে?

উত্তরঃ আছেম বিন ছাবেত (রাঃ)।

৫০৬. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী গোপনে নয় বরং প্রকাশ্যে হিজরত করেছিলেন?

উত্তরঃ ওমার বিন খাত্তাব (রাঃ)।

৫০৭. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর উপাধি ছিল সাইফুল্লাহ বা আল্লাহর উন্মুক্ত তরবারী?

উত্তরঃ খালেদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)।

৫০৮. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সর্বপ্রথম আল্লাহর পথে তীর নিক্ষেপ করেন?

উত্তরঃ সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)।

৫০৯. প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন সাহাবীকে বায়তুল মালের দায়িত্ব প্রদান করা হয়?

উত্তরঃ আবু উবাইদা বিন জার্‌রাহ (রাঃ)।

৫১০. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর উপাধি ছিল এ উম্মতের আমানতদার?

উত্তরঃ আবু ঊবাইদা বিন জার্‌রাহ (রাঃ)।

৫১১. প্রশ্নঃ কোন খলীফা সর্বপ্রথম আমীরুল মুমেনীন উপাধিতে ভূষিত হন?

উত্তরঃ ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)।

৫১২. প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মদীনায় হিজরত করার পর সর্বপ্রথম যে শিশু জন্ম গ্রহণ করে তার নাম কি?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন যুবাইর (রাঃ)।

৫১৩. প্রশ্নঃ আবু বকর ও আবদুল্লাহ বিন যুবাইর (রাঃ) এর মাঝে আত্মীয়তার সম্পর্ক কিরূপ?

উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ) আবদুল্লাহ বিন যুবাইর (রাঃ) এর নানা।

৫১৪. প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন সাহাবী হিজরী সন গণনার প্রবর্তন করেন?

উত্তরঃ ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)।

৫১৫. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সর্বপ্রথম নিহত হওয়ার পূর্বে দুরাকাত নামাযের প্রচলন করেন?

উত্তরঃ খুবাইব বিন আদী (রাঃ)।

৫১৬. প্রশ্নঃ আনসারী সাহাবীদের মধ্যে সর্বপ্রথম কোন সাহাবী ইসলাম গ্রহণ করেন?

উত্তরঃ মুআয বিন আফরা (রাঃ)।

৫১৭. প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কোন সাহাবী হাবশায় (আবিসিনিয়া) হিজরত করেন?

উত্তরঃ উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)।

৫১৮. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর উপাধি ছিল আসাদুল্লাহ?

উত্তরঃ আলী বিন আবী তালিব (রাঃ)।

৫১৯. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (সাঃ) বলেন, আমার এ ছেলে নেতা, সম্ভবতঃ আল্লাহ তার মাধ্যমে মুসলমানদের বিবাদমান বড় দুটি দলের মধ্যে বিরোধ মিমাংসা করে দিবেন?

উত্তরঃ হাসান বিন আলী (রাঃ)

৫২০.প্রশ্নঃ কোন দুজন সাহাবীকে জান্নাতের যুবকদের সরদার বলা হয়েছে?

উত্তরঃ হাসান ও হুসাইন (রাঃ) কে।

৫২১. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ)এর কবর খনন করেছিলেন?

উত্তরঃ আবু তালহা (রাঃ)।

৫২২. প্রশ্নঃ কোন মহিলা সাহাবীকে আল্লাহ তাআলা জিব্রাইল (আঃ) মারফত সালাম পাঠিয়েছেন?

উত্তরঃ খাদীজা (রাঃ)।

৫২৩. প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কাকে সবচেয়ে বেশী ভালবাসতেন?

উত্তরঃ আয়েশা (রাঃ) কে।

৫২৪. প্রশ্নঃ পুরুষদের মধ্যে কাকে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সবচেয়ে বেশী ভালবাসতেন?

উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ) কে।

৫২৫. প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ)এর কোন্‌ স্ত্রী ছিলেন অধিক সিয়াম পালন কারীনী ও অধিক নফল নামায আদায় কারীনী?

উত্তরঃ হাফছা বিনতে ওমর (রাঃ)।

৫২৬. প্রশ্নঃ উহুদ যুদ্ধে জনৈক মহিলা সাহাবীর পিতা, ভাই, চাচা ও চাচাতো ভাই শহীদ হন। যখন তিনি শুনলেন নবী (সাঃ) বেঁচে আছেন, তখন বলেন তার সকল দুঃখ তুচ্ছ। সেই মহিলার নাম কি?

উত্তরঃ আসমা বিনতে ইয়াযীদ ইবনু সাকান (রাঃ)।

৫২৭. প্রশ্নঃ স্বপ্নের মাধ্যমে নির্দেশ প্রাপ্ত হয়ে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) একটি বিবাহ করেন। কে ছিলেন সেই স্ত্রী?

উত্তরঃ আয়েশা (রাঃ)।

৫২৮. প্রশ্নঃ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর কোন স্ত্রীর পবিত্রতায় পবিত্র কুরআনে ১০ টি আয়াত নাযিল হয়।

উত্তরঃ আয়েশা (রাঃ)।

৫২৯. প্রশ্নঃ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর কোন স্ত্রীকে আল্লাহ তাআলা জিবরীল (আঃ) মারফত সালাম দিয়েছেন?

উত্তরঃ খাদীজা (রাঃ)

৫৩০. প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)একদা তাঁর জনৈক স্ত্রীকে তালাক প্রদান করেন। তখন জিবরীল (আঃ) এসে তাঁকে বলেন, আপনি তাকে ফিরিয়ে নিন। কেননা তিনি অধিক ছিয়াম পালনকারীনী এবং অধিক নফল নামায আদায় কারীনী। আর তিনি জান্নাতে আপনার স্ত্রী। তাঁর নাম কি?

উত্তরঃ হাফছা বিনতে ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)

৫৩১. প্রশ্নঃ নবী (সাঃ)এর কন্যা যায়নাব মৃত্যু বরণ করলে জনৈক মহিলা সাহাবী তাকে গোসল দেন। সেই মহিলার নাম কি?

উত্তরঃ উম্মে আত্বিয়্যা আনসারী (রাঃ)।

৫৩২. প্রশ্নঃ কোন সেই সৌভাগ্যবান সাহাবী যার ইমামতিতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নামায আদায় করেছেন?

উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ)।

৫৩৩. প্রশ্নঃ আবু বকর ব্যতীত আরেকজন সৌভাগ্যবান সাহাবী আছেন যার ইমামতিতে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নামায আদায় করেছেন। কে তিনি?

উত্তরঃ আবদুর রহমান বিন আউফ (রাঃ)।

৫৩৪. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী বদর যুদ্ধে নিজ পিতা মুশরিক হওয়ার কারণে তাকে হত্যা করেন?

উত্তরঃ আবু উবাইদা ইবনুল জার্‌রাহ (রাঃ)।

৫৩৫. প্রশ্নঃ কোন মহিলা সাহাবীকে দুই শহীদের মাতা বলা হয়? তিনি মৃত্যু বরণ করলে রাসূল (সাঃ) নিজের জামা দ্বারা কাফন পরান এবং নিজে তাকে কবরে রাখেন।

উত্তরঃ ফাতেমা বিনতে আসাদ (রাঃ)

৫৩৬. প্রশ্নঃ রাসূল (সাঃ)এর মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে কে সর্বপ্রথম মৃত্যু বরণ করেন?

উত্তরঃ যায়নাব বিনতে জাহাশ (রাঃ)।

৫৩৭. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ)এর দশ বছর খেদমত করেন?

উত্তরঃ আনাস বিন মালেক (রাঃ)।

৫৩৮. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর জন্য নবী (সাঃ) দুআ করেছিলেন, “হে আল্লাহ তার ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি বাড়িয়ে দাও এবং তাতে বরকত প্রদান কর।”?

উত্তরঃ আনাস বিন মালেক (রাঃ)।

৫৩৯. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী নবী (সাঃ)এর ওহী লিখক ছিলেন এবং আত্মীয়তার দিক থেকে তাঁর শ্যালক ছিলেন?

উত্তরঃ মুআবিয়া বিন আবু সুফিয়ান (রাঃ)।

৫৪০. প্রশ্নঃ কোন সাহাবীর জান্নাতী স্ত্রীকে নবী (সাঃ) জান্নাতে দেখে এসেছেন?

উত্তরঃ ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)।

৫৪১. প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ৬৩ বয়সে মৃত্যু বরণ করেন। সাহাবীদের মধ্যে কে কে এই বয়সে মৃত্যু বরণ করেছিলেন?

উত্তরঃ আবু বকর, ওমর ও আলী (রাঃ)।

৫৪২. প্রশ্নঃ একজন মহিলা সাহাবী- দুবার হিজরত করেন, দুই ক্বিবলার দিকে নামায পড়েন, কেউ মারা গেলে নিজে তার গোসল দেন, নবীজীর সাথে বিদায় হজ্জে বের হয়ে রাস্তায় সন্তান প্রসব করেন। তাঁর নাম কি?

উত্তরঃ আসমা বিনতে উমাইস (রাঃ)।

৫৪৩. প্রশ্নঃ উহুদ যুদ্ধে কোন সাহাবীকে তীরন্দাজ বাহীনীর নেতৃত্ব দেয়া হয়?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন জুবাইর আনছারী (রাঃ)।

৫৪৪. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী কাদেসিয়ার যুদ্ধে সেনাপতি ছিলেন?

উত্তরঃ সাদ বিন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ)।

৫৪৫. প্রশ্নঃ রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কন্যা যায়নাবের (রাঃ) স্বামী কে ছিলেন?

উত্তরঃ আবুল আস বিন রাবী (রাঃ)।

৫৪৬. প্রশ্নঃ কোন সেই সাহাবী যিনি রাসূল (স.)এর দুকন্যা প্রথমে রুকাইয়্যা ও পরে উম্মে কুলছুমের (রাঃ) জামাতা ছিলেন?

উত্তরঃ উছমান বিন আফ্‌ফান (রাঃ)।

৫৪৭. প্রশ্নঃ মক্কা বিজয়ের দিন নবী (স.) কারে হাতে কাবা ঘরের চাবি দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ উছমান বিন ত্বলহা (রাঃ)।

৫৪৮. প্রশ্নঃ কোন সাহাবী সম্পর্কে নবী (স.) বলেন, তার পদযুগল ক্বিয়ামতের দিবসে উহুদ পাহাড়ের চাইতে অধিক ভারী হবে?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ)।

৫৪৯. প্রশ্নঃ যে সাহাবী প্রথম আযান দেয়ার পদ্ধতি শিখেছিলেন তাঁর নাম কি?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন যায়দ ইবনে আব্দে রাব্বেহী (রাঃ)।

৫৫০.প্রশ্নঃ উম্মতে মুহাম্মাদীর মধ্যে সব চাইতে করুণাশীল ব্যক্তি কে ছিলেন?

উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ)।

৫৫১. প্রশ্নঃ কোন নারী জান্নাত বাসীদের রমনীদের সর্দার?

উত্তরঃ ফাতিমা (রাঃ)।

৫৫২. প্রশ্নঃ জনৈক ব্যক্তি নবী (স.)এর চাচা হামযা (রাঃ)কে উহুদ যুদ্ধে শহীদ করেন। পরবর্তিতে তিনি মুসলমান হয়ে যান। কিন্তু তিনি যখনই নবী (সাঃ)এর সম্মুখে আসতেন তিনি বলতেন: তোমাকে দেখলেই চাচা হামযার কথা আমার মনে এসে যায়, তাই তুমি আমার সামনে এসো না। সেই ব্যক্তির নাম কি?

উত্তরঃ ওয়াহশি (রাঃ)

৫৫৩. প্রশ্নঃ জনৈক সাহাবী যাতু সালাসেল যুদ্ধে কোন এক কারণে নাপাক হয়ে যান। কিন্তু পানি ভীষণ ঠান্ডা হওয়ার কারণে তিনি গোসল না করে তায়াম্মুম করেন এবং দলীল পেশ করেন যে, আল্লাহ বলেনঃ “তোমরা নিজেদেরকে হত্যা করো না।” (সূরা নিসাঃ ২৯)। নবী (স.) তাঁর এই ঘটনা শুনে হেঁসেছেন কিন্তু কোন মন্তব্য করেন নি। (আবু দাউদ) উক্ত সাহাবীর নাম কি?

উত্তরঃ আমর বিন আস (রাঃ)।

৫৫৪. প্রশ্নঃ কোন মহিলা সাহাবীকে কুরআনের প্রহরী হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে?

উত্তরঃ হাফসা বিনতে ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)

Developed by


প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (স.) এর জীবনী

 
ইসলামিক
সাধারণ
জ্ঞান
প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (স.) এর জীবনী
237. প্রশ্নঃ আমাদের প্রিয় নবীজীর নাম কি?

উত্তরঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।

238. প্রশ্নঃ তাঁর পিতা- মাতা ও দাদার নাম কি?

উত্তরঃ পিতাঃ আবদুল্লাহ, মাতাঃ আমেনা, দাদাঃ আবদুল মুত্তালিব।

239. প্রশ্নঃ তাঁর দুধমাতার নাম কি?

উত্তরঃ প্রথম দুধমাতা ছুওয়াইবা (আবু লাহাবের কৃতদাসী) তারপর হালিমা সাদিয়া (রাঃ)।

240. প্রশ্নঃ আমাদের প্রিয় নবীজীর নাম কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ পাঁচটি। মুহাম্মাদ, আহমাদ, মাহী, হাশের, আক্বেব (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। (বুখারী)

241. প্রশ্নঃ তিনি কখন জন্মলাভ করেন?

উত্তরঃ ৯ই রবিউল আওয়াল। মতান্তরে ১২ই রবিউল আওয়াল সোমবার দিন। ৫৭০ মতান্তরে ৫৭১খৃঃ। হস্তি বছর।

242. প্রশ্নঃ জন্মলাভের পর কে তাঁর লালন-পালনের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন?

উত্তরঃ দাদা আবদুল মুত্তালিব।

243. প্রশ্নঃ কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নাম মুহাম্মাদ রাখেন?

উত্তরঃ দাদা আবদুল মুত্তালিব।

244. প্রশ্নঃ নবীজীর কত বছর বয়সে তাঁর পিতা-মাতা ইন্তেকাল করেন?

উত্তরঃ তাঁর জন্মের পূর্বে পিতা এবং তাঁর বয়স ৬ বছর হলে মাতা ইন্তেকাল করেন।

245. প্রশ্নঃ নবীজীর কত বছর বয়সে তাঁর দাদা আবদুল মুত্তালেব ইন্তেকাল করেন?

উত্তরঃ তখন তাঁর বয়স ৮ বছর।

246. প্রশ্নঃ দাদা আবদুল মুত্তালেব ইন্তেকাল করার পর কে তাঁর লালন-পালনের দায়িত্ব নেন?

উত্তরঃ চাচা আবু তালেব।

247. প্রশ্নঃ নবীজী কত বছর বয়সে চাচা আবু তালেবের সাথে শাম দেশ (সিরিয়া) সফর করেন?

উত্তরঃ ১২ বছর বয়সে।

248. প্রশ্নঃ কৈশরে নবীজী কি কাজ করতেন?

উত্তরঃ অল্প বেতনে মক্কাবাসীদের ছাগল চরানোর কাজ করতেন।

249. প্রশ্নঃ কৈশরে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পিতৃব্যদের সাথে একটি যুদ্ধে অংশ নেন। যুদ্ধটির নাম কি?

উত্তরঃ হারবুল ফুজ্জার।

250. প্রশ্নঃ হিলফুল ফযূল কি?

উত্তরঃ মক্কার সম্মানিত লোকেরা অত্যাচারিতের সাহায্য করার জন্য একটি চুক্তি সম্পাদন করে তাকে হিলফুল ফযূল বলা হয়। নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পিতৃব্যদের সাথে এই চুক্তিতে অংশ গ্রহণ করেন।

251. প্রশ্নঃ নবূওতের পূর্বে নবীজীর একটি বিচক্ষণতা পূর্ণ ফায়সালার বিবরণ দাও?

উত্তরঃ তাঁর বয়স ৩৫ বছর। সে সময় কাবা সংস্করণ করা হয়। শেষে কে হজরে আসওয়াদ স্থাপন করে সম্মানিত হবে এনিয়ে মক্কার লোকেরা বিবাদে লিপ্ত হলে নবীজী তাদের মাঝে মিমাংসা করে দেন। একটি চাদরে পাথরটি রেখে সকল গোত্রের প্রধানদের তার কিনারা ধরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন এবং তিনি নিজ হাতে পাথরটি স্থাপন করেন। এতে সবাই খুশি হয়।

252. প্রশ্নঃ যুবক বয়সে নবীজী কি কাজ করতেন?

উত্তরঃ ব্যবসা।

253. প্রশ্নঃ তিনি কখন কার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন?

উত্তরঃ তাঁর বয়স যখন ২৫ বছর তখন খাদিজা (রাঃ) এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। সে সময় খাদিজার বয়স ছিল ৪০।

254. প্রশ্নঃ তাঁর কতজন স্ত্রী ছিলেন? তাঁদের নাম কি?

উত্তরঃ ১১ জন। তাঁরা হচ্ছেনঃ
1- খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ
2- সাওদা বিনতে যামআ
3- আয়েশা বিনতে আবু বকর
4- যায়নাব বিনতে খুযায়মা (উম্মুল মাসাকীন)
5- হাফছা বিনতে ওমর বিন খাত্তাব
6- যায়নাব বিনতে জাহাশ
7- উম্মু সালামা হিন্দ বিনতে আবী উমাইয়া
8- জুআইরিয়া বিনতে হারেছ
9- ছাফিয়া বিনতে হুওয়াই বিন আখতাব
10- মায়মূনা বিনতে হারেছ
11- উম্মে হাবীবা রামলা বিনতে আবী সুফিয়ান। (রাঃ)

255. প্রশ্নঃ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সর্বপ্রথম ও সর্বশেষ স্ত্রীর নাম কি?

উত্তরঃ সর্ব প্রথম স্ত্রী ছিলেন, খাদিজা (রাঃ) এবং সর্বশেষে যাকে বিবাহ করেছিলেন তিনি ছিলেন, মায়মূনা বিনতে হারেছ (রাঃ)।

256. প্রশ্নঃ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর একমাত্র কুমারী স্ত্রী কে ছিলেন?

উত্তরঃ আয়েশা (রাঃ)

257. প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ)এর কতজন সন্তান ছিলেন?

উত্তরঃ ৭ জন। কাসেম, আবদুল্লাহ, যায়নাব, উম্মু কুলছুম, রুকাইয়া, ফাতেমা ও ইবরাহীম (রাঃ)।

258. প্রশ্নঃ নবীজীর নাতী-নাতনীর সংখ্যা কত ছিল?

উত্তরঃ ৭ জন। যায়নাবের সন্তান দুজনঃ আলী ও উমামা। রুকাইয়্যার সন্তান একজনঃ আবদুল্লাহ (শিশুবস্থায় তিনি মৃত্যু বরণ করেন) ফাতিমার সন্তান চার জনঃ হাসান, হুসাইন, উম্মে কুলছুম, যায়নাব।

259. প্রশ্নঃ কতবার এবং কখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর বক্ষ বিদীর্ণ করা হয়?

উত্তরঃ দুবার। একবার শিশুকালে চার বছর বয়সে এবং দ্বিতীয়বার মেরাজে যাওয়ার সময়।

260. প্রশ্নঃ নবুওতের পূর্বে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিভাবে ইবাদত করতেন?

উত্তরঃ ইবরাহীম (আঃ) এর দ্বীন অনুসারে ইবাদত করতেন।

261. প্রশ্নঃ কোন পাহাড়ের কোন গুহায় নবীজী ধ্যানমগ্ন থাকতেন?

উত্তরঃ নূর পাহাড়ের হেরা গুহায়।

262. প্রশ্নঃ কত বছর বয়সে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর উপর ওহী নাযিল হয়?

উত্তরঃ ৪০ বছর ৬ মাস ১২ দিন।

263. প্রশ্নঃ কখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর উপর ওহী নাযিল হয়?

উত্তরঃ ২১ রামাযানের রাতে সোমবার। ১০ আগস্ট ৬১০ খৃষ্টাব্দ।

264. প্রশ্নঃ গারে হেরা থেকে ফিরে এলে স্ত্রী খাদিজা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে নিয়ে কার কাছে গমণ করেন এবং তিনি কি বলেন?

উত্তরঃ ওরাকা বিন নওফলের নিকট। তিনি বলেন, ইনি এ উম্মতের নবী।

265. প্রশ্নঃ নবুওত লাভের পর নবীজী কিভাবে মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দিতেন?

উত্তরঃ গোপনে।

266. প্রশ্নঃ সাহাবীদের সাথে গোপনে কোথায় মিলিত হতেন?

উত্তরঃ আরকাম বিন আবুল আরকামের গৃহে।

267. প্রশ্নঃ গোপন দাওয়াতের সময় কাল কত বছর ছিল?

উত্তরঃ ৩ বছর।

268. প্রশ্নঃ মক্কী জীবনের দাওয়াতী কাজ কয়টি পর্যায়ে বিভক্ত ছিল? প্রত্যেক পর্যায়ের সময়কাল কত ছিল?

উত্তরঃ ৩টি পর্যায়ে।

ক) গোপন দাওয়াত প্রথম তিন বছর।
খ) মক্কাবাসীদের মাঝে প্রকাশ্যে দাওয়াত। নবুওতের ৪র্থ বছর থেকে ১০ম বছর পর্যন্ত।
গ) মক্কার বাইরে দাওয়াত। নবুওতের ১০ম বছরের শেষ সময় থেকে হিজরতের পূর্ব পর্যন্ত।
269. প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম কারা ইসলাম গ্রহণ করেন?

উত্তরঃ সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন:
নারীদের মধ্যে খাদীজা (রাঃ)
পুরুষদের মধ্যে আবু বকর (রাঃ)
বালকদের মধ্যে আলী (রাঃ)
ক্রীতদাসদের মধ্যে যায়দ বিন হারেছা (রাঃ)

270. প্রশ্নঃ কাফের হওয়া সত্বেও দাওয়াতী কাজে কে নবীজীকে সহযোগিতা করেন?

উত্তরঃ চাচা আবু তালেব।

271. প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম মুসলমানগণ কোথায় হিজরত করেন এবং কখন?

উত্তরঃ নবুওতের ৫ম বর্ষে সর্বপ্রথম মুসলমানগণ হাবশায় (বর্তমানে আফ্রিকার ইথিউপিয়া নামক দেশ) হিজরত করেন।

272. প্রশ্নঃ আবিসিনয়া বা হাবশার দ্বিতীয় হিজরতে কতজন পুরুষ ও কতজন নারী ছিলেন?

উত্তরঃ ৮৩ জন পুরুষ ও ১৯ জন নারী ছিলেন।

273. প্রশ্নঃ কেন সেই দেশে হিজরত করার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীদেরকে পরামর্শ দেন?

উত্তরঃ কেননা সেখানকার বাদশা নাজ্জাশী ন্যায় পরায়ন ও দয়ালু লোক ছিলেন।

274. প্রশ্নঃ কোথায় কতদিন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে বয়কট করে রাখা হয়েছিল?

উত্তরঃ নবুওতের ৭ম থেকে ১০ম বছর পর্যন্ত ৩ বছর শেবে আবী তালেবে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বয়কট করে রাখা হয়েছিল।

275. প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নবুওতী জীবনের কোন সময়কে আমুল হুযন বা দুশ্চিন্তার বছর বলা হয়?

উত্তরঃ ১০ম বছরকে। সে বছর তাঁর জীবন সঙ্গীনী খাদিজা (রাঃ) ও তাঁকে সহযোগিতাকারী আবু তালেব মৃত্যু বরণ করেন। আর তখন থেকেই নেমে আসে তাঁর প্রতি অবর্ণনীয় নির্যাতন।

276. প্রশ্নঃ কোন কোন কাফের রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে সবচেয়ে বেশী কষ্ট দিয়েছিল?

উত্তরঃ আবু লাহাব, আবু জাহেল, উক্ববা বিন আবী মুআইত্ব, ওতবা, শায়বা, উমাইয়া বিন খালাফ।

277. প্রশ্নঃ একজন কাফের রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে খুবই কষ্ট দিত। তার ধ্বংসের জন্য তার নামে কুরআনে একটি সূরা নাযিল হয়। ঐ কাফেরের নাম কি এবং সূরাটির নাম কি?

উত্তরঃ কাফেরের নামঃ আবু লাহাব। সূরাটির নামঃ সূরা লাহাব।

278. প্রশ্নঃ নবীজী কখন মেরাজে গমণ করেন ?

উত্তরঃ নবুওতের ১০ম বছরে।

279. প্রশ্নঃ আক্বাবার প্রথম বায়আত কখন অনুতি হয়?

উত্তরঃ নবুওতের ১১তম বছরে।

280. প্রশ্নঃ আক্বাবার প্রথম বায়আতে কোন্‌ গোত্র থেকে কতজন লোক অংশ নিয়েছিলেন?

উত্তরঃ মদীনার আওস ও খাজরায গোত্রের ১২ জন লোক।

281. প্রশ্নঃ আক্বাবার দ্বিতীয় বায়আত কখন অনুতি হয়?

উত্তরঃ নবুওতের ১২তম বছরে মিনায় আক্বাবার দ্বিতীয় বায়আত অনুতি হয়।

282. প্রশ্নঃ এই বায়আতে কতজন লোক অংশ নিয়েছিলেন?

উত্তরঃ মদীনার আওস ও খাজরায গোত্রের ৭৩ জন পুরুষ ও ২ জন নারী এতে অংশ নিয়েছিলেন।

283. প্রশ্নঃ নবীজী নবুওতের কত বছর মক্কায় অতিবাহিত করেন?

উত্তরঃ ১৩ বছর।

284. প্রশ্নঃ নবীজী কত বছর মদীনায় কাটান?

উত্তরঃ ১০ বছর।

285. প্রশ্নঃ কখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে হিজরতের আদেশ করা হয়?

উত্তরঃ মক্কার কুরায়শগণ দারুন্নদওয়ায় বসে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যে তারা একযোগে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে হত্যা করবে। তখন আল্লাহ তাকে মক্কা পরিত্যাগ করার নির্দেশ প্রদান করেন।

286. প্রশ্নঃ নবীজী কখন মক্কা ছেড়ে মদীনায় হিজরত করেন?

উত্তরঃ ছফর মাস ১ম হিঃ। ৬২২ খৃষ্টাব্দ।

287. প্রশ্নঃ হিজরতের পূর্বে নবীজী কাকে তাঁর বিছানায় শায়িত রেখে গিয়েছিলেন?

উত্তরঃ আলী (রাঃ)কে।

288. প্রশ্নঃ নবীজীর হিজরতের সময় সফর সঙ্গী কে ছিলেন?

উত্তরঃ আবু বকর (রাঃ)।

289. প্রশ্নঃ হিজরতের সময় তিনি কোন গুহায় কত দিন আত্মগোপন করেন?

উত্তরঃ গারে ছাওরে। তিন দিন।

290. প্রশ্নঃ হিজরতের সময় নবীজী রাস্তা দেখানোর জন্য একজন কাফেরকে পথপ্রদর্শক হিসেবে ভাড়া করে ছিলেন। তার নাম কি?

উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন উরাইকাত।

291. প্রশ্নঃ নবীজীকে ধরিয়ে দেয়ার জন্য কাফেরগণ কি পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছিল?

উত্তরঃ ১০০ উট।

292. প্রশ্নঃ নবীজীর উটনীর নাম কি ছিল?

উত্তরঃ কাছওয়া।

293. প্রশ্নঃ নবীজী কখন মদীনায় পৌঁছেন?

উত্তরঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবু বকর (রাঃ) সোমবার দিন ৮ রবিউল আওয়াল প্রথম মদীনার কুবায় পৌঁছেন।

294. প্রশ্নঃ নবীজি কখন মদীনায় প্রবেশ করেন?

উত্তরঃ ১২ই রবিউল আওয়াল। শুক্রবার দিন।

295. প্রশ্নঃ নবীজী মদীনায় গিয়ে কার বাড়িতে অবস্থান করেন?

উত্তরঃ আবু আইয়্যুব আনছারীর (রাঃ) বাড়িতে।

296. প্রশ্নঃ নবীজী সর্বপ্রথম কোন মসজিদটি নির্মাণ করেন?

উত্তরঃ মসজিদে কূবা।

297. প্রশ্নঃ মদীনায় গিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্থানীয় ইহুদীদের সাথে একটি চুক্তি সম্পাদন করেন। ইসলামের ইতিহাসে এটাকে কি নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে?

উত্তরঃ মদীনার সনদ।

298. প্রশ্নঃ নবীজী কতবার ওমরা করেন?

উত্তরঃ চার বার।

299. প্রশ্নঃ নবীজী কতবার হজ্জ করেন?

উত্তরঃ একবার। বিদায় হজ্জ ১০ম হিজরী।

300. প্রশ্নঃ বিদায় হজ্জে কতজন লোক নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সাথে হজ্জ করেছেন?

উত্তরঃ ১ লক্ষ লোক। অন্য বর্ণনায় ১ লক্ষ ৪৪ হাজার।

301. প্রশ্নঃ নবীজী কতটি রামাযান রোযা রাখেন?

উত্তরঃ নয়টি রামাযান।

302. প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখন মৃত্যু বরণ করেন?

উত্তরঃ ১২ই রবিউল আওয়াল। সোমবার। ১১ হিজরী।

303. প্রশ্নঃ মৃত্যুর সময় নবীজীর বয়স কত ছিল?

উত্তরঃ ৬৩ বছর।

304. প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে কোথায় দাফন করা হয়েছে?

উত্তরঃ তাঁর নিজ গৃহে তথা আয়েশা (রাঃ) এর গৃহে।

305. প্রশ্নঃ নবীজীর নামাযে জানাযা কে পড়িয়েছে?

উত্তরঃ নির্দিষ্টভাবে কোন ইমাম ছিল না। এককভাবে লোকেরা আয়েশা (রাঃ)এর গৃহে প্রবেশ করেন এবং জানাযা পড়েন।

Developed by


বিষয়: হজ্জ

 
ইসলামিক
সাধারণ
জ্ঞান
বিষয়: হজ্জ
708. প্রশ্নঃ হজ্জ ইসলামের কততম স্তম্ব?

উত্তরঃ হজ্জ ইসলামের চতুর্থতম স্তম্ব।

709. প্রশ্নঃ হজ্জ কাকে বলে?

উত্তরঃ নিদৃষ্ট নিয়মে, নিদির্ষ্ট সময়ে, কতগুলো কার্যাবলীর মাধ্যমে কা’বা শরীফ ও অন্যান্য নিদির্ষ্ট স্থান প্রদক্ষিণ করাকে হজ্জ বলে।

710. প্রশ্নঃ হজ্জের মূলসময় কখন?

উত্তরঃ জিলহজ্জ মাসের ৮ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত।

711. প্রশ্নঃ হজ্জ কাদের জন্য ফরজ?

উত্তরঃ যার নিকট মক্কা শরীফ থেকে হজ্জ করে ফিরে আসা পর্যন্ত পরিবারের আবশ্যকীয় খরচ বাদে মক্কা শরীফ যাতায়াতের মোটামুটি খরচ পরিমাণ অর্থ থাকে তার উপর হজ্জ ফরয।

712. প্রশ্নঃ হজ্জের ফরজ কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ হজ্জের ফরজ ৩টি। যথাঃ
১. ইহরাম বাঁধা।
২. আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা।
৩. ঊায়তুল্লাহ-এর তাওয়াফে জিয়ারত করা।

712. প্রশ্নঃ হজ্জের ওয়াজিব কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ হজ্জের ওয়াজিব ৭টি। যথাঃ
১. মীকাত হতে ইহরাম বাঁধা।
২. আরাফার ময়দানে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করা।
৩. মুজদালিফার প্রান্তরে রাত যাপন করা।
৪. আইয়্যামে তাশরীকের রাতগুলো মিনায় কাটানো।
৫. মাথা মুন্ডানো বা পূর্ণমাথার সমস্ত চুলের আগা কেটে ফেলা।
৬. তিন জামরায় পাথর নিক্ষেপ করা।
৭. বিদায়ী তাওয়াফ করা।

713. প্রশ্নঃ ইহরাম বাঁধার স্থানকে কি বলে?

উত্তরঃ ইহরাম বাঁধার স্থানকে মীকাত বলে।

714. প্রশ্নঃ বাংলাদেশীদের জন্য মীকাত কোনটি?

উত্তরঃ ইয়ালামলাম নামক স্থান।

715. প্রশ্নঃ হাজীরা পাথর নিক্ষেপ করে কোথায়?

উত্তরঃ জামারাতে।

716. প্রশ্নঃ আরাফায় অবস্থান করাকে কি বলে?

উত্তরঃ উকুফে আরাফা বলে।

717. প্রশ্নঃ পাথর নিক্ষেপ করা হাজীদের জন্য কি ধরনের কাজ?

উত্তরঃ ওয়াজিব কাজ।

718. প্রশ্নঃ ইহরাম থেকে হাজীরা মুক্তি লাভ করে কোন তারিখে?

উত্তরঃ ১০ই জিলহজ্জ।

719. প্রশ্নঃ হজ্জের সময় কোন পর্বতের মধ্যে কতবার দৌঁড়াতে হয়?

উত্তরঃ সাফা ও মারওয়া পর্বতের মধ্যে সাত বার দৌঁড়াতে হয়।

720. প্রশ্নঃ হজ্জের সময় কোথায় কুরবানী দিতে হয়?

উত্তরঃ মিনায়।

721. প্রশ্নঃ কোথায় হাজীরা উম্মুক্ত আকাশের নিচে রাত যাপন করে?

উত্তরঃ মুজদালিফায়।

722. প্রশ্নঃ হজ্জের মীকাত কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ হজ্জের মীকাত ৫টি। যথাঃ
১. যুলহুলায়ফা।
২. যাতে ইরাক।
৩. যুহফাহ।
৪. কারনুল মানাযেল।
৫. ইয়ালামলাম।

723. প্রশ্নঃ হজ্জ কত প্রকার ও কি কি?

উত্তরঃ হজ্জ তিন প্রকার। যথাঃ
১. ইফরাদ।
২. তামাত্তু।
৩. কিরাণ।

724. প্রশ্নঃ উমরার জন্য নির্দিষ্ট কোন তারিখ আছে কি না?

উত্তরঃ না উমরার জন্য নির্দিষ্ট কোন তারিখ নেই। তবে জিলহজ্জ মাসের ৯ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত এই পাঁচ দিন উমরা করা যায় না।

725. প্রশ্নঃ আশহুরে হজ্জ বলতে কোন কোন মাসকে বুঝানো হয়?

উত্তরঃ শাওয়াল, যিলকাদ, যিলহজ্জ মাসকে বুঝানো হয়।

726. প্রশ্নঃ বিদায় হজ্জের ভাষণ মহানবী (সাঃ) কোথায় দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ আরাফার ময়দানে।

727. প্রশ্নঃ বিদায়ী তাওয়াফ কোন শ্রেণীর হাজীদের জন্য করতে হয়?

উত্তরঃ বহিরাগত হাজীদের জন্য।

728. প্রশ্নঃ একই ইহরামে উমরা ও হজ্জ করাকে কি বলে?

উত্তরঃ হজ্জে কিরান বলে।

729. প্রশ্নঃ জান্নাতুল বাকি কি?

উত্তরঃ মদীনা শরীফের একটি গোরস্থান।

730. প্রশ্নঃ শয়তানকে কংকর নিক্ষেপের ও কুরবানী করার স্থান কোথায়?

উত্তরঃ মীনা প্রান্তরে।

731. প্রশ্নঃ আরাফার ময়দান কোথায় অবস্থিত?

উত্তরঃ মক্কা শরীফ হতে ৮/৯ মাইল দূরে।

732. প্রশ্নঃ কোন পাহাড়কে জাবালে রহমত বলা হয়?

উত্তরঃ আরাফার ময়দান সন্নিহিত সেই পাহাড়কে, যেখানে দাড়িয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিদায় হজ্জের ভাষণ দিয়েছিলেন।

733. প্রশ্নঃ বর্তমানে হাজরে আসওয়াদ কোথায় আছে?

উত্তরঃ পবিত্র কাবা গৃহের দক্ষিণ-পূর্ব কোণের দেয়ালে গাঁথা অবস্থায় রক্ষিত আছে।

734. প্রশ্নঃ তাওয়াফ কত প্রকার ও কি কি?

উত্তরঃ তাওয়াফ ৪ প্রকার। যথাঃ
১. তাওয়াফে কুদুম।
২. তাওয়াফে যিয়ারত।
৩. তাওয়াফে বিদা।
৪. তাওয়াফে উমরা।

735. প্রশ্নঃ কোন স্থান থেকে কিভাবে তাওয়াফ শুরু করতে হয়?

উত্তরঃ হাজরে আসওয়াদ থেকে তাওয়াফ শুরু করতে হয় এবং খানায়ে কা’বা বাম পাশে রেখে সামনে অগ্রসর হতে হয়।

736. প্রশ্নঃ ইজতিবা কাকে বলে?

উত্তরঃ গায়ের চাদরকে ডান বগলেন নীচ দিয়ে ডান কাঁধ খালি রেখে বাম কাঁধের ওপর চাদরের দু’মাথা ফেলাকে ইযতিবা বলে।

737. প্রশ্নঃ কোন কোন তাওয়াফে ইযতিবা করতে হয়?

উত্তরঃ যে সমস্ত তাওয়াফের পর সাঈ আছে।

738. প্রশ্নঃ হাজরে আসওয়াদ কি?

উত্তরঃ হাজরে আসওয়াদ সেই বেহেশতী পাথর যাতে চুম্বন করলে তা সমস্ত গুনাহ চুষে নেয়।

739. প্রশ্নঃ কোন পাথরকে মাকামে ইবরাহীম বলে?

উত্তরঃ হযরত ইবরাহীম (আঃ) এর কদম মুবারকের চি‎হ্নিত সেই পাথরকে যার উপর দাঁড়িয়ে তিনি কা’বা ঘর নির্মাণ করেছিলেন।

740. প্রশ্নঃ হজ্বের কোন ফরয অনাদায় থাকলে হজ্জ হবে কি?

উত্তরঃ না। হজের একটি ফরজও অনাদায় থাকলে আদৌ হজ্জ হবে না।

741. প্রশ্নঃ ‘হাতীম’ কাকে বলে?

উত্তরঃ কা‘বা ঘরের উত্তর দিকের অর্ধ-চন্দ্রাকৃতি দেয়াল ঘেরা বারান্দাকে হাতীম বলে।

742. প্রশ্নঃ গারে-হেরা কি?

উত্তরঃ মক্কার অনতিদূরে অবস্থিত ‘হেরা’ নামক পর্বতের একটি গুহা। এখানে হুযূর (সাঃ) ধ্যান-মগ্ন অবস্থায় অনেকদিন কাটিয়েছেন এবং এখানেই তাঁর উপর সর্বপ্রথম ‘ওহী’ নাযিল হয়।

743. প্রশ্নঃ হাজ্জ ইসলামের কয় নম্বর রুকন?

উত্তরঃ ৫ নম্বর।

744. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন্‌ সূরার কত নং আয়াতে হাজ্জ ফরযের কথা উল্লেখ হয়েছে?

উত্তরঃ সূরা আলে ইমরান ৯৭ নং আয়াত।

745. প্রশ্নঃ কত হিজরী সনে হাজ্জ ফরয হয়?

উত্তরঃ ৯ম অথবা ১০ হিজরী।

746. প্রশ্নঃ হাজ্জ কত প্রকার ও কি কি?

উত্তরঃ হাজ্জ তিন প্রকারঃ তামাত্তু, ক্বিরাণ ও ইফরাদ।

747.প্রশ্নঃ কোন হাজ্জে কুরবানী আবশ্যক নয়?

উত্তরঃ ইফরাদ হাজ্জে।

748. প্রশ্নঃ তামাত্তু হজ্জ কাকে বলে?

উত্তরঃ প্রথমে ওমরা তারপর হাজ্জ- আলাদা আলাদা ইহরামে করাকে তামাত্তু হাজ্জ বলে।

749. প্রশ্নঃ ক্বিরাণ হাজ্জ কাকে বলে?

উত্তরঃ একই ইহরামে হাজ্জ ও ওমরা করাকে।

750. প্রশ্নঃ ইফরাদ হাজ্জ কাকে বলে?

উত্তরঃ ওমরা না করে শুধু হাজ্জ করাকে।

751. প্রশ্নঃ ইহরামের উদ্দেশ্যে গোসল করার হুকুম কি?

উত্তরঃ সুন্নাত।

752. প্রশ্নঃ শুধুমাত্র ইহরামের নিয়তে দুরাকাত নামায আদায় করার হুকুম কি?

উত্তরঃ বিদআত।

753. প্রশ্নঃ ইহরাম অবস্থায় ইজতেবা কাকে বলে?

উত্তরঃ ইহরামের কাপড়কে ডান বগলের নীচ দিয়ে নিয়ে বাম কাঁধের উপর রাখা এবং ডান কাঁধ খোলা রাখা।

754.প্রশ্নঃ হাজ্জ-ওমরার জন্য ইহরাম বাঁধার বিধান কী?

উত্তরঃ রুকন।

755. প্রশ্নঃ মীক্বাত বলতে কি বুঝায়?

উত্তরঃ হাজ্জ-ওমরার উদ্দেশ্যে যে স্থান থেকে ইহরাম বাঁধতে হয় তাকে মীক্বাত বলে।

756.প্রশ্নঃ ইহরামের কাপড় দুটি সাদা হওয়ার বিধান কি?

উত্তরঃ সুন্নাত।

757. প্রশ্নঃ ইজতেবা কখন করা সুন্নাত?

উত্তরঃ তওয়াফ শুরু করার সময়।

758. প্রশ্নঃ ইহরাম অবস্থায় কোন কাজটি হারামঃ আতর ব্যবাহার করা? গোসল করা? মেসওয়াক করা?

উত্তরঃ আতর ব্যবহার।

759. প্রশ্নঃ ইহরাম অবস্থায় কোন কাজটি হারামঃ শরীর চুলকানো/ মাথা আঁচড়ানো/, মাথা ঢাকা?

উত্তরঃ মাথা ঢাকা।

760. প্রশ্নঃ ইহরাম অবস্থায় হারামঃ সেলাই করা কাপড় পরা/ সেলাই বিহীন রঙ্গিন কাপড় পরা/, গামছা ব্যবহার করা?

উত্তরঃ সেলাই করা কাপড় পরা।

761. প্রশ্নঃ হাজ্জের রুকন হচ্ছেঃ যমযম পানি পান/ সাফা-মারওয়া সাঈ/ কঙ্কর নিক্ষেপ?

উত্তরঃ সাফা-মারওয়া সাঈ।

762. প্রশ্নঃ হাজ্জের রুকন হচ্ছেঃ আরাফাতে অবস্থান/, মুযদালিফায় অবস্থান/, মাথা মুন্ডন?

উত্তরঃ আরাফাতে অবস্থান।

763. প্রশ্নঃ হাজ্জের রুকন হচ্ছেঃ হজরে আসওয়াদ চুম্বরন করা/, তওয়াফ/, মাক্বামে ইবরাহীমে নামায আদায়?

উত্তরঃ তওয়াফ।

764. প্রশ্নঃ কাবা ঘরের গিলাফ ধরে দুআ করাঃ ওয়াজিব/ সুন্নাত/ বিদআত?

উত্তরঃ বিদআত।

765. প্রশ্নঃ ৮ জিলহাজ্জ মিনায় অবস্থান করাঃ রুকন/, ওয়াজিব/, সুন্নত?

উত্তরঃ সুন্নাত।

766. প্রশ্নঃ হাজ্জের ওয়াজিব হচ্ছেঃ মুযদালিফায় রাত কাটানো/, মুযদালিফায় পাথর কুড়ানো/, মুযদালিফায় সারা রাত ইবাদত করা?

উত্তরঃ মুযদালিফায় রাত কাটানো।

767. প্রশ্নঃ কোন সময়ের তওয়াফে রমল করতে হয়? তওয়াফে কুদূমে, হাজ্জের তওয়াফে, বিদায়ী তওয়াফে?

উত্তরঃ তওয়াফে কুদূমে।

768. প্রশ্নঃ তওয়াফে রমল করা বলতে কি বুঝায়?

উত্তরঃ ছোট ছোট কদম ফেলে দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করা।

769. প্রশ্নঃ কয় চক্করে রমল করতে হয়?

উত্তরঃ প্রথম তিন চক্করে।

770. প্রশ্নঃ রুকনে ইয়ামানীকে (স্পর্শ করা, চুম্বন করা, কোনটাই না করা) সুন্নাত।

উত্তরঃ স্পর্শ করা সুন্নাত।

771. প্রশ্নঃ আরাফাতে যোহর-আসর নামায একত্রে যোহরের সময় আদায় করাঃ (সুন্নাত/, বিদয়াত/, ওয়াজিব)?

উত্তরঃ সুন্নাত।

772. প্রশ্নঃ ১০ তারিখে কঙ্কর মারতে হবেঃ তিনটি জামরাতে/, বড় জামরাতে/, দুটি জামরাতে?

উত্তরঃ বড় জামরাতে।

773. প্রশ্নঃ জিলহজ্জের ১০ তারিখে বড় জামরাতে কঙ্কর মারার সময় কখন থেকে শুরু হয়?

উত্তরঃ সে দিন সূর্যোদয়ের পর থেকে।

774. প্রশ্নঃ জিলহজ্জের ১১, ১২ তারিখ কয়টি জামরাতে কঙ্কর মারতে হয়?

উত্তরঃ ৩টি জামরাতে।

775. প্রশ্নঃ জিলহজ্জের ১১, ১২ তারিখ জামরাতে কঙ্কর মারার সময় কখন থেকে শুরু হয়?

উত্তরঃ পশ্চিমাকাশে সূর্য ঢলার পর।

776.প্রশ্নঃ মিনাতে কয় রাত থাকা ওয়াজিব?

উত্তরঃ ২ রাত। (১০ ও ১১ তারিখ দিবাগত রাত)

777. প্রশ্নঃ বিদায়ী তওয়াফ করার আগে কোন নারী ঋতুবতী হয়ে পড়লে তাকে বিদায়ী তওয়াফ করতে হবে না। সত্য না মিথ্যা?

উত্তরঃ সত্য।

778. প্রশ্নঃ হজ্জের রুকন কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ ৪টি। ইহরাম, তওয়াফ, সাঈ, আরাফাতে অবস্থান।

779. প্রশ্নঃ ওমরার রুকন কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ ৩টি। ইহরাম, তওয়াফ ও সাঈ।

780. প্রশ্নঃ ওমরার ওয়াজিব কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ ২টি। মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধা ও মাথার চুল মুন্ডন করা বা ছোট করা।

781. প্রশ্নঃ রুকন বলতে কি বুঝায়?

উত্তরঃ যে সমস্ত কাজের মধ্যে কোন একটি বাদ পড়লে হজ্জ বা ওমরা হবে না তাকে রুকন বলে।

782. প্রশ্নঃ মিনায় রাত না কাটালেও হজ্জ হয়ে যাবে। কথাটি ঠিক না বেঠিক? বেঠিক হলে করণীয় কি?

উত্তরঃ বেঠিক। করণীয় হচ্ছেঃ ফিদ্‌ইয়া হিসেবে একটি ছাগল যবেহ করতে হবে।

783. প্রশ্নঃ তওয়াফে ইফাযা কাকে বলে?

উত্তরঃ আরাফাত থেকে ফেরত আসার পর যে তওয়াফ করতে হয় তাকে তওয়াফে এফাযা বলে।

784. প্রশ্নঃ বিদায়ী তওয়াফ করাঃ রুকন/, সুন্নাত/, ওয়াজিব?

উত্তরঃ ওয়াজিব।

785. প্রশ্নঃ মদীনা যিয়ারত করা হজ্জেরঃ সুন্নাত, ওয়াজিব, কোনটাই নয়?

উত্তরঃ কোনটাই নয়।

786. প্রশ্নঃ মদীনা আগমনের পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর কবর যিয়ারত করাঃ ওয়াজিব/, ফরয/, মুস্তাহাব|

উত্তরঃ মুস্তাহাব।

787. প্রশ্নঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কবর যিয়ারতের নিয়তে মদীনা সফর করাঃ ওয়াজিব/, বিদআত/, মুস্তাহাব|

উত্তরঃ বিদআত।

788. প্রশ্নঃ মদীনা সফর করার জন্যে কি নিয়ত করতে হবে?

উত্তরঃ মসজিদে নববীতে সালাত আদায় করার নিয়তে সফর করতে হবে।

Developed by


বিষয়: সিয়াম (রোজা)

674 .প্রশ্নঃ কত হিজরীতে সিয়াম ফরয হয়?
উত্তরঃ ২য় হিজরীতে।
675 .প্রশ্নঃ সিয়াম ফরয হওয়ার কথা কুরআনের কোন সূরার কত নং আয়াতে উল্লেখ হয়েছে?
উত্তরঃ সূরা বাক্বারা ১৮৩ নং আয়াত।
676 .প্রশ্নঃ সিয়াম ইসলামের কত নম্বর স্তম্ভ?
উত্তরঃ চতুর্থ।
677 .প্রশ্নঃ কোন আমলের বিনিময়ে মানুষকে রাইয়্যান নামক দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে?
উত্তরঃ সিয়াম।
678.প্রশ্নঃ রোযদারকে একটি বিশেষ দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে। দরজাটির নাম কি?
উত্তরঃ রাইয়্যান।
679 .প্রশ্নঃ বছরের কোন মাসে শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখা হয়?
উত্তরঃ রামাযান মাসে।
680 .প্রশ্নঃ বছরের কোন মাসে জান্নাতের দরজা খোলা রাখা হয় এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ রাখা হয়?
উত্তরঃ রামাযান মাসে।
681 .প্রশ্নঃ ফরয সিয়ামের জন্য কখন নিয়ত করতে হয়?
উত্তরঃ ফজরের পূর্বে।
682 .প্রশ্নঃ সিয়াম পালকারীর কখন সাহুর খাওয়া মুস্তাহাব?
উত্তরঃ শেষ রাতে।
683.প্রশ্নঃ কোন বস্তু দিয়ে ইফতার করা সুন্নাত?
উত্তরঃ টাটকা খেজুর না পেলে যে কোন খেজুর, তা না পেলে পানি দ্বারা।
684.প্রশ্নঃ রোযাদারের মেসওয়াক করার হুকুম কী?
উত্তরঃ সুন্নাত।
685 .প্রশ্নঃ সফর যদি আরাম দায়ক হয়- কষ্ট না হয়, তবে রোযা ভঙ্গের হুকুম কি?
উত্তরঃ রোযা ভঙ্গ করা জায়েয। তবে রাখা উত্তম।
686.প্রশ্নঃ নারীদের কোন্‌ অবস্থায় রোযা ভঙ্গ করা ওয়াজিব?
উত্তরঃ ঋতু বা নেফাস হলে।
687 .প্রশ্নঃ বছরের কোন কোন দিন রোযা রাখা হারাম?
উত্তরঃ দু’ঈদের দিন এবং আইয়্যামে তাশরীক (জিলহজ্জ মাসের ১১, ১২, ১৩ তারিখ)।
688.প্রশ্নঃ কোন কাজ করলে রোযা ভঙ্গ হয় এবং কাফ্‌ফারা স্বরূপ দুমাস রোযা রাখতে হয় অথবা ৬০ মিসকীনকে খাদ্য প্রদান করতে হয়?
উত্তরঃ রামাযানের রোযা রেখে স্ত্রী সহবাস করলে।
689.প্রশ্নঃ কোন অবস্থায় রামাযানের দিনে পানাহার করলেও রোযা ভঙ্গ হবে না?
উত্তরঃ ভুলক্রমে পানাহার করলে।
690.প্রশ্নঃ মাহে রামাযানের পর সর্বোত্তম নফল ছিয়াম কোনটি?
উত্তরঃ আশুরার রোযা।
691.প্রশ্নঃ আশুরার রোযা রাখার ফযীলত কি?
উত্তরঃ এর মাধ্যমে বিগত এক বছরের গুনাহ মাফ হয়।
692.প্রশ্নঃ আশুরার রোযা কমপক্ষে কয়টি রাখা সুন্নাত?
উত্তরঃ ২টি, মুহাররমের ৯, ১০ অথবা ১০, ১১ তারিখ।
693.প্রশ্নঃ কোন নবী সারা বছর একদিন রোযা রাখতেন একদিন ছাড়তেন?
উত্তরঃ দাউদ (আঃ)।
694.প্রশ্নঃ কোন রোযা রাখলে সারা বছর রোযা রাখার ছওয়াব পাওয়া যায়?
উত্তরঃ শাওয়াল মাসের ৬টি রোযা।
695.প্রশ্নঃ কোন্‌ রোযার বিনিময়ে বিগত এবং আগত দুবছরের গুনাহ মাফ হয়?
উত্তরঃ আরাফাত দিবসের রোযা।
696.প্রশ্নঃ আইয়্যামে বিযের রোযা কাকে বলে?
উত্তরঃ প্রতি চন্দ্র মাসের ১৩,১৪, ১৫ তারিখের রোযাকে।
697.প্রশ্নঃ সপ্তাহের কোন কোন দিন রোযা রাখা সুন্নাত?
উত্তরঃ সোমবার ও বৃহস্পতিবার।
698.প্রশ্নঃ সপ্তাহের কোন দিন এককভাবে নফল রোযা রাখা নাজায়েয?
উত্তরঃ শুক্রবার।
699.প্রশ্নঃ যে লোক নামায পড়ে না তার রোযার বিধান কী?
উত্তরঃ বাতিল, কেননা নামায ছাড়া রোযা জায়েয নয়।
700.প্রশ্নঃ লায়লাতুল কাদর কখন হয়?
উত্তরঃ রামাযানের শেষ দশকের যে কোন বেজোড় রাতে।
701.প্রশ্নঃ লায়লাতুল কাদরের ফযীলত কি?
উত্তরঃ এক রাতের ইবাদত এক হাজার মাস ইবাদতের চাইতে উত্তম।
702.প্রশ্নঃ তারাবীর নামায আদায় করার হুকুম কি?
উত্তরঃ সুন্নাতে মুআক্কাদাহ।
703. প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লা আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতদিন তারাবীর নামায জামাতের সাথে আদায় করেছিলেন?
উত্তরঃ তিন দিন।
704.প্রশ্নঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিন দিন তারাবীর নামায জামাতে আদায় করার পর, আর কেন জামাতে আদায় করেন নি?
উত্তরঃ ফরয হয়ে যাওয়ার ভয়ে।
705 .প্রশ্নঃ কখন থেকে পুনরায় তারাবীর নামায জামাতের সাথে পড়া চালু হয়?
উত্তরঃ ওমর (রাঃ)এর খেলাফতকালে।
706.প্রশ্নঃ তারাবীর নামায কয় রাকাত আদায় করা সুন্নাত?
উত্তরঃ বিতরসহ ১১ রাকাত।
707.প্রশ্নঃ তারাবীর নামায বিশ রাকাত আদায় করার হুকুম কি?
উত্তরঃ জায়েয, তবে ১১ রাকাতই উত্তম।

Most Recent Post :-

🌹🌻কেমন_হবে_জান্নাত🌺🌻