বিবাহ
ইসলামী শরীআতে বিবাহের জন্য কাউকে ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হয়না। মেয়ের ইযন নিয়ে তার উকিল দুজন স্বাক্ষীর সামনে ছেলেকে প্রস্তাব দেবেন। তখন ছেলে কবুল করবে। আগে খুতবা পড়ে তারপরে ইজাব কবুল করতে হবে। ব্যস, এতেই বিবাহ সম্পন্ন হয়ে যাবে। বিবাহের পরে উপস্থিত সকলে বলবে “ বারাকাল্লাহু লাকা ওয়া বারাকাল্লাহু আলাইকা ওয়া জামা‘আ বাইনাকুমা ফী খাইর”। (মিশকাত-২/২৭৮)
উল্লেখ্য যে, বিবাহ সহীহ হওয়ার জন্য দুজন পুরুষ বা একজন পুরুষ ও দুজন স্ত্রীলোক সাক্ষী থাকা আবশ্যক। স্বাক্ষীদের নিজ কানে ইজাব-কবুলের কথাগুলি শুনতে হবে। এরপরে ছেলে বা মেয়ে যার এলাকায় বিবাহ হবে সে এলাকার লোকেরা উপস্থিত লোকদের মধ্যে কিছু খুরমা বিলিয়ে দেবে।
খুরমা বিতরণ হয়ে গেলে সকলে চলে যাবে, কেউ বসে থাকবে না। তবে দূর পথের সফর হলে বরের সাথে সাহায্যকারী হিসেবে দু চারজন সাথী থাকতে পারে। (মিশকাত-২/২৭৮) ইজাব কবুলের পরে বর উঠে দাঁড়িয়ে বা বসে উপস্থিত সকলকে সালাম করে- শরীআতে এর কোন ভিত্তি নেই।
ইসলামী শরীআতে বিবাহের জন্য কাউকে ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হয়না। মেয়ের ইযন নিয়ে তার উকিল দুজন স্বাক্ষীর সামনে ছেলেকে প্রস্তাব দেবেন। তখন ছেলে কবুল করবে। আগে খুতবা পড়ে তারপরে ইজাব কবুল করতে হবে। ব্যস, এতেই বিবাহ সম্পন্ন হয়ে যাবে। বিবাহের পরে উপস্থিত সকলে বলবে “ বারাকাল্লাহু লাকা ওয়া বারাকাল্লাহু আলাইকা ওয়া জামা‘আ বাইনাকুমা ফী খাইর”। (মিশকাত-২/২৭৮)
উল্লেখ্য যে, বিবাহ সহীহ হওয়ার জন্য দুজন পুরুষ বা একজন পুরুষ ও দুজন স্ত্রীলোক সাক্ষী থাকা আবশ্যক। স্বাক্ষীদের নিজ কানে ইজাব-কবুলের কথাগুলি শুনতে হবে। এরপরে ছেলে বা মেয়ে যার এলাকায় বিবাহ হবে সে এলাকার লোকেরা উপস্থিত লোকদের মধ্যে কিছু খুরমা বিলিয়ে দেবে।
খুরমা বিতরণ হয়ে গেলে সকলে চলে যাবে, কেউ বসে থাকবে না। তবে দূর পথের সফর হলে বরের সাথে সাহায্যকারী হিসেবে দু চারজন সাথী থাকতে পারে। (মিশকাত-২/২৭৮) ইজাব কবুলের পরে বর উঠে দাঁড়িয়ে বা বসে উপস্থিত সকলকে সালাম করে- শরীআতে এর কোন ভিত্তি নেই।
No comments:
Post a Comment