শ্বশুর-শাশুড়ীর কর্তব্য:-
শ্বশুর-শাশুড়ীর একথা স্মরণ রাখা উচিৎ যে,
যে মেয়েটি বধূ বেশে সংসারে নতুন এসেছে, সে একদমই নতুন এবং এই পরিবেশ সম্পর্কে তার কোন ধারণাই নেই।
সুতরাং আপন সন্তানকে ঠিক যে ভাবে তা‘লীম দেয়া হয়, তার আরাম-আয়েশের প্রতি লক্ষ্য রাখা হয়- তাকেও ঠিক সেভাবেই গড়তে হবে এবং তার আরাম আয়েশের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে।
মেয়ের জামাতাকে মেয়ের পিতা-মাতা নিজেদের একজন ছেলে ভাববেন এবং নিজেদের ছেলের মত তাকে গড়ে নিবেন আর তার ভুল-ত্রুটিকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
বর্তমানে আমাদের অবস্থাতো এই যে, নতুন একজন সংসারে এলে বিশেষ করে সে যদি হয় বাড়ীর বউ- তাহলে পদে পদে তার ভুল-ত্রুটি বের করার চেষ্টা করা হয়। অথচ এটা মস্ত বড় অন্যায়।
তাকে যদি নিজের সন্তানের মত মনে করা হয় তাহলে কিন্তু অতি সহজেই সকল বিবাদের সমাধান হয়ে যায়। আরো মনে রাখতে হবে যে, স্ত্রীর যিম্মায় স্বামীর ঘরে অবস্থান করার যিম্মাদারী দেয়া হয়েছে, স্বামীকে খুশি রাখার যিম্মাদারী দেয়া হয়েছে। অন্যান্য কাজ কর্মের দায়িত্ব তাকে দেয়া হয়নি, শ্বশুর-শাশুড়ীর খেদমতের দায়িত্বও স্ত্রীর নয়।
ছেলে নিজে তাদের খেদমত করবে কিংবা লোক দ্বারা করাবে। স্ত্রীকে একাজে বাধ্য করতে পারবে না।
সুতরাং কোন ভাগ্যবতী মহিলা যদি শ্বশুর-শাশুড়ীর খেদমত করে, তাহলে এজন্য তাদের শুকরিয়া আদায় করা উচিৎ।
No comments:
Post a Comment