রমাদানের শেষ দশ রাতে কিছু সহজ আমল করা যায়। লাইলাতুল কদর নসিব হলে এই সহজ, ছোট আমলগুলোই পাহাড় সমান হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ্।
.
(১) মাগরিব অথবা তারাবির পর ২/৪ রাকাত নফল নামায আর অবশ্যই সাহরি খাওয়ার পূর্বে ৪/৬ রাকাত তাহাজ্জুদের নামায।
(২) অল্প কিছু টাকা- যেমন ১০/২০ টাকা হলেও কোনো গরিব-মিসকিনকে দান করা।
(৩) ২/৪ পৃষ্ঠা কুরআন তিলাওয়াত করা। সম্ভব হলে আরো বেশি।
(৪) বিভিন্ন তাসবিহ (যেমন: সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদুলিল্লাহি ওয়া ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার/ সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযিম ইত্যাদি) পড়া অগণিতবার।
(৫) নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ পড়া। সহজ কিছু দরুদ হলো: ♦ সল্লাল্লাহু আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদিন ♦ আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ ইত্যাদি। এগুলো সহিহ হাদিসে এসেছে।
(৬) ইসতিগফার করা। সবচেয়ে সহজ ও সংক্ষিপ্ত ইসতিগফার হলো: আসতাগফিরুল্লাহ। আর একটু বড় পড়তে চাইলে "আসতাগফিরুল্লাহাল্লাযি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল কাইয়ুমু ওয়া আতূবু ইলাইহি।"
(৭) আন্তরিক দু'আ। প্রথমে অযু করে নিবেন। সম্ভব হলে দুই রাকাত তাওবাহর নামায পড়ে নিবেন সাধারণ নফল নামাযের মতই। এরপর কিছু সময় জায়নামাযে বসে মনোযোগ ঠিক করবেন, কিছু যিকর করবেন। এরপর কিবলার দিকে মুখ করে নামাযের বৈঠকের সুরতে বসবেন। দু'আ এভাবে করবেন: আল্লাহর প্রশংসাসূচক কোনো বাক্য বলতে বলতে হাত তুলবেন (বুক বরাবর)। সূরা ফাতিহার প্রথম আয়াতটি দিয়েও শুরু করা যায়। এরপর উপরে বর্ণিত কোনো দরুদ বা আমাদের নামাযে পঠিত দরুদ (ইব্রাহিমি) পড়বেন। এরপর প্রথমে নিজের জন্য দু'আ করবেন। এরপর সবকিছুর জন্য। দু'আর মধ্যে মাঝে মধ্যে বলবেন ইয়া হাইয়ু! ইয়া কাইয়ুমু!, লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনায যোয়ালিমিন। অবশ্যই নির্যাতিত মুসলিম জনপদ উইঘুর, কাশ্মির, ফিলিস্তিন, সোমালিয়া, ইয়েমেন, আরাকান (মিয়ানমার), মিশর ইত্যাদির মুসলিমদের জন্য মাগফিরাত, সবর এবং আল্লাহর সাহায্যের দু'আ করবেন। আল্লাহর কাছে চাওয়া শেষ। এবার ঠিক আগের মতই আবারো আল্লাহর প্রশংসা এবং নবীজির উপর দরুদ পড়বেন। এরপর "আমীন" অথবা "ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম" বলে দু'আ শেষ করবেন। দু'আ শেষে মুখে হাত মোছা জায়েয, তবে এটার সপক্ষে খুব একটা দলিলাদি নেই। মোছতেও পারেন আবার নাও মোছতে পারেন। এই হলো সহিহ হাদিসসম্মত দু'আর পদ্ধতি।
.
আপাতত এ পর্যন্তই। রামাদানের শেষ দশ দিনের যেকোনো দিনেই হতে পারে লাইলাদুল কদর। অতএব, প্রতিটা রাতকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
.
(১) মাগরিব অথবা তারাবির পর ২/৪ রাকাত নফল নামায আর অবশ্যই সাহরি খাওয়ার পূর্বে ৪/৬ রাকাত তাহাজ্জুদের নামায।
(২) অল্প কিছু টাকা- যেমন ১০/২০ টাকা হলেও কোনো গরিব-মিসকিনকে দান করা।
(৩) ২/৪ পৃষ্ঠা কুরআন তিলাওয়াত করা। সম্ভব হলে আরো বেশি।
(৪) বিভিন্ন তাসবিহ (যেমন: সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদুলিল্লাহি ওয়া ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার/ সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযিম ইত্যাদি) পড়া অগণিতবার।
(৫) নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ পড়া। সহজ কিছু দরুদ হলো: ♦ সল্লাল্লাহু আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদিন ♦ আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ ইত্যাদি। এগুলো সহিহ হাদিসে এসেছে।
(৬) ইসতিগফার করা। সবচেয়ে সহজ ও সংক্ষিপ্ত ইসতিগফার হলো: আসতাগফিরুল্লাহ। আর একটু বড় পড়তে চাইলে "আসতাগফিরুল্লাহাল্লাযি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল কাইয়ুমু ওয়া আতূবু ইলাইহি।"
(৭) আন্তরিক দু'আ। প্রথমে অযু করে নিবেন। সম্ভব হলে দুই রাকাত তাওবাহর নামায পড়ে নিবেন সাধারণ নফল নামাযের মতই। এরপর কিছু সময় জায়নামাযে বসে মনোযোগ ঠিক করবেন, কিছু যিকর করবেন। এরপর কিবলার দিকে মুখ করে নামাযের বৈঠকের সুরতে বসবেন। দু'আ এভাবে করবেন: আল্লাহর প্রশংসাসূচক কোনো বাক্য বলতে বলতে হাত তুলবেন (বুক বরাবর)। সূরা ফাতিহার প্রথম আয়াতটি দিয়েও শুরু করা যায়। এরপর উপরে বর্ণিত কোনো দরুদ বা আমাদের নামাযে পঠিত দরুদ (ইব্রাহিমি) পড়বেন। এরপর প্রথমে নিজের জন্য দু'আ করবেন। এরপর সবকিছুর জন্য। দু'আর মধ্যে মাঝে মধ্যে বলবেন ইয়া হাইয়ু! ইয়া কাইয়ুমু!, লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনায যোয়ালিমিন। অবশ্যই নির্যাতিত মুসলিম জনপদ উইঘুর, কাশ্মির, ফিলিস্তিন, সোমালিয়া, ইয়েমেন, আরাকান (মিয়ানমার), মিশর ইত্যাদির মুসলিমদের জন্য মাগফিরাত, সবর এবং আল্লাহর সাহায্যের দু'আ করবেন। আল্লাহর কাছে চাওয়া শেষ। এবার ঠিক আগের মতই আবারো আল্লাহর প্রশংসা এবং নবীজির উপর দরুদ পড়বেন। এরপর "আমীন" অথবা "ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম" বলে দু'আ শেষ করবেন। দু'আ শেষে মুখে হাত মোছা জায়েয, তবে এটার সপক্ষে খুব একটা দলিলাদি নেই। মোছতেও পারেন আবার নাও মোছতে পারেন। এই হলো সহিহ হাদিসসম্মত দু'আর পদ্ধতি।
.
আপাতত এ পর্যন্তই। রামাদানের শেষ দশ দিনের যেকোনো দিনেই হতে পারে লাইলাদুল কদর। অতএব, প্রতিটা রাতকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

No comments:
Post a Comment