রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,তোমরা সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় নামায আদায় করোনা,কারণ সূর্য শয়তানের মাথার দুইপ্রান্তের মধ্যখান দিয়ে উদিত হয়। (বুখারী৪:৫৪:৪৯৪)
কতিপয়_কিছু_খাটি_কথাঃ
(১) পাথর শক্তিশালি, কিন্তু লোহার সাহায্যে তা ভাঙ্গা
যায়!
(২) লোহা শক্তিশালি ,কিন্তু আগুন তাকে নরম করতে
পারে!
(৩) আগুন শক্তিশালি ,কিন্তু জল তাকে নিভাতে পারে!
(৪) জল শক্তিশালি,কিন্তু মেঘ তাকে উড়িয়ে নিতে
পারে!
(৫) মেঘ শক্তিশালি, কিন্তু হাওয়া তাকে বহন করতে
পারে!
(৬) বাতাস শক্তিশালি, কিন্তু মানুষ তা বহন করতে পারে!
(৭) মানুষ শক্তিশালি, কিন্তু ভয় তাকে দুর্বল করতে
পারে!
(৮)ভয় শক্তিশালি, কিন্তু মদ তাকে ভুলিয়ে দিতে
পারে!
(৯)মদ শক্তিশালি, কিন্তু ঘুম তাকে ভুলিয়ে দিতে
পারে!
(১০) ঘুম শক্তিশালি, কিন্তু মৃত্যু অধিকতর শক্তিমান!
(১১)মৃত্যু অধিকতর শক্তিমান, কিন্তু তা আল্লাহর ইচ্ছায়
হয়!
তাই নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশক্তিমান!
শিক্ষনীয় পোষ্ট ▒▒█
__________________________
সকলের কাছে পড়ার অনুরোধ রইল।
এক ব্যক্তি জঙ্গলে হাঁটছিলেন। হঠাৎ দেখলেন এক
সিংহ তার পিছু নিয়েছে। তিনি প্রাণভয়ে
দৌড়াতে লাগলেন। কিছুদূর গিয়ে একটি পানিহীন
কুয়া দেখতে পেলেন। তিনি চোখ বন্ধ করে দিলেন
ঝাঁপ। পড়তে পড়তে তিনি একটি ঝুলন্ত দড়ি দেখে তা
খপ করে ধরে ফেললেন এবং ঐ অবস্থায় ঝুলে রইলেন।
উপরে চেয়ে দেখলেন কুয়ার মুখে সিংহটি তাকে
খাওয়ার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। নিচে চেয়ে
দেখলেন বিশাল এক সাপ তার নিচে নামার
অপেক্ষায় চেয়ে আছে। বিপদের উপর আরো বিপদ
হিসেবে দেখতে পেলেন একটি সাদা আর একটি
কালো ইঁদুর তার দড়িটি কামড়ে ছিড়ে ফেলতে
চাইছে। এমন হিমশিম অবস্থায় কি করবেন যখন
তিনি বুঝতে পারছিলেন না, তখন হঠাৎ তার সামনে
কুয়ার সাথে লাগোয়া গাছে একটা মৌচাক দেখতে
পেলেন। তিনি কি মনে করে সেই মৌচাকের মধুতে
আঙ্গুল ডুবিয়ে তা চেটে দেখলেন। সেই মধুর মিষ্টতা
এতই বেশি ছিল যে তিনি কিছু মুহূর্তের জন্য উপরের
গর্জনরত সিংহ, নিচের হাঁ করে থাকা সাপ, আর
দড়ি কাঁটা ইঁদুরদের কথা ভূলে গেলেন। ফলে তার
বিপদ অবিশ্যম্ভাবী হয়ে দাঁড়ালো।
ইমাম গাজ্জালী এই গল্পের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে
বলেনঃ
.ණ এই সিংহটি হচ্ছে আমাদের মৃত্যু, যে সর্বক্ষণ
আমাদের তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।
.ණ সেই সাপটি হচ্ছে কবর। যা আমাদের অপেক্ষায়
আছে।
.ණ দড়িটি হচ্ছে আমাদের জীবন, যাকে আশ্রয়
করেই বেঁচে থাকা।
.ණ সাদা ইঁদুর হল দিন, আর কালো ইঁদুর হল রাত,
যারা প্রতিনিয়ত ধীরে ধীরে আমাদের জীবনের
আয়ু কমিয়ে দিয়ে আমাদের মৃত্যুর দিকে নিয়ে
যাচ্ছে।
.ණ আর সেই মৌচাক হল দুনিয়া। যার সামান্য
মিষ্টতা পরখ করে দেখতে গেলেও আমাদের এই
চতুর্মুখি ভয়ানক বিপদের কথা ভূলে যাওয়াটা
বাধ্য....তাই আমাদের উচিত দুনিয়ার মায়াটা ত্যাগ
করে...কেয়ামতের কঠিন ভয়াবহ বিপদের কথা স্মরন
করে আল্লাহ কে ভয় করা....এবং আলাহ ও রাসূল (স:)
এর পথে চলা....!!!!
Facebook হবে সব চেয়ে বৃহত্তম virtual কবরস্থান।
.
আগামী ১০০ বছর পর অধিকাংশ Facebook ID গুলো মৃত পরে থাকবে। । শুধু থাকবে তাদের কর্ম।(like+comment
+upload)
.
১) যারা মানুষকে Love story শিখিয়েছে,তার শাস্তি তারা জাহান্নামে পাবে।
.
২) যারা অশ্লীল ও বেহায়াপনা মেয়েদের ছবি upload করেছে ,তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী তাদের Liker ও commenter দিবে।
.
৩) আর যারা ফেসবুককে আল্লাহর বাণী ও ইসলাম প্রচারের মাধ্যম বানিয়েছে তাদের পুরষ্কার আল্লাহ দিবেন।(ইনশাআল্লাহ্) .
ফেসবুকে কোনো অশ্লীল ছবি আপলোড দেওয়া থাকলে মৃত্যুর পরও তার পাপের বোঝা বাড়তে থাকবে। তার কবরে অনন্ত কাল ধরে পাপ পৌছাতে থাকবে। ফেসবুক ভার্চুয়াল দুনিয়া হলেও এই ছবি গুলো মানুষ দেখতে পাবে ও তাই এর হিসাব ও দিতে হবে।
# হিসাব দিতে হবে আনাচেকানাচে করা ছোটো
খাটো খারাপ ভালো সব comment+
like এর। কারন তোমার সব কাজই লিখা হচ্ছে তোমার # আমলনামায়
.
"So Be Carefull"
আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝার তওফিক দান করুণ
জেনে নিন আয়াতুল কুরসি পড়ার
ফজিলত:
.
১.আয়াতুল কুরসি পড়ে বাড়ি থেকে
বের
হলে ৭০,০০০ ফেরেস্তা চর্তুদিক থেকে
তাকে রক্ষা করে।
.
২.এটি পড়ে বাড়ি ঢুকলে বাড়িতে
দারিদ্রতা প্রবেশ করতে পারেনা।
.
৩.এটি পড়ে ঘুমালে সারারাত একজন
ফেরেস্তা তাকে পাহারা দেন।
.
৪.ফরজ নামাযের পর পড়লে তার আর
বেহেস্তের মধ্য একটি জিনিসেরই
দূরত্ব থাকে; তা হলো মৃত্য। এবং মৃত্যু
আযাব এতই হালকা হয়; যেন একটি
পিঁপড়ার কামড়।
.
৫.ওজুর পর পড়লে আল্লাহর নিকট ৭০ গুন
মর্যাদা বৃদ্ধি লাভ করে।
গর্ভবতী_মহিলাদের_আমলঃ -
*প্রথম মাসে সূরা-আলে ইমরান পড়লে সন্তান
দামী হবে।
*দ্বিতীয় মাসে সূরায়ে ইউসুফ পড়লে সন্তান
সুন্দর হবে।
*তৃতীয় মাসে সূরায়ে মারয়াম পড়লে সন্তান
সবরকারী হবে।
*চতুর্থ মাসে সূরায়ে লোকমান পড়লে সন্তান
হেকমত ওয়ালা হবে।
*পঞ্চম মাসে সূরায়ে মুহাম্মাদ পড়লে সন্তান
চরিত্রবান হবে।
*ষষ্ঠ মাসে সূরায়ে ইয়াসিন পড়লে সন্তান জ্ঞানী
হবে।
*সপ্তম,অষ্ঠম,নবম এবং দ্বশম মাসে সূরা-ইউসুফ,মুহা
ম্মদ এবং ইবরাহিম এর প্রথম থেকে দশ আয়াত
পড়বে।
✓✓ ব্যাথা উঠলে সূরা-ইনশিকাক পড়ে পানিতে ফুক
দিয়ে পান করবে।
আল্লাহ তাআ‘লা সকল গর্ভবতি মহিলাদেরকে উক্ত
আমলগুলো করার তাওফীক দান করুন...
(আমীন)।
একদিন এক মহিলা মূসা (আঃ) এর
কাছে এসে বলল, “আমি এক জঘন্য
মহা পাপ করে ফেলেছি। তাই
দয়া করে আপনি আল্লাহর কাছে দু’আ
করুন যেন
তিনি আমাকে ক্ষমা করে দেন।”
মূসা(আঃ) বললেন, “তুমি কি করেছ?”
মহিলাটি বলল,
“আমি যিনা করেছি এবং পরে এর
ফলে যে সন্তান জন্মেছিল তাকেও
হত্যা করেছি।”
মূসা (আঃ) বললেন, “চলে যাও এখান
থেকে হে পাপী মহিলা!
তা না হলে তোমার পাপের
কারণে আকাশ থেকে আগুন
নেমে এসে আমাদের সবাইকে ধ্বংস
করে দেবে।”
মহিলাটি ভগ্ন হৃদয়
নিয়ে চলে গেল।
তখন জিবরাইল
(আঃ) নেমে আসলেন আর জিজ্ঞেস
করলেন, “হে মূসা! কেন আপনি এই
তওবাকারী মহিলাটিকে ফিরিয়ে দিলেন?”
আপনি কি এর চেয়েও জঘন্য, গুরুতর
পাপী সম্পর্কে জানেন না?”
মূসা (আঃ) বললেন, “এর চেয়ে গুরুতর
পাপী কে আছে?”
জিবরাইল (আঃ) বললেন,
“যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ও
নিয়মিত সালাত ত্যাগ করে।”
#নাউযুবিল্লাহ
বিপদে ভেঙ্গে পড়ছেন??... শিক্ষা নিন!! ১) যখন
রক্ত সম্পর্কীয় কেউ আপনার সাথে প্রতারণা
করবে ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন,
হযরত ইউসুফ (আঃ) আপন ভাইদের দ্বারা প্রতারিত
হয়েছিলেন। ২) যখন পিতামাতা আপনার প্রতিপক্ষ
হয়ে দাঁড়াবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না।
মনে রাখবেন, হযরত ইব্রাহীম (আঃ) নিজ পিতার
দ্বারাই আগুনে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। ৩) যখন
ঘোর বিপদে পতিত হয়ে বের হয়ে আসার আর
কোন উপয়ান্তর খুঁজে না পান, আশার শেষ
আলোটুকুও দেখতে না পান, ভেঙ্গে পড়বেন
না।
মনে রাখবেন, হযরত ইউনুস (আঃ ) মাছের পেটের
অন্ধকার প্রকোষ্ট থেকেও উদ্ধার হয়েছিলেন।
৪) যখন আপনার বিরুদ্ধে অপবাদ আরোপ করা হবে
আর গুজবে দুনিয়া ছড়িয়ে যাবে, ভেঙ্গে
পড়বেন না, এসবে কান দিবেন না। মনে রাখবেন,
হযরত আয়শা সিদ্দিকা (রঃ) এর বিরুদ্ধেও অপবাদ
আরোপ করা হয়েছিল। ৫) যখন আপনি অসুস্থ হয়ে
পড়বেন, ব্যাথায় কাঁতরাতে থাকবেন, ভেঙ্গে
পড়বেন না। মনে রাখবেন, হযরত আইয়ুব (আঃ)
আপনার চেয়েও হাজারগুন বেশী অসুস্থ ছিলেন।
৬) যখন আপনি নির্জন/একাকীত্বে ভোগেন,
ভেঙ্গে পড়বেন না।
স্মরন করুন, হযরত আদম (আঃ) কে, যাকে প্রথমে
একাকী সঙ্গীবিহীন সৃষ্টি করা হয়েছিল। ৭) যখন
কোন যুক্তি দিয়েই আপনি কোন একটি অবস্থার
পেছনের কারণ খুঁজে পাবেন না, তখন কোন
প্রশ্ন ব্যতীতই স্মরণ করুন হযরত নুহ (আঃ) এর
কথা। যিনি অসময়ে কিস্তি/নৌকা তৈরী করেছিলেন।
৮) যখন আপনি পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব,
সর্বোপরি সারা দুনিয়ার দৃষ্টিতে কৌতুকের পাত্রে
পরিণত হবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। স্মরণ করুন,
আমাদের প্রিয় নাবী হযরত মুহাম্মাদ
ﷺ এর কথা। যিনি তাঁর আপনজনের হাসি-
তামাশার পাত্রে পরিণত হয়েছিলেন। ৯) আল্লাহ্ তায়ালা
তাঁর প্রেরিত সকল পয়গম্বরগণকেই পরীক্ষায়
ফেলেছিলেন এবং তাঁদেরকে উদ্ধার
করেছিলেন। এজন্য যে, যাতে করে দ্বীন
পালনের ক্ষেত্রে পরবর্তী উন্মতেরা ধৈর্য্য
ধারন করতে পারে, কষ্টসহিষ্ণু হতে পারে।
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣَﻊَ ﺍﻟﺼَّﺎﺑِﺮِﻳﻦَ আর আল্লাহ্ ধৈর্যশীলদের
সাথে রয়েছেন আল্লাহ আমাদের সবাইকে ধৈর্য্য
ধারন করার শক্তি দিন!
আমিন।
একটি শিক্ষনীয় পোষ্ট *** আল্লামা শেখ
সাদী"(রহঃ)" একদিন জঙ্গলের এক রাস্তা দিয়ে
যাইতেছিলেন হঠাৎ তিনি লক্ষ করলেন দূর থেকে
একজন আল্লাহ্ তায়ালার ওলী আসতেছেন,,,,, তিনি
যেটার পিঠে চড়ে আসতেছেন, সেটা ছিলো
বড়
একটা বাঘ,বাঘের পিঠে চড়ে তিনি আসতেছেন আর
বাঘকে চালানোর জন্য যেই চাবুক টা হাতে নিছেন
সেটা ছিলো বড় একটা অজগর সাপ,,,, এই অবস্তা
দেখে শেখ সাদি"(রহঃ)"একটু ভয় পেয়ে একটা
গাছের পিছনে লুকিয়ে গেলেন,,,, ওই"আল্লাহ্
তায়ালার"ওলী"শেখ সাদী"(রহঃ)"দেখে
ফেললো,,"ওই "আল্লাহ্ তায়ালার"ওলী"চলত
ে,চলতে
শেখ সাদী"রহঃ"কাছে এসে বললেন ও সাদী !
তুমি কি
আমার এই অবস্তা দেখে ভয় পেয়ে গেলে?
কছম খোদার!!
তুমি তোমার গরদান কে" আল্লাহ্ তায়ালার সামনে নিচু
করে দাও,,,,,,সমগ্র মাখলুক তোমার সামনে তাদের
গরদান কে নিচু করে দিবে,,তুমি আল্লাহ্ তায়ালার
সামনে নতো হয়ে যাও"আল্লাহ্ তায়ালাৱ সমগ্র
মাখলুকে তোমাৱ সামনে নত করে দিবে৷৷ আল্লাহ্
তায়ালা সমগ্র উম্মতি মুহাম্মদিকে আল্লাহ্ তায়ালার ইবাদত
করার মতো তৌফিক দান করুন,
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, একদিন শয়তান বললো, ইয়া আল্লাহ! তোমার ইজ্জতের কসম, নিশ্চয়ই আমি তোমার বান্দাদেরকে বিভ্রান্ত করতে থাকবো, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের দেহে প্রাণ থাকবে। . অতঃপর মহান আল্লাহ বললেন, আমার ইজ্জত ও জালালের কসম, আমি তাদেরকে মাফ করতে থাকবো, যে পর্যন্ত তারা আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে। (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)
:পবিত্র_কোরআনের_বিষ্ময়কর_কিছু_তথ্য,,,
-পুরুষ শব্দটা এসেছে ২৪ বার
-নারী শব্দটা এসেছে ২৪ বার।
-আদেশ শব্দটা এসেছে ১০০০ বার
-নিষেধ শব্দটা এসেছে ১০০০ বার
-হালাল শব্দটা এসেছে ২৫০ বার
-হারাম শব্দটা এসেছে ২৫০ বার।
-জান্নাত শব্দটা এসেছে ১০০০ বার
-জাহান্নাম শব্দটা এসেছে ১০০০ বার।
-দুনিয়া শব্দটা এসেছে ১১৫ বার
- আখিরাত শব্দটা এসেছে ১১৫ বার ।
-ফেরেশতা শব্দটা এসেছে ৮৮ বার
-শয়তান শব্দটা এসেছে ৮৮ বার।
-জীবন শব্দটা এসেছে ১৪৫ বার
-মৃত্যু শব্দটা এসেছে ১৪৫ বার।
-উপকার শব্দটা এসেছে ৫০ বার
-ক্ষতিকর শব্দটা এসেছে ৫০ বার ।
-মানুষ শব্দটা এসেছে ৩৬৮ বার
-রাসুল শব্দটা এসেছে ৩৬৮ বার।
-জিহ্বা শব্দটা এসেছে ২৫ বার
-উত্তম বাক্য শব্দটা এসেছে ২৫ বার।
-মাস শব্দটা এসেছে ১২ বার আর
-দিন শব্দটা এসেছে ৩৬৫ বার।
সুবহানাল্লাহ!
আল্লাহু আকবার !!
আল্লাহ মহান!!! <3 <3
“হে আল্লাহ তুমি জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফিলের রব, আসমান ও যমীন সৃষ্টিকারী, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানের অধিকারী, তুমিই বান্দাদের বিতর্কিত বিষয়ে ফয়সালা প্রদানকারী। মানুষের বিতর্কিত বিষয়ে তুমি আমাকে সঠিক পথের দিশা দান করো, নিশ্চয় তুমি যাকে ইচ্ছা করো সঠিক পথের দিশা প্রদান করো।" -----
[ মুসলিম: ৭৭১]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
একদা এক ব্যক্তি পথ চলছিল।
তার খুবই পিপাসা লাগল।
অতঃপর সে একটি কূপ পেল।
সুতরাং সে তাতে নেমে তা
হতে পানি পান করল।
অতঃপর বের হয়ে দেখতে
পেল যে, [ওখানেই] একটি
কুকুর পিপাসার জ্বালায় জিভ
বের করে হাপাচ্ছে ও কাদা
চাটছে। লোকটি [মনে মনে]
বলল, পিপাসার তাড়নায়
আমি যে পর্যায়ে পৌছেছিলাম,
কুকুরটিও সেই পর্যায়ে পৌছেছে।
অতএব সে কূপে নামল
তারপর তার চামড়ার মোজায়
পানি ভর্তি করল। অতঃপর সে
উপরে ঊঠল এবং কুকুরটিকে
পানি পান করাল।
আল্লাহ্ তা'আলা তার এই
আ'মালকে কুবুল করলেন এবং
তাকে ক্ষমা করে দিলেন।
.
সাহাবাগণ বললেন,
হে আল্লাহর রসূল (সঃ)! চতুস্পদ
জন্তুর প্রতি দয়া প্রদর্শনেও কি
আমাদের সওয়াব হবে ?
তিনি বললেন, প্রত্যেক জীবের
প্রতি দয়া প্রদর্শনে নেকী রয়েছে।
.
বুখারীর অন্য বর্ণনায় রয়েছে,
আল্লাহ্ তা'আলা তার এই
আ'মালকে কবুল করলেন।
অতঃপর তাকে ক্ষমা করে
জান্নাতে প্রবেশ করালেন।
-(সহীহ বুখারী, হাদীস ২৩৬৩)
___কবরের আযাব___
ঘটনাটি ঘটেছে ওমানে
=>১৮ বছরের একটি ছেলে
ওমানের একটি হাসপাতালে
স্বাভাবিক ভাবেই মারা যায়।
তাকে ইসলামিক নিয়মে কবর দেওয়া
হয়। ৩ ঘন্টা পরে ছেলের
বাবা তার ছেলেকে দেখার জন্য
অনুমতি চান, এবং তিনি বলেন
আমার একটা সন্দেহ আছে এবং
তিনি তা পরখ করে দেখতে চান।
কবর থেকে লাশ তোলা হলো এবং
কাফনের কাপড় সরানো হলো। আশে
পাশের লোকজন, ডাক্তার, আত্নীয়-
স্বজন ও ছেলের বাবা এক
মুহূর্তের
জন্য বাকরুদ্ধ হয়ে গেলো। ভয়ে
সবার শরীর কেঁপে উঠলো। মাত্র ৩
ঘন্টায় ১৮ বছরের ছেলের এই
অবস্থা কিভাবে হলো....
ছেলের বয়স যেন ৮০ পেরিয়ে
গেছে, চুলগুলো ধূসর হয়ে গেছে,
শরীর ক্ষত বিক্ষত হয়ে গেছে, যেন
তাকে আগুনে পুড়া হয়েছে। তাকে
যেন অনেক অত্যাচার করা
হয়েছে।
তার চোখে যেন এখনো প্রাণ
আছে। কি যেন বলতে চাইছে তার
চোখ।
এবার ছেলের বাবা বললেন-এটা
খুব কঠিন কবরের আযাবের
প্রতিফল। আমার ছেলে কখনো
নামায- রোজা আদায় করে নাই,
এমন কোন খারাপ কাজ নাই যা সে
করে
নাই। এই আযাব তারই
প্রতিফল!
মহান আল্লাহ্ আমাদের তার
আদেশ নিষেধ মানার তৌফিক দান
করুক।
আমিন আমিন আমিন.
লেখক আবু হানিফা
কবরের মাটি দুনিয়ার
মানুষকে হুশিয়ার করার
জন্য দৈনিক পাঁচ বার পাঁচটি
ঘোষণা দিয়ে থাকেঃ
.
১। হে বনী আদম!
আজ আমার পিঠের উপর দিয়ে
তুমি চলাফেরা করছ, অথচ একদিন
তোমাকে আমার উদরে আসতে হবে।
.
২। হে বনী আদম!
আমার পিঠের উপর তুমি
সুস্বাদু খাবার খাচ্ছো,
অথচ একদিন আমার উদরে পোকা-
মাকড় কীট-পতঙ্গ তোমাকেই
খাবে।
.
৩। হে বনী আদম!
আমার পিঠের উপরেই তুমি আজ
হাসাহাসি করছ, অথচ কিছুদিন
পরেই আমার উদরে তুমি ভীষণ
কাঁদবে।
.
৪। হে বনী আদম!
আমার পিঠের উপর তুমি দারুণ
আনন্দিত,
অথচ কিছুদিন পরেই আমার উদরে
তুমি দুঃখে জর্জরিত হবে।
.
৫। হে বনী আদম!
আমার পিঠের উপর তুমি
নির্দ্বিধায় পাপাচার
করছো, অথচ সত্বর্ই তোমাকে
আমার উদরে শাস্তি প্রদান
করা হবে।
.
"হে আল্লাহ আমাদেরকে নেক হেদায়েত দান
করুন
কবর দৈনিক পাঁচটি জিনিস
মানুষের কাছে অনুরোধ করে |
১. আমি একাকী ঘর, সংগী নিয়ে
এসো |
উ: সংগী হলো কুরআন
২. আমি অন্ধকার ঘর, বাতী নিয়ে
এসো |
উ: বাতী হলো নামাজ
৩. আমি মাটির ঘর, বিছানা নিয়ে
এসো |
উ: বিছানা হল নেক আমল |
৪. আমি সাপ বিচ্ছুর ঘর, বিষের ঔষুধ
নিয়ে এসো|
উ: ঔষুধ হলো দান সাদকা |
৫. আমি প্রশ্নের ঘর , উত্তর নিয়ে এসো
|
উ: উত্তর হলো কালেমা ও জিকির |
অনুরোধ রইল পোষ্টা শেয়ার করার
জন্য
৫ জায়গায় হাসলে সাধারন গুনাহের
চেয়ে ২৫ গুন বেশি গুনাহ হয়
১:মসজিদে
২:জানাজার পিছনে
৩:কবর স্থানে
৪:কুরআন তেলাওয়াতের সময়
৫:কোন মজলিশে
যে ব্যাক্তি আজান শুনে
নামাজ পড়বে
না কিয়ামতের দিন তাঁর কানে গরম
সীসা ঢেলে দেয়া হবে"
তুর পাহাড়ের চুড়া, জমিন
থেকে দেড় মাইল উপরে। ৩৭৫০
টা শিড়ী বেয়ে মুসা (আ:)
উপরে উঠলেন রাতের
আধারে।
★আল্লাহ আপনার
সাথে কথা বলতে চাই।
★মুসা, তোমাকে হাত দিলাম ।
পাও দিলাম। অংগ প্রত্যাংগ
দিলাম। বুুঝার মত মেধা, চলার মত শক্তি
দিলাম। তোমার জন্য এতকিছু করলাম।তুমি
কি করেছ আমার জন্য?
★আল্লাহ আমি আপনার জন্য
ই নামাজ আদায় করি।
★না, নামাজ জান্নাতের
চাবি।
তুমি নামাজ আদায় কর।
তোমার
জান্নাতের চাবি টা মজবুদ
কর।
তাতে আমার কি?
★আল্লাহ, আমিতো আপনার জন্যই
রোজা রাখি।
★না, রোজা জাহান্নামের ঢাল।
তুমি রোজা রাখ। তোমার
জাহান্নামের ঢাল মজবুদ কর।
এটা আমার জন্য হবে কেন?
★আল্লাহ, আমি আপনার
সন্তিস্টির জন্যই যাকাত আদায় করি।
★না, যাকাত মালের হেফাজত
করে। তুমি তোমার মালের
হেফাজতের জন্যই জাকাত
আদায় কর। আমার জন্য নয়।
মুশা (আ:) লজ্জিত হলেন।
সেজদায় পড়ে গেলেন।
আল্লাহ
আমি আপনার জন্য
কি করতে পারি ?
★হে মুশা, আমার
* বড়ত্বের কথা,আমার
* কুদ্রতের কথা,
* স্রিস্টির কথা,
* হেকমতের
কথা মানুষ কে জানিয়ে
দাও।'
এটাই হবে শুধুমাত্র আমার জন্য।
★আলহামদুলিল্লা,
তাফসিরে মাঝহারিতে
,কাজী সানাউল্লাহ
পানিপথির
বর্ননাকে সামনে রেখেই দু,
এক্টা Post করি শুধু মাত্র
আল্লাহ
তায়ালার সন্তস্টির জন্য ই। শত শত
কমেন্ট হাজার হাজার লাইক,
গুলো দিয়ে কি হবে
ভাই?
যদি আপনি আমার
লেখটা না পড়েন। বুঝার
চেস্টা যদি না করেন।
সম্ভাব
হলে লেখা্টা সেয়ার করুন।
পোছিয়ে দিন, প্রথিবির
আনাছে কানাছে আমার
* আল্লার কথা, আল্লার
* হেকমতের কথা।
* কুদরতের কথা। আল্লাহ র
* বড়ত্বের কথা।
কথাগুলো পোছিয়ে দিন,
দুনিয়ার আনাছে কানাছে,
প্রতিটি মানুষের কাছে।
★আর এটাই হল দাওয়াতে তাবলীগ।
আমার পোস্ট আর আপনার
সেয়ার
দ্বারা দুনিয়ার একজন মানুষ ও
যদি আমল ওয়ালা হয়ে যায়।
কেয়ামতের কঠিন দিনে
এটাই
হতে পারে আমার আপনার জন্য
নাজাতের এক মাত্র উসিলা ।
★আল্লাহ আমাদের কে এই সহজ কথাটা
* বুঝার,
* মানার এবং
* আমল করার তাওফিক
দিন।
যখন তোমার বয়স ১০;
তখন তুমি খুঁজবে
'খেলার
মাঠ' কোথায়?.
"
যখন তোমার বয়স ২০;
তখন তুমি খুঁজবে'boy
friend/girl friend'
কোথায়?.
"
যখন তোমার বয়স ৩০;
তখন তুমি খুঁজবে
'টাকা'
কোথায়? "
.
যখন তোমার বয়স ৪০;
তখন তুমি খুঁজবে একটু
'অবসর সময়' কোথায়?.
.
" আর যখন তোমার
বয়স ৫০ হবে;
তখন তুমি হয়তো
খুঁজবে
'মসজিদ' কোথায়?.
.
কিন্তু ৫০ আসার
আগেই হয়তো তোমার
সময় শেষ হয়ে
যেতে পারে..।
.
সুতরাং শেষেরটাকে
আগে খুঁজায় শ্রেয়।।
.
*কাজেই সময়
থাকতেই পাঁচ
ওয়াক্ত ফরয।
নামাযের প্রতি গুরুত্ব
দিন। আল্লাহ আমাদেদিন। আল্লাহ আমাদের
সকলকেই
বুঝার তৌফিক দিন।
______আমীন
রাত যতই দীর্ঘ হোক না কেনো.........
>> ফজর অবশ্যই আসবে।
→তোমার বয়স যতই দীর্ঘ হোক না
কেনো..... >>কবরে এক দিন যেতেই হবে।
→প্রতিদিন তুমি মসজিদে নামাজ পড়তে যাও না, একদিন
তোমাকেই মসজিদেই নিয়ে যাওয়া হবে.......
>> তোমার জানাযার নামাজ পড়ার জন্য। →প্রতিদিন তুমি
নিজে গোসল কর.....
>> একদিন অন্যরা তোমাকে গোসল করাবে।
→প্রতিদিন তুমি নিজে সাজগোছ করো.......
>> একদিন অন্যরা তোমাকে সাজাবে। →প্রতিদিন তুমি
বাড়ি থেকে বের হও দাঁড়ানো অবস্থায়.......
>> একদিন শোয়া অবস্থায় তোমাকে এই বাড়ি
থেকে বের হোতে হবে।
আশা করি সবাই পড়বেনঃ-
.
☞১০০ টাকা মসজিদে অনেক বড় দেখায় অথচ
শপিংমলে কতই না ছোট।
.
☞মসজিদে এক ঘন্টা ইবাদত কত দীর্ঘ সময়
কিন্ত সিনেমা হলে তা খুবই সামান্য সময়৷
.
☞তারাবির নামাজে দীর্ঘ এক ঘন্টা সময়
লাগে। অথচ একটা ফুটবল ম্যাচ মাত্র ৯০
মিনিট।
.
☞একটা ক্রিকেট ম্যাচে মাত্র ৬ ঘন্টা সময়
তাতে কোন কষ্ট নাই,বরং উত্তেজনামূলক ও
আনন্দ
দায়ক।কিন্তু,জুমার খুতবা একটু দীর্ঘায়িত
হলে তা বিরক্তিকর।
.
☞কোরআনের একটি Page পড়া খুবই কষ্টকর
অথচ ২০০ পৃষ্টার উপন্যাস পড়া কতই না সহজ।
.
☞কনসার্ট বা খেলার মাঠে সামনের সারিতে
বসতে কত প্রতিযোগিতা,অথচ মসজিদে যত
পিছনে বসা যায় ততই ভাল।
.
☞সংবাদ পত্রের খবর আমরা কত সহজে
বিশ্বাস করি।
অথচ আল্লাহর কোরআনের একটি আয়াত
বিশ্বাস করা এবং মানা অনেক কষ্টকর।
.
☞এশার নামাজ পড়তে গেলে শরীর ক্লান্ত
আর Star জলসা Zee বাংলায় আগে আগে।
.
.
☞আসুন একটু ভেবে দেখি আমরা কি করছি।
প্লীজ এভাবে ইসলামকে শেষ করে দিয়েন
না।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
যে ব্যক্তি কোন মুসলিম মৃত ব্যক্তিকে গোসল
করালো।
অতঃপর তার গোপনীয়তা সমূহ গোপন
রাখলো,মহান আল্লাহ্ তাকে চল্লিশবার ক্ষমা
করবেন।
আর যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তিকে কাফন পরাবে, মহান
আল্লাহ্ তাকে কিয়ামতের দিন জান্নাতের মিহি ও
মোটা রেশমের পোষাক পরাবেন।
আর যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির জন্য কবর খনন
করলো, তারপর দাফন শেষে তা ঢেকে দিলো।
মহান আল্লাহ্ তাকে কেয়ামত পর্যন্ত পুরস্কার
দিবেন জান্নাতের একটি বাড়ীর সম-পরিমান,যেখান
ে মহান আল্লাহ্ তাকে রাখবেন।
{বায়হাকী হাঃ৮৮২৭,সহীহ আত্ তারগীব হাঃ৩৪৯২}
যদি কোনো ব্যক্তি রাতে শয়নকালে এই নিয়ত
করে যে সে রাতে উঠে নামাজ পড়বে;
কিন্তু প্রচণ্ড ঘুমের কারণে সকাল হয়ে যায়,
তাহলে সে তার নিয়ত অনুযায়ী নামাজের সওয়াব
পাবে!
আর ঘুমটা আল্লাহর পক্ষ থেকে তার জন্য
সদকাস্বরূপ হবে!
(নাসায়ি : ১৭৮৭)
# সুবহান_আল্লাহ্______
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন আমার কথা (অন্যদের কাছে) পৌছিয়ে দাও, তা যদি একটি আয়াতও হয়। (সহীহ বুখারীঃ ৩২১৫)
যে ব্যক্তি (পুরুষ) পায়ের টাখনুর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে পরবে, সে জাহান্নামী। (সহীহ বুখারীঃ৫৩৭১, মিশকাত, হা/৪১২৫)
সহীহ বুখারীতে রাসূল সাঃ এর দীর্ঘ
এসেছে,
“আমরা এক শায়িত ব্যক্তির কাছে আসলাম।
তার মাথার কাছে পাথর হাতে নিয়ে অন্য এক-
জন লোক দাঁড়িয়ে ছিল। দাড়ানো ব্যক্তি শায়িত
ব্যক্তির মাথায় সেই পাথর নিক্ষেপ করছে। এবং
পাথরের আঘাতে তার মাথা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে
যাচ্ছে তারপর পাথরটি বলের মত গড়িয়ে দূরে
চলে যাচ্ছে।
★→লোকটি পাথর কুড়িয়ে আনতে আনতে
আবার তাঁর মাথা ভাল হয়ে যাচ্ছে।দাঁড়ানো
ব্যক্তি প্রথমবারের মত আবার আঘাত করছে
এবং তার মাথাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিচ্ছে। রাসূল
(সাঃ) তাঁর সফরসঙ্গী ফেরেশতাদ্বয়কে
জিজ্ঞেস
করলেনঃ কি অপরাধের কারণে তাকে এভাবে
শাস্তি দেয়া হচ্ছে?
★→উত্তরে তারা বললেনঃএব্যক্তি কুরআন শিক্ষা
করেছিল। কিন্তু কুরআন অনুযায়ী আমল করেনি
এবং সে ফরজ নামাযের সময় ঘুমিয়ে থাকত।এখন
থেকে কিয়ামত পর্যন্ত তাকে এভাবে শাস্তি দেয়া
হবে।
নবী করিম (সাঃ) বলেছেন,
এক লোক নবীজির কাছে
এসে বলল,সে সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়েছে
এবং নামায আদায় করতে পারেনি!!নবীজি
বললেন:শয়তান তার কানে প্রস্রাব করে দিয়ে
চলে গিয়েছে!
(বুখারী 2:21:245)
যে ব্যাক্তি আজান শুনে
নামাজ পড়বে
না কিয়ামতের দিন তাঁর কানে গরম
সীসা ঢেলে দেয়া হবে"
একজন বেপর্দা নারীর জন্য তার
পরিবারের ৪ জন পুরুষ জাহান্নামী
হবে !
১. তার বাবা
২. তার বড় ভাই
৩. তার স্বামী
৪. তার বড় ছেলে
(মুসনাদে আহম্মদ ৫৮৩৯
আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শনের সুফল
হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রহঃ) আমাদের মুসলিম ইতিহাসে অসাধারণ এক বুযুর্গ। তার সম্পর্কে একটি বিখ্যাত ঘটনা আছে। তিনি যখন ইন্তেকাল করেন, তখন একব্যক্তি তাঁকে স্বপ্ন দেখল। প্রশ্ন করল, আল্লাহ আপনার সাথে কী আচরণ করেছেন? হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রহঃ) বললেন, আল্লাহ আমার সাথে অদ্ভুত আচরন করেছেন। আমি যখন আল্লাহর সমীপে হাজির হলাম, তখন তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আমার কাছে কী আমল নিয়ে এসেছে? আমি ভাবলাম, কী জবাব দেব?
আমার কোন আমলটির কথা বলবো? কারণ, আল্লাহর দরবারে পেশ করার মতো কোন আমল তো আমার নেই। তাই আল্লাহর দরবারে আরয করলাম, হে আল্লাহ! আমি কিছুই আনতে পারেনি। শূন্যহাতে এসেছি, একমাত্র আপনার অন্যগ্রহ ছাড়া আমার কোনো গতি নেই। আল্লাহ ইরশাদ করলেন, তুমি তো দুনিয়াতে অনেক বড় বড় আমল করে এসেছ। তবে তোমার একটি আমল খুবই পছন্দ হয়েছে। আজ তোমাকে সেই আমলটির বিনিময়ে ক্ষমা করে দিচ্ছি। আমলটি হলো, একরাতে তুমি যখন ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে দেখেছ, একটা বিড়ালের বাচ্ছা প্রচন্ড শীতে থরথর করে কাঁদছে, বিড়ালটার জন্য তোমার অন্তরে মমতা জাগে।
তুমি বিড়ালটাকে লেপের ভেতরে আশ্রয় দিয়েছ। তখন বিড়ালটার অবশিষ্ট রাত লেপের নিচে আরামে ঘুমিয়েছে। তোমার এ আমলটি ছিল গভীর ইখলাসপূর্ণ। একমাত্র আমার সন্তুষ্টি ছাড়া সেখানে তোমার অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। তোমার এ কাজটি আমার খুবই পছন্দ হয়েছে। এরই বিনিময়ে আজ তোমাকে ক্ষমা করে দিচ্ছি।
হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রহঃ) বলেন, পৃথিবীতে জ্ঞান-পাণ্ডিত্যের কত বড়-বড় সিঁড়ি পার করে এসেছি। কিন্তু আজ তার কোনোটিই কাজে আসেনি। কাজে এসেছে আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি একটি মহব্বতপূর্ণ আচরণ।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,যে ব্যক্তি মুসলিম পুরুষ ও
মুসলিম নারীদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা
প্রার্থনা করবে, তাহলে প্রত্যেক মুসলিমের জন্য
একটি করে সওয়াব আল্লাহ তার আমল নামায় লিখে
দেবেন (ত্বাবরানী, শাইখ আলবানী হাদীছটিকে
হাসান সহিহ বলেছেন, সহীহুল জামে হা/৬০২৬)
# হাদিসটা নিয়ে একটু চিন্তা করে দেখুন, বর্তমান
পৃথিবীতেই ২০০ কোটির উপরে মুসলিম রয়েছে
আর
আদম (আঃ) থেকে শুরু করে কিয়ামত পর্যন্ত
মুসলিমের সংখ্যা কত হবে সেটা ১মাত্র আল্লাহ
সুবহানাহু তা’লা ছাড়া আর কারো পক্ষেই জানা
সম্ভব নয় অথচ তাদের জন্য ১ বার ক্ষমা চাইলেই
আপনি সেই সংখ্যক নেকী পেয়ে যাবেন যার
পরিমাণ কোন মানুষের কল্পনায়ও আসবে না।
ইসলামের সৌন্দর্য দেখুন, ইসলাম শুধু নিজের কথা
চিন্তা করতে বলে না বরং অন্যদের কল্লান কামনা,
তাদের প্রতি বিদ্বেষ না রাখা, তাদের জন্য
আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এটাও শরীয়তে বিরাট
ইবাদত হিসাবে বিবেচিত আর সেই কারনেই দেখা
যাচ্ছে মুসলিম ভাই বোনদের জন্য আল্লাহর কাছে
ক্ষমা চাওয়াতে তিনি এমন পরিমাণ সওয়াব নির্ধারণ
করেছেন যেটা আর কোথাও পাওয়া যায় না।
দান-সাদকার সুফল”
এক লোকের স্ত্রী ছিলো খুবই দানশীলা।
পরহেযগার। গরীব-দুঃখীদের প্রতি সমব্যথী।
কিন্তু স্বামীটা ছিলো হাড়কিপ্টা, কুঞ্জুস।
হাত গলে এক ফোঁটা পানিও বের হতো না।
স্বামী সব সময় স্ত্রীকে, দান-খয়রাত করতে
কঠোরভাবে নিষেধ করতো। একদিন স্বামী
মসজিদে গেলো। এমন সময় দরজায় টোকা
পড়লো। স্ত্রী দরজার কাছে গিয়ে ভেতর
থেকে বললো,
- কে?
- আম্মাজান, আমি একজন অসহায়। ঠাণ্ডায় খুবই কষ্ট
পাচ্ছি। শীত নিবারণের কোনও কাপড় আমার কাছে
নেই।
স্ত্রীর মনটা গলে গেলো। স্বামীর
নিষেধের কথা ভুলে গেলো। ভিক্ষুকটিকে তিনটা
পুরনো কাপড় দিলো।
সাথে খাওয়ার জন্য তিনটা খেজুরও দিয়ে দিলো।
.
অন্যদিকে স্বামী মসজিদে নামায পড়ে ঘুমিয়ে
ছিলো। স্বপ্নে দেখলোঃ
কিয়ামত কায়েম হয়ে গেছে। মানুষজন বিশাল বিশাল
ঢেউয়ের মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছে।
মাথার ওপর তীব্র গরম। সূর্যটা একদম মাথার ওপর
থেকে আগুনের উল্কা ছড়াচ্ছে।
হঠাত লোকটা অবাক হয়ে দেখলো, তিনটা কাপড়
এসে মাথার ওপর স্থির হলো।
কিন্তু কাপড়গুলোতে তিনটা ছিদ্র ছিলো।
কোত্থেকে যেনো তিনটা খেজুর এসে
ছিদ্রগুলো বন্ধ করে দিলো। এখন আর মাথার ওপর
কোনও রোদ নেই। লোকটা কিংকর্তব্যবিমূঢ়
হয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠলো।
বাড়ি এসে স্ত্রীকে স্বপ্নের কথা খুলে
বললো।
.
স্ত্রী বুঝতে পারলো, এটা তার দান করা তিনটা কাপড়
আর খেজুরের বরকতে হয়েছে।
স্বামীকে পুরো বিষয়টা খুলে বললো। স্বামী
প্রত্যুত্তরে বললো, - আজ থেকে একজন
মিসকীনও যাতে আমাদের দরজা থেকে খালি
হাতে না যায়।
.
এই লোককে আল্লাহ তা‘আলা পার্থিব জীবনেই
সতর্ক করে দিয়েছিলেন। এই ঘটনায় একটা
হাদীসের মূলবাণীই ফুটে উঠেছে,
“কিয়ামতের দিন প্রতিটি মানুষ তার সাদক্বার ছায়াতলে
থাকবে।” (আহমাদ)
.
ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকে প্রতিদিন সামান্য কিছু
হলেও সাদক্বাহ করার তাওফীক দান করুন।
আমীন।
কতিপয়_কিছু_খাটি_কথাঃ
(১) পাথর শক্তিশালি, কিন্তু লোহার সাহায্যে তা ভাঙ্গা
যায়!
(২) লোহা শক্তিশালি ,কিন্তু আগুন তাকে নরম করতে
পারে!
(৩) আগুন শক্তিশালি ,কিন্তু জল তাকে নিভাতে পারে!
(৪) জল শক্তিশালি,কিন্তু মেঘ তাকে উড়িয়ে নিতে
পারে!
(৫) মেঘ শক্তিশালি, কিন্তু হাওয়া তাকে বহন করতে
পারে!
(৬) বাতাস শক্তিশালি, কিন্তু মানুষ তা বহন করতে পারে!
(৭) মানুষ শক্তিশালি, কিন্তু ভয় তাকে দুর্বল করতে
পারে!
(৮)ভয় শক্তিশালি, কিন্তু মদ তাকে ভুলিয়ে দিতে
পারে!
(৯)মদ শক্তিশালি, কিন্তু ঘুম তাকে ভুলিয়ে দিতে
পারে!
(১০) ঘুম শক্তিশালি, কিন্তু মৃত্যু অধিকতর শক্তিমান!
(১১)মৃত্যু অধিকতর শক্তিমান, কিন্তু তা আল্লাহর ইচ্ছায়
হয়!
তাই নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশক্তিমান!
শিক্ষনীয় পোষ্ট ▒▒█
__________________________
সকলের কাছে পড়ার অনুরোধ রইল।
এক ব্যক্তি জঙ্গলে হাঁটছিলেন। হঠাৎ দেখলেন এক
সিংহ তার পিছু নিয়েছে। তিনি প্রাণভয়ে
দৌড়াতে লাগলেন। কিছুদূর গিয়ে একটি পানিহীন
কুয়া দেখতে পেলেন। তিনি চোখ বন্ধ করে দিলেন
ঝাঁপ। পড়তে পড়তে তিনি একটি ঝুলন্ত দড়ি দেখে তা
খপ করে ধরে ফেললেন এবং ঐ অবস্থায় ঝুলে রইলেন।
উপরে চেয়ে দেখলেন কুয়ার মুখে সিংহটি তাকে
খাওয়ার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। নিচে চেয়ে
দেখলেন বিশাল এক সাপ তার নিচে নামার
অপেক্ষায় চেয়ে আছে। বিপদের উপর আরো বিপদ
হিসেবে দেখতে পেলেন একটি সাদা আর একটি
কালো ইঁদুর তার দড়িটি কামড়ে ছিড়ে ফেলতে
চাইছে। এমন হিমশিম অবস্থায় কি করবেন যখন
তিনি বুঝতে পারছিলেন না, তখন হঠাৎ তার সামনে
কুয়ার সাথে লাগোয়া গাছে একটা মৌচাক দেখতে
পেলেন। তিনি কি মনে করে সেই মৌচাকের মধুতে
আঙ্গুল ডুবিয়ে তা চেটে দেখলেন। সেই মধুর মিষ্টতা
এতই বেশি ছিল যে তিনি কিছু মুহূর্তের জন্য উপরের
গর্জনরত সিংহ, নিচের হাঁ করে থাকা সাপ, আর
দড়ি কাঁটা ইঁদুরদের কথা ভূলে গেলেন। ফলে তার
বিপদ অবিশ্যম্ভাবী হয়ে দাঁড়ালো।
ইমাম গাজ্জালী এই গল্পের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে
বলেনঃ
.ණ এই সিংহটি হচ্ছে আমাদের মৃত্যু, যে সর্বক্ষণ
আমাদের তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।
.ණ সেই সাপটি হচ্ছে কবর। যা আমাদের অপেক্ষায়
আছে।
.ණ দড়িটি হচ্ছে আমাদের জীবন, যাকে আশ্রয়
করেই বেঁচে থাকা।
.ණ সাদা ইঁদুর হল দিন, আর কালো ইঁদুর হল রাত,
যারা প্রতিনিয়ত ধীরে ধীরে আমাদের জীবনের
আয়ু কমিয়ে দিয়ে আমাদের মৃত্যুর দিকে নিয়ে
যাচ্ছে।
.ණ আর সেই মৌচাক হল দুনিয়া। যার সামান্য
মিষ্টতা পরখ করে দেখতে গেলেও আমাদের এই
চতুর্মুখি ভয়ানক বিপদের কথা ভূলে যাওয়াটা
বাধ্য....তাই আমাদের উচিত দুনিয়ার মায়াটা ত্যাগ
করে...কেয়ামতের কঠিন ভয়াবহ বিপদের কথা স্মরন
করে আল্লাহ কে ভয় করা....এবং আলাহ ও রাসূল (স:)
এর পথে চলা....!!!!
Facebook হবে সব চেয়ে বৃহত্তম virtual কবরস্থান।
.
আগামী ১০০ বছর পর অধিকাংশ Facebook ID গুলো মৃত পরে থাকবে। । শুধু থাকবে তাদের কর্ম।(like+comment
+upload)
.
১) যারা মানুষকে Love story শিখিয়েছে,তার শাস্তি তারা জাহান্নামে পাবে।
.
২) যারা অশ্লীল ও বেহায়াপনা মেয়েদের ছবি upload করেছে ,তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী তাদের Liker ও commenter দিবে।
.
৩) আর যারা ফেসবুককে আল্লাহর বাণী ও ইসলাম প্রচারের মাধ্যম বানিয়েছে তাদের পুরষ্কার আল্লাহ দিবেন।(ইনশাআল্লাহ্) .
ফেসবুকে কোনো অশ্লীল ছবি আপলোড দেওয়া থাকলে মৃত্যুর পরও তার পাপের বোঝা বাড়তে থাকবে। তার কবরে অনন্ত কাল ধরে পাপ পৌছাতে থাকবে। ফেসবুক ভার্চুয়াল দুনিয়া হলেও এই ছবি গুলো মানুষ দেখতে পাবে ও তাই এর হিসাব ও দিতে হবে।
# হিসাব দিতে হবে আনাচেকানাচে করা ছোটো
খাটো খারাপ ভালো সব comment+
like এর। কারন তোমার সব কাজই লিখা হচ্ছে তোমার # আমলনামায়
.
"So Be Carefull"
আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝার তওফিক দান করুণ
জেনে নিন আয়াতুল কুরসি পড়ার
ফজিলত:
.
১.আয়াতুল কুরসি পড়ে বাড়ি থেকে
বের
হলে ৭০,০০০ ফেরেস্তা চর্তুদিক থেকে
তাকে রক্ষা করে।
.
২.এটি পড়ে বাড়ি ঢুকলে বাড়িতে
দারিদ্রতা প্রবেশ করতে পারেনা।
.
৩.এটি পড়ে ঘুমালে সারারাত একজন
ফেরেস্তা তাকে পাহারা দেন।
.
৪.ফরজ নামাযের পর পড়লে তার আর
বেহেস্তের মধ্য একটি জিনিসেরই
দূরত্ব থাকে; তা হলো মৃত্য। এবং মৃত্যু
আযাব এতই হালকা হয়; যেন একটি
পিঁপড়ার কামড়।
.
৫.ওজুর পর পড়লে আল্লাহর নিকট ৭০ গুন
মর্যাদা বৃদ্ধি লাভ করে।
গর্ভবতী_মহিলাদের_আমলঃ -
*প্রথম মাসে সূরা-আলে ইমরান পড়লে সন্তান
দামী হবে।
*দ্বিতীয় মাসে সূরায়ে ইউসুফ পড়লে সন্তান
সুন্দর হবে।
*তৃতীয় মাসে সূরায়ে মারয়াম পড়লে সন্তান
সবরকারী হবে।
*চতুর্থ মাসে সূরায়ে লোকমান পড়লে সন্তান
হেকমত ওয়ালা হবে।
*পঞ্চম মাসে সূরায়ে মুহাম্মাদ পড়লে সন্তান
চরিত্রবান হবে।
*ষষ্ঠ মাসে সূরায়ে ইয়াসিন পড়লে সন্তান জ্ঞানী
হবে।
*সপ্তম,অষ্ঠম,নবম এবং দ্বশম মাসে সূরা-ইউসুফ,মুহা
ম্মদ এবং ইবরাহিম এর প্রথম থেকে দশ আয়াত
পড়বে।
✓✓ ব্যাথা উঠলে সূরা-ইনশিকাক পড়ে পানিতে ফুক
দিয়ে পান করবে।
আল্লাহ তাআ‘লা সকল গর্ভবতি মহিলাদেরকে উক্ত
আমলগুলো করার তাওফীক দান করুন...
(আমীন)।
একদিন এক মহিলা মূসা (আঃ) এর
কাছে এসে বলল, “আমি এক জঘন্য
মহা পাপ করে ফেলেছি। তাই
দয়া করে আপনি আল্লাহর কাছে দু’আ
করুন যেন
তিনি আমাকে ক্ষমা করে দেন।”
মূসা(আঃ) বললেন, “তুমি কি করেছ?”
মহিলাটি বলল,
“আমি যিনা করেছি এবং পরে এর
ফলে যে সন্তান জন্মেছিল তাকেও
হত্যা করেছি।”
মূসা (আঃ) বললেন, “চলে যাও এখান
থেকে হে পাপী মহিলা!
তা না হলে তোমার পাপের
কারণে আকাশ থেকে আগুন
নেমে এসে আমাদের সবাইকে ধ্বংস
করে দেবে।”
মহিলাটি ভগ্ন হৃদয়
নিয়ে চলে গেল।
তখন জিবরাইল
(আঃ) নেমে আসলেন আর জিজ্ঞেস
করলেন, “হে মূসা! কেন আপনি এই
তওবাকারী মহিলাটিকে ফিরিয়ে দিলেন?”
আপনি কি এর চেয়েও জঘন্য, গুরুতর
পাপী সম্পর্কে জানেন না?”
মূসা (আঃ) বললেন, “এর চেয়ে গুরুতর
পাপী কে আছে?”
জিবরাইল (আঃ) বললেন,
“যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ও
নিয়মিত সালাত ত্যাগ করে।”
#নাউযুবিল্লাহ
বিপদে ভেঙ্গে পড়ছেন??... শিক্ষা নিন!! ১) যখন
রক্ত সম্পর্কীয় কেউ আপনার সাথে প্রতারণা
করবে ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন,
হযরত ইউসুফ (আঃ) আপন ভাইদের দ্বারা প্রতারিত
হয়েছিলেন। ২) যখন পিতামাতা আপনার প্রতিপক্ষ
হয়ে দাঁড়াবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না।
মনে রাখবেন, হযরত ইব্রাহীম (আঃ) নিজ পিতার
দ্বারাই আগুনে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। ৩) যখন
ঘোর বিপদে পতিত হয়ে বের হয়ে আসার আর
কোন উপয়ান্তর খুঁজে না পান, আশার শেষ
আলোটুকুও দেখতে না পান, ভেঙ্গে পড়বেন
না।
মনে রাখবেন, হযরত ইউনুস (আঃ ) মাছের পেটের
অন্ধকার প্রকোষ্ট থেকেও উদ্ধার হয়েছিলেন।
৪) যখন আপনার বিরুদ্ধে অপবাদ আরোপ করা হবে
আর গুজবে দুনিয়া ছড়িয়ে যাবে, ভেঙ্গে
পড়বেন না, এসবে কান দিবেন না। মনে রাখবেন,
হযরত আয়শা সিদ্দিকা (রঃ) এর বিরুদ্ধেও অপবাদ
আরোপ করা হয়েছিল। ৫) যখন আপনি অসুস্থ হয়ে
পড়বেন, ব্যাথায় কাঁতরাতে থাকবেন, ভেঙ্গে
পড়বেন না। মনে রাখবেন, হযরত আইয়ুব (আঃ)
আপনার চেয়েও হাজারগুন বেশী অসুস্থ ছিলেন।
৬) যখন আপনি নির্জন/একাকীত্বে ভোগেন,
ভেঙ্গে পড়বেন না।
স্মরন করুন, হযরত আদম (আঃ) কে, যাকে প্রথমে
একাকী সঙ্গীবিহীন সৃষ্টি করা হয়েছিল। ৭) যখন
কোন যুক্তি দিয়েই আপনি কোন একটি অবস্থার
পেছনের কারণ খুঁজে পাবেন না, তখন কোন
প্রশ্ন ব্যতীতই স্মরণ করুন হযরত নুহ (আঃ) এর
কথা। যিনি অসময়ে কিস্তি/নৌকা তৈরী করেছিলেন।
৮) যখন আপনি পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব,
সর্বোপরি সারা দুনিয়ার দৃষ্টিতে কৌতুকের পাত্রে
পরিণত হবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। স্মরণ করুন,
আমাদের প্রিয় নাবী হযরত মুহাম্মাদ
ﷺ এর কথা। যিনি তাঁর আপনজনের হাসি-
তামাশার পাত্রে পরিণত হয়েছিলেন। ৯) আল্লাহ্ তায়ালা
তাঁর প্রেরিত সকল পয়গম্বরগণকেই পরীক্ষায়
ফেলেছিলেন এবং তাঁদেরকে উদ্ধার
করেছিলেন। এজন্য যে, যাতে করে দ্বীন
পালনের ক্ষেত্রে পরবর্তী উন্মতেরা ধৈর্য্য
ধারন করতে পারে, কষ্টসহিষ্ণু হতে পারে।
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣَﻊَ ﺍﻟﺼَّﺎﺑِﺮِﻳﻦَ আর আল্লাহ্ ধৈর্যশীলদের
সাথে রয়েছেন আল্লাহ আমাদের সবাইকে ধৈর্য্য
ধারন করার শক্তি দিন!
আমিন।
একটি শিক্ষনীয় পোষ্ট *** আল্লামা শেখ
সাদী"(রহঃ)" একদিন জঙ্গলের এক রাস্তা দিয়ে
যাইতেছিলেন হঠাৎ তিনি লক্ষ করলেন দূর থেকে
একজন আল্লাহ্ তায়ালার ওলী আসতেছেন,,,,, তিনি
যেটার পিঠে চড়ে আসতেছেন, সেটা ছিলো
বড়
একটা বাঘ,বাঘের পিঠে চড়ে তিনি আসতেছেন আর
বাঘকে চালানোর জন্য যেই চাবুক টা হাতে নিছেন
সেটা ছিলো বড় একটা অজগর সাপ,,,, এই অবস্তা
দেখে শেখ সাদি"(রহঃ)"একটু ভয় পেয়ে একটা
গাছের পিছনে লুকিয়ে গেলেন,,,, ওই"আল্লাহ্
তায়ালার"ওলী"শেখ সাদী"(রহঃ)"দেখে
ফেললো,,"ওই "আল্লাহ্ তায়ালার"ওলী"চলত
ে,চলতে
শেখ সাদী"রহঃ"কাছে এসে বললেন ও সাদী !
তুমি কি
আমার এই অবস্তা দেখে ভয় পেয়ে গেলে?
কছম খোদার!!
তুমি তোমার গরদান কে" আল্লাহ্ তায়ালার সামনে নিচু
করে দাও,,,,,,সমগ্র মাখলুক তোমার সামনে তাদের
গরদান কে নিচু করে দিবে,,তুমি আল্লাহ্ তায়ালার
সামনে নতো হয়ে যাও"আল্লাহ্ তায়ালাৱ সমগ্র
মাখলুকে তোমাৱ সামনে নত করে দিবে৷৷ আল্লাহ্
তায়ালা সমগ্র উম্মতি মুহাম্মদিকে আল্লাহ্ তায়ালার ইবাদত
করার মতো তৌফিক দান করুন,
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, একদিন শয়তান বললো, ইয়া আল্লাহ! তোমার ইজ্জতের কসম, নিশ্চয়ই আমি তোমার বান্দাদেরকে বিভ্রান্ত করতে থাকবো, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের দেহে প্রাণ থাকবে। . অতঃপর মহান আল্লাহ বললেন, আমার ইজ্জত ও জালালের কসম, আমি তাদেরকে মাফ করতে থাকবো, যে পর্যন্ত তারা আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে। (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)
:পবিত্র_কোরআনের_বিষ্ময়কর_কিছু_তথ্য,,,
-পুরুষ শব্দটা এসেছে ২৪ বার
-নারী শব্দটা এসেছে ২৪ বার।
-আদেশ শব্দটা এসেছে ১০০০ বার
-নিষেধ শব্দটা এসেছে ১০০০ বার
-হালাল শব্দটা এসেছে ২৫০ বার
-হারাম শব্দটা এসেছে ২৫০ বার।
-জান্নাত শব্দটা এসেছে ১০০০ বার
-জাহান্নাম শব্দটা এসেছে ১০০০ বার।
-দুনিয়া শব্দটা এসেছে ১১৫ বার
- আখিরাত শব্দটা এসেছে ১১৫ বার ।
-ফেরেশতা শব্দটা এসেছে ৮৮ বার
-শয়তান শব্দটা এসেছে ৮৮ বার।
-জীবন শব্দটা এসেছে ১৪৫ বার
-মৃত্যু শব্দটা এসেছে ১৪৫ বার।
-উপকার শব্দটা এসেছে ৫০ বার
-ক্ষতিকর শব্দটা এসেছে ৫০ বার ।
-মানুষ শব্দটা এসেছে ৩৬৮ বার
-রাসুল শব্দটা এসেছে ৩৬৮ বার।
-জিহ্বা শব্দটা এসেছে ২৫ বার
-উত্তম বাক্য শব্দটা এসেছে ২৫ বার।
-মাস শব্দটা এসেছে ১২ বার আর
-দিন শব্দটা এসেছে ৩৬৫ বার।
সুবহানাল্লাহ!
আল্লাহু আকবার !!
আল্লাহ মহান!!! <3 <3
“হে আল্লাহ তুমি জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফিলের রব, আসমান ও যমীন সৃষ্টিকারী, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানের অধিকারী, তুমিই বান্দাদের বিতর্কিত বিষয়ে ফয়সালা প্রদানকারী। মানুষের বিতর্কিত বিষয়ে তুমি আমাকে সঠিক পথের দিশা দান করো, নিশ্চয় তুমি যাকে ইচ্ছা করো সঠিক পথের দিশা প্রদান করো।" -----
[ মুসলিম: ৭৭১]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
একদা এক ব্যক্তি পথ চলছিল।
তার খুবই পিপাসা লাগল।
অতঃপর সে একটি কূপ পেল।
সুতরাং সে তাতে নেমে তা
হতে পানি পান করল।
অতঃপর বের হয়ে দেখতে
পেল যে, [ওখানেই] একটি
কুকুর পিপাসার জ্বালায় জিভ
বের করে হাপাচ্ছে ও কাদা
চাটছে। লোকটি [মনে মনে]
বলল, পিপাসার তাড়নায়
আমি যে পর্যায়ে পৌছেছিলাম,
কুকুরটিও সেই পর্যায়ে পৌছেছে।
অতএব সে কূপে নামল
তারপর তার চামড়ার মোজায়
পানি ভর্তি করল। অতঃপর সে
উপরে ঊঠল এবং কুকুরটিকে
পানি পান করাল।
আল্লাহ্ তা'আলা তার এই
আ'মালকে কুবুল করলেন এবং
তাকে ক্ষমা করে দিলেন।
.
সাহাবাগণ বললেন,
হে আল্লাহর রসূল (সঃ)! চতুস্পদ
জন্তুর প্রতি দয়া প্রদর্শনেও কি
আমাদের সওয়াব হবে ?
তিনি বললেন, প্রত্যেক জীবের
প্রতি দয়া প্রদর্শনে নেকী রয়েছে।
.
বুখারীর অন্য বর্ণনায় রয়েছে,
আল্লাহ্ তা'আলা তার এই
আ'মালকে কবুল করলেন।
অতঃপর তাকে ক্ষমা করে
জান্নাতে প্রবেশ করালেন।
-(সহীহ বুখারী, হাদীস ২৩৬৩)
___কবরের আযাব___
ঘটনাটি ঘটেছে ওমানে
=>১৮ বছরের একটি ছেলে
ওমানের একটি হাসপাতালে
স্বাভাবিক ভাবেই মারা যায়।
তাকে ইসলামিক নিয়মে কবর দেওয়া
হয়। ৩ ঘন্টা পরে ছেলের
বাবা তার ছেলেকে দেখার জন্য
অনুমতি চান, এবং তিনি বলেন
আমার একটা সন্দেহ আছে এবং
তিনি তা পরখ করে দেখতে চান।
কবর থেকে লাশ তোলা হলো এবং
কাফনের কাপড় সরানো হলো। আশে
পাশের লোকজন, ডাক্তার, আত্নীয়-
স্বজন ও ছেলের বাবা এক
মুহূর্তের
জন্য বাকরুদ্ধ হয়ে গেলো। ভয়ে
সবার শরীর কেঁপে উঠলো। মাত্র ৩
ঘন্টায় ১৮ বছরের ছেলের এই
অবস্থা কিভাবে হলো....
ছেলের বয়স যেন ৮০ পেরিয়ে
গেছে, চুলগুলো ধূসর হয়ে গেছে,
শরীর ক্ষত বিক্ষত হয়ে গেছে, যেন
তাকে আগুনে পুড়া হয়েছে। তাকে
যেন অনেক অত্যাচার করা
হয়েছে।
তার চোখে যেন এখনো প্রাণ
আছে। কি যেন বলতে চাইছে তার
চোখ।
এবার ছেলের বাবা বললেন-এটা
খুব কঠিন কবরের আযাবের
প্রতিফল। আমার ছেলে কখনো
নামায- রোজা আদায় করে নাই,
এমন কোন খারাপ কাজ নাই যা সে
করে
নাই। এই আযাব তারই
প্রতিফল!
মহান আল্লাহ্ আমাদের তার
আদেশ নিষেধ মানার তৌফিক দান
করুক।
আমিন আমিন আমিন.
লেখক আবু হানিফা
কবরের মাটি দুনিয়ার
মানুষকে হুশিয়ার করার
জন্য দৈনিক পাঁচ বার পাঁচটি
ঘোষণা দিয়ে থাকেঃ
.
১। হে বনী আদম!
আজ আমার পিঠের উপর দিয়ে
তুমি চলাফেরা করছ, অথচ একদিন
তোমাকে আমার উদরে আসতে হবে।
.
২। হে বনী আদম!
আমার পিঠের উপর তুমি
সুস্বাদু খাবার খাচ্ছো,
অথচ একদিন আমার উদরে পোকা-
মাকড় কীট-পতঙ্গ তোমাকেই
খাবে।
.
৩। হে বনী আদম!
আমার পিঠের উপরেই তুমি আজ
হাসাহাসি করছ, অথচ কিছুদিন
পরেই আমার উদরে তুমি ভীষণ
কাঁদবে।
.
৪। হে বনী আদম!
আমার পিঠের উপর তুমি দারুণ
আনন্দিত,
অথচ কিছুদিন পরেই আমার উদরে
তুমি দুঃখে জর্জরিত হবে।
.
৫। হে বনী আদম!
আমার পিঠের উপর তুমি
নির্দ্বিধায় পাপাচার
করছো, অথচ সত্বর্ই তোমাকে
আমার উদরে শাস্তি প্রদান
করা হবে।
.
"হে আল্লাহ আমাদেরকে নেক হেদায়েত দান
করুন
কবর দৈনিক পাঁচটি জিনিস
মানুষের কাছে অনুরোধ করে |
১. আমি একাকী ঘর, সংগী নিয়ে
এসো |
উ: সংগী হলো কুরআন
২. আমি অন্ধকার ঘর, বাতী নিয়ে
এসো |
উ: বাতী হলো নামাজ
৩. আমি মাটির ঘর, বিছানা নিয়ে
এসো |
উ: বিছানা হল নেক আমল |
৪. আমি সাপ বিচ্ছুর ঘর, বিষের ঔষুধ
নিয়ে এসো|
উ: ঔষুধ হলো দান সাদকা |
৫. আমি প্রশ্নের ঘর , উত্তর নিয়ে এসো
|
উ: উত্তর হলো কালেমা ও জিকির |
অনুরোধ রইল পোষ্টা শেয়ার করার
জন্য
৫ জায়গায় হাসলে সাধারন গুনাহের
চেয়ে ২৫ গুন বেশি গুনাহ হয়
১:মসজিদে
২:জানাজার পিছনে
৩:কবর স্থানে
৪:কুরআন তেলাওয়াতের সময়
৫:কোন মজলিশে
যে ব্যাক্তি আজান শুনে
নামাজ পড়বে
না কিয়ামতের দিন তাঁর কানে গরম
সীসা ঢেলে দেয়া হবে"
তুর পাহাড়ের চুড়া, জমিন
থেকে দেড় মাইল উপরে। ৩৭৫০
টা শিড়ী বেয়ে মুসা (আ:)
উপরে উঠলেন রাতের
আধারে।
★আল্লাহ আপনার
সাথে কথা বলতে চাই।
★মুসা, তোমাকে হাত দিলাম ।
পাও দিলাম। অংগ প্রত্যাংগ
দিলাম। বুুঝার মত মেধা, চলার মত শক্তি
দিলাম। তোমার জন্য এতকিছু করলাম।তুমি
কি করেছ আমার জন্য?
★আল্লাহ আমি আপনার জন্য
ই নামাজ আদায় করি।
★না, নামাজ জান্নাতের
চাবি।
তুমি নামাজ আদায় কর।
তোমার
জান্নাতের চাবি টা মজবুদ
কর।
তাতে আমার কি?
★আল্লাহ, আমিতো আপনার জন্যই
রোজা রাখি।
★না, রোজা জাহান্নামের ঢাল।
তুমি রোজা রাখ। তোমার
জাহান্নামের ঢাল মজবুদ কর।
এটা আমার জন্য হবে কেন?
★আল্লাহ, আমি আপনার
সন্তিস্টির জন্যই যাকাত আদায় করি।
★না, যাকাত মালের হেফাজত
করে। তুমি তোমার মালের
হেফাজতের জন্যই জাকাত
আদায় কর। আমার জন্য নয়।
মুশা (আ:) লজ্জিত হলেন।
সেজদায় পড়ে গেলেন।
আল্লাহ
আমি আপনার জন্য
কি করতে পারি ?
★হে মুশা, আমার
* বড়ত্বের কথা,আমার
* কুদ্রতের কথা,
* স্রিস্টির কথা,
* হেকমতের
কথা মানুষ কে জানিয়ে
দাও।'
এটাই হবে শুধুমাত্র আমার জন্য।
★আলহামদুলিল্লা,
তাফসিরে মাঝহারিতে
,কাজী সানাউল্লাহ
পানিপথির
বর্ননাকে সামনে রেখেই দু,
এক্টা Post করি শুধু মাত্র
আল্লাহ
তায়ালার সন্তস্টির জন্য ই। শত শত
কমেন্ট হাজার হাজার লাইক,
গুলো দিয়ে কি হবে
ভাই?
যদি আপনি আমার
লেখটা না পড়েন। বুঝার
চেস্টা যদি না করেন।
সম্ভাব
হলে লেখা্টা সেয়ার করুন।
পোছিয়ে দিন, প্রথিবির
আনাছে কানাছে আমার
* আল্লার কথা, আল্লার
* হেকমতের কথা।
* কুদরতের কথা। আল্লাহ র
* বড়ত্বের কথা।
কথাগুলো পোছিয়ে দিন,
দুনিয়ার আনাছে কানাছে,
প্রতিটি মানুষের কাছে।
★আর এটাই হল দাওয়াতে তাবলীগ।
আমার পোস্ট আর আপনার
সেয়ার
দ্বারা দুনিয়ার একজন মানুষ ও
যদি আমল ওয়ালা হয়ে যায়।
কেয়ামতের কঠিন দিনে
এটাই
হতে পারে আমার আপনার জন্য
নাজাতের এক মাত্র উসিলা ।
★আল্লাহ আমাদের কে এই সহজ কথাটা
* বুঝার,
* মানার এবং
* আমল করার তাওফিক
দিন।
যখন তোমার বয়স ১০;
তখন তুমি খুঁজবে
'খেলার
মাঠ' কোথায়?.
"
যখন তোমার বয়স ২০;
তখন তুমি খুঁজবে'boy
friend/girl friend'
কোথায়?.
"
যখন তোমার বয়স ৩০;
তখন তুমি খুঁজবে
'টাকা'
কোথায়? "
.
যখন তোমার বয়স ৪০;
তখন তুমি খুঁজবে একটু
'অবসর সময়' কোথায়?.
.
" আর যখন তোমার
বয়স ৫০ হবে;
তখন তুমি হয়তো
খুঁজবে
'মসজিদ' কোথায়?.
.
কিন্তু ৫০ আসার
আগেই হয়তো তোমার
সময় শেষ হয়ে
যেতে পারে..।
.
সুতরাং শেষেরটাকে
আগে খুঁজায় শ্রেয়।।
.
*কাজেই সময়
থাকতেই পাঁচ
ওয়াক্ত ফরয।
নামাযের প্রতি গুরুত্ব
দিন। আল্লাহ আমাদেদিন। আল্লাহ আমাদের
সকলকেই
বুঝার তৌফিক দিন।
______আমীন
রাত যতই দীর্ঘ হোক না কেনো.........
>> ফজর অবশ্যই আসবে।
→তোমার বয়স যতই দীর্ঘ হোক না
কেনো..... >>কবরে এক দিন যেতেই হবে।
→প্রতিদিন তুমি মসজিদে নামাজ পড়তে যাও না, একদিন
তোমাকেই মসজিদেই নিয়ে যাওয়া হবে.......
>> তোমার জানাযার নামাজ পড়ার জন্য। →প্রতিদিন তুমি
নিজে গোসল কর.....
>> একদিন অন্যরা তোমাকে গোসল করাবে।
→প্রতিদিন তুমি নিজে সাজগোছ করো.......
>> একদিন অন্যরা তোমাকে সাজাবে। →প্রতিদিন তুমি
বাড়ি থেকে বের হও দাঁড়ানো অবস্থায়.......
>> একদিন শোয়া অবস্থায় তোমাকে এই বাড়ি
থেকে বের হোতে হবে।
আশা করি সবাই পড়বেনঃ-
.
☞১০০ টাকা মসজিদে অনেক বড় দেখায় অথচ
শপিংমলে কতই না ছোট।
.
☞মসজিদে এক ঘন্টা ইবাদত কত দীর্ঘ সময়
কিন্ত সিনেমা হলে তা খুবই সামান্য সময়৷
.
☞তারাবির নামাজে দীর্ঘ এক ঘন্টা সময়
লাগে। অথচ একটা ফুটবল ম্যাচ মাত্র ৯০
মিনিট।
.
☞একটা ক্রিকেট ম্যাচে মাত্র ৬ ঘন্টা সময়
তাতে কোন কষ্ট নাই,বরং উত্তেজনামূলক ও
আনন্দ
দায়ক।কিন্তু,জুমার খুতবা একটু দীর্ঘায়িত
হলে তা বিরক্তিকর।
.
☞কোরআনের একটি Page পড়া খুবই কষ্টকর
অথচ ২০০ পৃষ্টার উপন্যাস পড়া কতই না সহজ।
.
☞কনসার্ট বা খেলার মাঠে সামনের সারিতে
বসতে কত প্রতিযোগিতা,অথচ মসজিদে যত
পিছনে বসা যায় ততই ভাল।
.
☞সংবাদ পত্রের খবর আমরা কত সহজে
বিশ্বাস করি।
অথচ আল্লাহর কোরআনের একটি আয়াত
বিশ্বাস করা এবং মানা অনেক কষ্টকর।
.
☞এশার নামাজ পড়তে গেলে শরীর ক্লান্ত
আর Star জলসা Zee বাংলায় আগে আগে।
.
.
☞আসুন একটু ভেবে দেখি আমরা কি করছি।
প্লীজ এভাবে ইসলামকে শেষ করে দিয়েন
না।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
যে ব্যক্তি কোন মুসলিম মৃত ব্যক্তিকে গোসল
করালো।
অতঃপর তার গোপনীয়তা সমূহ গোপন
রাখলো,মহান আল্লাহ্ তাকে চল্লিশবার ক্ষমা
করবেন।
আর যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তিকে কাফন পরাবে, মহান
আল্লাহ্ তাকে কিয়ামতের দিন জান্নাতের মিহি ও
মোটা রেশমের পোষাক পরাবেন।
আর যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির জন্য কবর খনন
করলো, তারপর দাফন শেষে তা ঢেকে দিলো।
মহান আল্লাহ্ তাকে কেয়ামত পর্যন্ত পুরস্কার
দিবেন জান্নাতের একটি বাড়ীর সম-পরিমান,যেখান
ে মহান আল্লাহ্ তাকে রাখবেন।
{বায়হাকী হাঃ৮৮২৭,সহীহ আত্ তারগীব হাঃ৩৪৯২}
যদি কোনো ব্যক্তি রাতে শয়নকালে এই নিয়ত
করে যে সে রাতে উঠে নামাজ পড়বে;
কিন্তু প্রচণ্ড ঘুমের কারণে সকাল হয়ে যায়,
তাহলে সে তার নিয়ত অনুযায়ী নামাজের সওয়াব
পাবে!
আর ঘুমটা আল্লাহর পক্ষ থেকে তার জন্য
সদকাস্বরূপ হবে!
(নাসায়ি : ১৭৮৭)
# সুবহান_আল্লাহ্______
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন আমার কথা (অন্যদের কাছে) পৌছিয়ে দাও, তা যদি একটি আয়াতও হয়। (সহীহ বুখারীঃ ৩২১৫)
যে ব্যক্তি (পুরুষ) পায়ের টাখনুর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে পরবে, সে জাহান্নামী। (সহীহ বুখারীঃ৫৩৭১, মিশকাত, হা/৪১২৫)
সহীহ বুখারীতে রাসূল সাঃ এর দীর্ঘ
এসেছে,
“আমরা এক শায়িত ব্যক্তির কাছে আসলাম।
তার মাথার কাছে পাথর হাতে নিয়ে অন্য এক-
জন লোক দাঁড়িয়ে ছিল। দাড়ানো ব্যক্তি শায়িত
ব্যক্তির মাথায় সেই পাথর নিক্ষেপ করছে। এবং
পাথরের আঘাতে তার মাথা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে
যাচ্ছে তারপর পাথরটি বলের মত গড়িয়ে দূরে
চলে যাচ্ছে।
★→লোকটি পাথর কুড়িয়ে আনতে আনতে
আবার তাঁর মাথা ভাল হয়ে যাচ্ছে।দাঁড়ানো
ব্যক্তি প্রথমবারের মত আবার আঘাত করছে
এবং তার মাথাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিচ্ছে। রাসূল
(সাঃ) তাঁর সফরসঙ্গী ফেরেশতাদ্বয়কে
জিজ্ঞেস
করলেনঃ কি অপরাধের কারণে তাকে এভাবে
শাস্তি দেয়া হচ্ছে?
★→উত্তরে তারা বললেনঃএব্যক্তি কুরআন শিক্ষা
করেছিল। কিন্তু কুরআন অনুযায়ী আমল করেনি
এবং সে ফরজ নামাযের সময় ঘুমিয়ে থাকত।এখন
থেকে কিয়ামত পর্যন্ত তাকে এভাবে শাস্তি দেয়া
হবে।
নবী করিম (সাঃ) বলেছেন,
এক লোক নবীজির কাছে
এসে বলল,সে সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়েছে
এবং নামায আদায় করতে পারেনি!!নবীজি
বললেন:শয়তান তার কানে প্রস্রাব করে দিয়ে
চলে গিয়েছে!
(বুখারী 2:21:245)
যে ব্যাক্তি আজান শুনে
নামাজ পড়বে
না কিয়ামতের দিন তাঁর কানে গরম
সীসা ঢেলে দেয়া হবে"
একজন বেপর্দা নারীর জন্য তার
পরিবারের ৪ জন পুরুষ জাহান্নামী
হবে !
১. তার বাবা
২. তার বড় ভাই
৩. তার স্বামী
৪. তার বড় ছেলে
(মুসনাদে আহম্মদ ৫৮৩৯
আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শনের সুফল
হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রহঃ) আমাদের মুসলিম ইতিহাসে অসাধারণ এক বুযুর্গ। তার সম্পর্কে একটি বিখ্যাত ঘটনা আছে। তিনি যখন ইন্তেকাল করেন, তখন একব্যক্তি তাঁকে স্বপ্ন দেখল। প্রশ্ন করল, আল্লাহ আপনার সাথে কী আচরণ করেছেন? হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রহঃ) বললেন, আল্লাহ আমার সাথে অদ্ভুত আচরন করেছেন। আমি যখন আল্লাহর সমীপে হাজির হলাম, তখন তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আমার কাছে কী আমল নিয়ে এসেছে? আমি ভাবলাম, কী জবাব দেব?
আমার কোন আমলটির কথা বলবো? কারণ, আল্লাহর দরবারে পেশ করার মতো কোন আমল তো আমার নেই। তাই আল্লাহর দরবারে আরয করলাম, হে আল্লাহ! আমি কিছুই আনতে পারেনি। শূন্যহাতে এসেছি, একমাত্র আপনার অন্যগ্রহ ছাড়া আমার কোনো গতি নেই। আল্লাহ ইরশাদ করলেন, তুমি তো দুনিয়াতে অনেক বড় বড় আমল করে এসেছ। তবে তোমার একটি আমল খুবই পছন্দ হয়েছে। আজ তোমাকে সেই আমলটির বিনিময়ে ক্ষমা করে দিচ্ছি। আমলটি হলো, একরাতে তুমি যখন ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে দেখেছ, একটা বিড়ালের বাচ্ছা প্রচন্ড শীতে থরথর করে কাঁদছে, বিড়ালটার জন্য তোমার অন্তরে মমতা জাগে।
তুমি বিড়ালটাকে লেপের ভেতরে আশ্রয় দিয়েছ। তখন বিড়ালটার অবশিষ্ট রাত লেপের নিচে আরামে ঘুমিয়েছে। তোমার এ আমলটি ছিল গভীর ইখলাসপূর্ণ। একমাত্র আমার সন্তুষ্টি ছাড়া সেখানে তোমার অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। তোমার এ কাজটি আমার খুবই পছন্দ হয়েছে। এরই বিনিময়ে আজ তোমাকে ক্ষমা করে দিচ্ছি।
হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রহঃ) বলেন, পৃথিবীতে জ্ঞান-পাণ্ডিত্যের কত বড়-বড় সিঁড়ি পার করে এসেছি। কিন্তু আজ তার কোনোটিই কাজে আসেনি। কাজে এসেছে আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি একটি মহব্বতপূর্ণ আচরণ।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,যে ব্যক্তি মুসলিম পুরুষ ও
মুসলিম নারীদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা
প্রার্থনা করবে, তাহলে প্রত্যেক মুসলিমের জন্য
একটি করে সওয়াব আল্লাহ তার আমল নামায় লিখে
দেবেন (ত্বাবরানী, শাইখ আলবানী হাদীছটিকে
হাসান সহিহ বলেছেন, সহীহুল জামে হা/৬০২৬)
# হাদিসটা নিয়ে একটু চিন্তা করে দেখুন, বর্তমান
পৃথিবীতেই ২০০ কোটির উপরে মুসলিম রয়েছে
আর
আদম (আঃ) থেকে শুরু করে কিয়ামত পর্যন্ত
মুসলিমের সংখ্যা কত হবে সেটা ১মাত্র আল্লাহ
সুবহানাহু তা’লা ছাড়া আর কারো পক্ষেই জানা
সম্ভব নয় অথচ তাদের জন্য ১ বার ক্ষমা চাইলেই
আপনি সেই সংখ্যক নেকী পেয়ে যাবেন যার
পরিমাণ কোন মানুষের কল্পনায়ও আসবে না।
ইসলামের সৌন্দর্য দেখুন, ইসলাম শুধু নিজের কথা
চিন্তা করতে বলে না বরং অন্যদের কল্লান কামনা,
তাদের প্রতি বিদ্বেষ না রাখা, তাদের জন্য
আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এটাও শরীয়তে বিরাট
ইবাদত হিসাবে বিবেচিত আর সেই কারনেই দেখা
যাচ্ছে মুসলিম ভাই বোনদের জন্য আল্লাহর কাছে
ক্ষমা চাওয়াতে তিনি এমন পরিমাণ সওয়াব নির্ধারণ
করেছেন যেটা আর কোথাও পাওয়া যায় না।
দান-সাদকার সুফল”
এক লোকের স্ত্রী ছিলো খুবই দানশীলা।
পরহেযগার। গরীব-দুঃখীদের প্রতি সমব্যথী।
কিন্তু স্বামীটা ছিলো হাড়কিপ্টা, কুঞ্জুস।
হাত গলে এক ফোঁটা পানিও বের হতো না।
স্বামী সব সময় স্ত্রীকে, দান-খয়রাত করতে
কঠোরভাবে নিষেধ করতো। একদিন স্বামী
মসজিদে গেলো। এমন সময় দরজায় টোকা
পড়লো। স্ত্রী দরজার কাছে গিয়ে ভেতর
থেকে বললো,
- কে?
- আম্মাজান, আমি একজন অসহায়। ঠাণ্ডায় খুবই কষ্ট
পাচ্ছি। শীত নিবারণের কোনও কাপড় আমার কাছে
নেই।
স্ত্রীর মনটা গলে গেলো। স্বামীর
নিষেধের কথা ভুলে গেলো। ভিক্ষুকটিকে তিনটা
পুরনো কাপড় দিলো।
সাথে খাওয়ার জন্য তিনটা খেজুরও দিয়ে দিলো।
.
অন্যদিকে স্বামী মসজিদে নামায পড়ে ঘুমিয়ে
ছিলো। স্বপ্নে দেখলোঃ
কিয়ামত কায়েম হয়ে গেছে। মানুষজন বিশাল বিশাল
ঢেউয়ের মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছে।
মাথার ওপর তীব্র গরম। সূর্যটা একদম মাথার ওপর
থেকে আগুনের উল্কা ছড়াচ্ছে।
হঠাত লোকটা অবাক হয়ে দেখলো, তিনটা কাপড়
এসে মাথার ওপর স্থির হলো।
কিন্তু কাপড়গুলোতে তিনটা ছিদ্র ছিলো।
কোত্থেকে যেনো তিনটা খেজুর এসে
ছিদ্রগুলো বন্ধ করে দিলো। এখন আর মাথার ওপর
কোনও রোদ নেই। লোকটা কিংকর্তব্যবিমূঢ়
হয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠলো।
বাড়ি এসে স্ত্রীকে স্বপ্নের কথা খুলে
বললো।
.
স্ত্রী বুঝতে পারলো, এটা তার দান করা তিনটা কাপড়
আর খেজুরের বরকতে হয়েছে।
স্বামীকে পুরো বিষয়টা খুলে বললো। স্বামী
প্রত্যুত্তরে বললো, - আজ থেকে একজন
মিসকীনও যাতে আমাদের দরজা থেকে খালি
হাতে না যায়।
.
এই লোককে আল্লাহ তা‘আলা পার্থিব জীবনেই
সতর্ক করে দিয়েছিলেন। এই ঘটনায় একটা
হাদীসের মূলবাণীই ফুটে উঠেছে,
“কিয়ামতের দিন প্রতিটি মানুষ তার সাদক্বার ছায়াতলে
থাকবে।” (আহমাদ)
.
ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকে প্রতিদিন সামান্য কিছু
হলেও সাদক্বাহ করার তাওফীক দান করুন।
আমীন।
No comments:
Post a Comment